Home » টিভি চ্যানেল » ‘চ্যানেল আই’তে এবার ‘মিট দ্য সুপারস্টার অনন্ত’
ananta jalil

‘চ্যানেল আই’তে এবার ‘মিট দ্য সুপারস্টার অনন্ত’

Share Button

মিডিয়া খবর:-

দেশীয় চলচ্চিত্রের দুর্দিনে নতুন প্রযুক্তি, গল্প, আর নির্মাণ নিয়ে ঢালিউডে হাজির হন অনন্ত জলিল এবং রীতিমতো বিপ্লব ঘটান। তার অভিনীত এবং নির্মিত ছবি দেখতে সব শ্রেণি ও বয়সের মানুষ আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরতে শুরু করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম যারা ইংরেজি ও হিন্দি ছবির প্রতি আসক্ত ছিলেন তাদের কাছে ক্রেজে পরিণত হন অনন্ত। কারণ অনন্তর ছবির নির্মাণ আন্তর্জাতিক মানের। তাই তার ছবি শুধু দেশে নয়, বিদেশেও প্রদর্শন হচ্ছে। ঢাকার সিনেপ্লেক্স গুলো অনন্তর ছবি রীতিমতো প্রতিযোগিতা দিয়ে প্রদর্শন করে এবং দর্শকের ভিড় সামলাতে অন্য ছবি নামিয়ে একাধিক স্ক্রিনে তার ছবি প্রদর্শন করতে বাধ্য হয়।

সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার মহাউত্তম নায়ক অনন্ত জলিল এবার হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’তে। অনন্তর চলচ্চিত্র জীবন নিয়ে চ্যানেলটি নির্মাণ করেছে অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য সুপারস্টার অনন্ত’। ১ নভেম্বর অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে।

এর আগে নায়করাজ রাজ্জাক ছাড়া আর কোনো শিল্পীকে নিয়ে কোনো টিভি চ্যানেল এতটা আগ্রহ দেখায়নি। ঈদে দেশটিভি অনন্তকে উপস্থাপক করে সাত দিনব্যাপী প্রচার করে অনুষ্ঠান ‘ফেস টু ফেস অনন্ত জলিল’। এ ছাড়া গত কয়েক বছর ধরে প্রায় সব টিভি চ্যানেল অনন্তকে নিয়ে প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। কারণ এভারেস্টছোঁয়া জনপ্রিয় নায়ক অনন্তর অনুষ্ঠান মানেই টিভি চ্যানেলের টিআরপি বেড়ে যাওয়া।

বড়পর্দার মতো ছোটপর্দায়ও সমান জনপ্রিয় মহাউত্তম নায়ক অনন্ত। শুধু উৎসবে নয়, সাধারণ সময়েও অনন্তর অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেলগুলো গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করে এমনকি সরাসরিও সম্প্রচার করা হয়। বড়পর্দায় ছবি প্রমোশনের জন্য ছোট পর্দায় উপস্থিত হওয়ার রেওয়াজ চালু করেছেন অনন্ত। বড় ও ছোটপর্দার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও দৃষ্টি কাড়েন এ মহানায়ক। তার আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার কারণে দেশের শীর্ষস্থানীয় মুঠোফোন কোম্পানি গ্রামীণফোন তার নামেই বিজ্ঞাপন নির্মাণ করে। বিজ্ঞাপনটির সংলাপ ছিল ‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্তর কাজ’। যা এখন আবালবৃদ্ধবনিতা সবার মুখে মুখে। এভাবে কোনো নায়কের নাম নিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মাণ করা এ দেশে এটিই প্রথম।

অনন্ত জলিল শুধু শোবিজ জগতেই নিজের উন্নত কর্মযজ্ঞ সীমাবদ্ধ রাখেননি। শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী হিসেবে দেশের শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নে রেখেছেন কৃতিত্বের স্বাক্ষর। আর এ জন্য রাষ্ট্র তাকে টানা চারবার সিআইপি মর্যাদায় ভূষিত করে। অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যণেও রয়েছে তার অপরিসীম অবদান। প্রতিদিন দুর্দশাক্লিষ্ট মানুষের পাশে ত্রাণকর্তা হয়ে হাজির হন অনন্ত। তার দরজা থেকে অসুস্থ বা অভাবী মানুষ কখনো শূন্য হাতে ফেরে না। বেশ কয়েকটি এতিমখানা ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। এবার বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শুরু করছেন। এতে থাকবে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল। যেখানে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি থাকছে মসজিদ ও কবরস্থান।

চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে অনন্তর রয়েছে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। অত্যাধুনিক স্টুডিও ও প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, অভিনয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা চালু, চলচ্চিত্রে নতুন মুখ উপহার দিতে ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন, পুরনো শিল্পীদের প্রতিষ্ঠা পাইয়ে দেওয়া এবং বিশ্বে বাংলাদেশি ছবির বড় আকারের বাজার তৈরির কাজ নিয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাউত্তম নায়ক এম এ জলিল অনন্ত সিআইপি।

Check Also

gohin sundori

ঈদের পঞ্চম দিনের টিভি অনুষ্ঠান

মিডিয়া খবর:- বাংলাদেশ টেলিভিশন কবির বকুলের উপস্থাপনায় আজ রাত সাড়ে ১০টায় গান করবেন রফিকুল ইসলাম …

eid-tv-film

টিভিতে ঈদের চতুর্থ দিন

মিডিয়া খবর :- বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেখানো হবে প্যাকেজ একক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares