Home » ইভেন্ট » সবার চোখ এখন আমার সোনার বাংলায়
banglaimages

সবার চোখ এখন আমার সোনার বাংলায়

Share Button

ঢাকা, ২৫ মার্চ:-

‘জাতীয় সঙ্গীত গাইব, বিশ্ব রেকর্ড গড়ব’ এই স্লোগান সামনে রেখে দেশজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। তৈরি হয়েছে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা। আয়োজনের শেষ নেই। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, আরেকটি বিশ্ব রেকর্ডের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। জাতীয় পতাকার পর এবার জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে নতুন রেকর্ডের স্বীকৃতি আসবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, গার্মেন্টস শ্রমিক, পরিবহন সংশ্লিষ্টসহ সর্বস্তরের মানুষ প্রস্তুতি নিচ্ছেন ২৬ মার্চ জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার। চলছে একের পর এক মহড়া। তিন লাখ মানুষের অংশগ্রহণে ‘লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ কর্মসূচী সফল করতে চূড়ান্ত মহড়া হয়েছে সোমবার। ২৬ মার্চ বেলা ১১টায় সারাদেশের মানুষ সমবেত কণ্ঠে গাইবে- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি…।’ দেশের বাইরেও যে যার অবস্থান থেকে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারবেন। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সরাসরি অংশ নিয়ে বিশ্ব রের্কডের কৃতিত্বে অংশীদার হওয়ার এখন অপেক্ষা মাত্র। ক্ষণগণনা শুরু; অপেক্ষা ২৪ ঘণ্টারও কম।
মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন দুই লক্ষাধিক পোশাক শ্রমিক। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেবে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী। ১০ হাজার পরিবহন শ্রমিক। মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ১ লাখ নেতাকর্মী জমায়েতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সোমবার শিখা চিরন্তনে আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মহড়া হয়। এতে জাতীয় পতাকা হাতে অংশ নেন হাজারও মানুষ।

ইসলামী ব্যাংকের অর্থ ফেরত দেয়ায় লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত উৎসব নিয়ে বিতর্ক কেটেছে। অবসান হয়েছে সকল ভুল বোঝাবুঝির। যেসব সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল তারাও এখন অংশগ্রহণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ॥ জাতীয় ঐক্য গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে ‘লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ উৎসবের। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই তা হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য। এ ঐক্যের মাধ্যমে আমরা রেকর্ড গড়তে চাই। এই রেকর্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আবারও বিশ্ববাসী নতুন করে চিনবে। সে লক্ষ্যেই আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। এগিয়ে যেতে হবে। যে কোন মূল্যে এ কর্মসূচী সফল করার বিকল্প নেই।
লক্ষ্য জাতীয় ঐক্য ॥ সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, রেকর্ড গড়ার জন্য নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই ২৬ মার্চ জাতীয় সঙ্গীতের আয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াতের অপসংস্কৃতি থেকে দেশকে রক্ষার লক্ষ্যে তরুণ সমাজ ও দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করতেই ২৬ মার্চ লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীতের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সভা ২৬ মার্চ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সবার জন্য প্রবেশ উন্মুক্ত থাকবে। অংশগ্রহণকারীদের প্রবেশ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৬টায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠানস্থলে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যেই সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বেলা ১১টায় লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হবে জাতীয় সঙ্গীত। যে কেউ অংশ নিয়ে ইতিহাসের অংশ হতে পারবেন।

অনুষ্ঠানের থিম : ‘লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা’।

শ্লোগান : ‘জাতীয় সঙ্গীত গাইব, বিশ্ব রেকর্ড গড়ব’।

সার্বিক দায়িত্ব : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সার্বিক ব্যবস্থাপনা : সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ।

প্রবেশপথ : রোকেয়া সরণি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট গেট দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে হবে।

বিশেষ নির্দেশনা : অংশগ্রহণকারীদের সবাইকে উচ্চস্বরে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে।
২ লাখ পোশাক শ্রমিকের প্রস্তুতি ॥ জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের নাম সংযোজনের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তাতে ২ লাখ পোশাক শ্র্রমিক অংশগ্রহণ করবেন। তৈরি পোশাক শ্রমিকদের সংগঠন বিজিএমইএর দ্বিতীয় সহসভাপতি এসএম মান্নান কচি এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ব রেকর্ডের জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। শিল্পকলার ৭০ জন শিল্পী দিয়ে কয়েক দফায় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

 

আমার   সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

চিরদিন   তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি ॥

ও মা,   ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,

মরি হায়, হায় রে–

ও মা,  অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে   আমি   কী দেখেছি মধুর হাসি ॥

কী শোভা, কী ছায়া গো,   কী স্নেহ, কী মায়া গো–

কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে,   নদীর কূলে কূলে।

মা, তোর   মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,

মরি হায়, হায় রে–

মা, তোর   বদনখানি মলিন হলে,   ও মা,   আমি নয়নজলে ভাসি ॥

Check Also

khilkhil kazia

খিলখিল কাজীর আবৃত্তি ও সঙ্গীতসন্ধ্যা আজ

মিডিয়া খবর :- ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) আজ শুক্রবার কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মজয়ন্তী …

ganmela

সংগীতশিল্পী সোসাইটির সংগীতমেলা ২০১৬

মিডিয়া খবর:- আজ ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মাঠে সম্মিলিত সংগীতশিল্পী সোসাইটির উদ্যোগে শুরু হচ্ছে ‘সংগীতমেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares