Home » মঞ্চ » বটতলা আন্তর্জাতিক নাট্যাৎসবে ‘দক্ষিণা সুন্দরী’

বটতলা আন্তর্জাতিক নাট্যাৎসবে ‘দক্ষিণা সুন্দরী’

Share Button

মিডিয়া খবর :-

জাতীয় নাট্যশালায় বটতলা আন্তর্জাতিক নাট্যাৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের একদল তরুণ প্রাণ অভিনীত,”দক্ষিনা সুন্দরী” নাটকটি মঞ্চস্থ হবে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায়। থিয়েট্রেক্স বাংলাদেশ প্রযোজিত ‘দক্ষিণা সুন্দরী’ নাটকটি  রচনা করেছেন শাহমান মৈশান। নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী।

গাহনা করি মোরা দক্ষিনা সুন্দরী ,আহা
গাহনা করেন কবি দক্ষিনা সুন্দরী
তিন দিক থেকে ঘেরা দর্শকের সারির মধ্যে মঞ্চে শুরু হবে বন্দনা গান । যা ছড়িয়ে দেবে আমাদের লোকায়ত বাংলার সেই আদি নাট্যকলার সুমন্দ সমীরণ। নেচে,গেয়ে অভিনয়ে মঞ্চের কুশীলবগণ সেই সমীরণের ছোয়া দিয়ে যাবে আবারও ‘দক্ষিনা সুন্দরী’ নাটকের মধ্যদিয়ে। ছড়িয়ে দিয়ে যাবে বাংলার গৌরব এবং বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনের জীবন যাপন এবং প্রকৃতির গল্প । নাটকটিতে গীত, নৃত্য ও বাদ্যসহকারে সর্বপ্রাণবাদী পাঁচালী আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে বাংলার রূপকে। উপস্থাপনে অনুসরণ করা হয়েছে আখ্যানরীতি। কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে রয়েছে এক জোড়া মানব-মানবী। পুরুষ চরিত্রের নাম বনা আর নারী চরিত্র চন্দ্রে।

দক্ষিনা সুন্দরী মূলত সুন্দরবন কেন্দ্রিক কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠলেও নাটকে রয়েছে প্রকৃতি বিনষ্টে প্রশাসন এবং সমাজের কর্মকান্ডের ইঙ্গিতময় বর্ণনা, রয়েছে বাওয়ালীদের দুধর্ষ কিন্তু দুঃসহ জীবন যাপনের কথা।তুলে ধরা হয়েছে সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, পরিবেশ আর রাজনীতি। সবুজ গোলপাতায় ছাওয়া বনবিবির প্রাসাদ আর মৌয়াল দের মধু সংগ্রহের নানা কাহিনী । নাটকটির মধ্যদিয়ে কলাকুশলীগণ বলতে চেয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন ধ্বংস হলে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলাদেশ তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হবে বিশ্বও।

নাটকটির গবেষণা উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, পোশাক পরিকল্পনা তত্ত্বাবধানে ওয়াহীদা মল্লিক জলি, রূপসজ্জা পরিকল্পনা তত্ত্বাবধানে রহমত আলী, নৃত্য বিন্যাস অমিত চৌধুরী, সঙ্গীত পরিকল্পনায় নীলা সাহা, আলোক পরিকল্পনায় মীর্জা শাখেছেপ শাকিব ও আতিকুল ইসলাম।

নাটকটির মুখোশ পরিকল্পনা করেছেন সুশান্ত কুমার সরকার, দ্রব্য পরিকল্পনায় খান মো. রফিক, পট অঙ্কন রঘুনাথ চক্রবর্তী। অভিনয় ও পোশাক পরিকল্পনা করেছেন আতিকুর রহমান, মাহজাবীন ইসলাম, নুসরাত শারমীন, সৈয়দা ইফাত আরা ও এস এম জুম্মান সাদিক।  নাটকটির প্রযোজনা সহযোগিতায় ন্যাশনাল থিয়েটার অব স্কটল্যান্ড ও ব্রিটিশ কাউন্সিল।

উল্লেখ্য, নাটকটি ২৪ জুলাই ‘গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস’ এর টিন ফরেস্ট থিয়েটার উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে বাংলা নাটকে নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। এ ছাড়া লন্ডনের ব্র্যাডি আর্ট সেন্টার ও চিকেনশেড থিয়েটারে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়ে প্রশংসিত হয়েছে। এর আগে ১৪ জুন নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট-মণ্ডলে।

Check Also

আজ নাটক কঞ্জুসের ৬৯০ তম মঞ্চায়ন

মিডিয়া খবর :- ৭০০ তম মঞ্চায়নের পথে এগিয়ে চলেছে হাসির নাটক কঞ্জুস। আজ নাটকটির ৬৯০ …

সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ‘শিখণ্ডী কথা’

মিডিয়া খবর:  হিজলতলী গ্রামে বাড়ি রমজেদ মোল্লার। তার পরিবারে জন্ম হয় রতন মোল্লার। কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares