Home » টিভি নাটক » অবশেষে রুদ্র হাজির হয় মেয়েটির সামনে
akkhaya-1

অবশেষে রুদ্র হাজির হয় মেয়েটির সামনে

Share Button

ঢাকা:-

রুদ্র নামের এক লিটলম্যাগ কর্মী যার ভালো লাগে এই ঢাকা শহরের সমস্ত জায়গা পায়ে হেঁটে ঘুরতে। প্রতিনিয়ত সে নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে মানুষের বিচিত্র জীবন যাপন উপভোগ করে। ঢাকার বিভিন্ন অলিগলি পাড়ি দিতে একের পর এক তার পায়ের জুতো ক্ষয় হয়ে যায়। অবশেষে রুদ্র বিশেষ এক টায়ারের তৈরি জুতো আবিষ্কার করে। যে জুতোর কোনো ক্ষয় নেই। সেই জুতোকে ঘিরেই নানা রকম ঘটনার জন্ম হয়।

এমন নিয়ে  মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের  ‘অক্ষয় কোম্পানির জুতো’ নাটকটির সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং সম্পন্ন হয়েছে ।akkhoy-2

নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল আর এসএ মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন ঈদের অনুষ্ঠানমালায় যে দেশবরেণ্য ছয়জন নির্মাতার নাটক নিয়ে এসএ টেলিভিশনের জন্য যে অনুষ্ঠানমালা সাজিয়েছে এটি তারই অংশ। এখানে অভিনয় করেছেন এফএস নাঈম ও জাকিয়া বারী মমসহ আরো অনেকে।

কাহিনী সংক্ষেপ :

রুদ্র একজন তরুণ লিটলম্যাগ কর্মী। তার বন্ধুরা সবাই কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হলেও সে এখনো একধরনের বাউণ্ডুলে জীবনযাপন করে। ফলে বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ে মাসের পর মাস এবং বাড়িওয়ালির কটুকথায় শুরু হয় তার দিন। নির্বিকার রুদ্রর তাতে তেমন কিছু এসে যায় বলে মনে হয় না। সে শহরের রাস্তায় রাস্তায় হেঁটে বেড়ানোটা উপভোগ করে। হাঁটলে চটি ক্ষয় হয়, তাই সে টায়ারের তৈরি বিশেষ ধরনের একটা চটি পরে—যার নাম অক্ষয় কোম্পানির জুতো, এই জুতো কখনোই ক্ষয় হয় না বলেই এমন নাম। রাস্তা হাঁটার সময় শহরের প্রকাণ্ড সব বিলবোর্ডে থাকা সুন্দরীদের প্রেমে পড়া রুদ্রর মজাদার এক ফ্যান্টাসি। লিটলম্যাগ আন্দোলনের সাথে জড়িত বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা মেরে আর স্বপ্ন দেখেই দিন কাটে রুদ্রর। মাঝে মাঝে চাকরি করার বাই চাপলে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে, বেশিরভাগ বন্ধুই এড়িয়ে যায় তাকে, কারণ চাকরি নিয়ে দুদিন পরে উধাও হয়ে যায় সে! এখন পর্যন্ত তার টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার বন্ধু আদিত্য তাকে বিশ্বাস করে, সহযোগিতা করে। চারমাস বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ায় বাড়িওয়ালি তার উপর এমনই ক্ষিপ্ত যে যখন তখন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারে। 

কিন্তু শুধু পায়ে হেঁটেও তো জীবন চলে না, জীবনের নানান চাহিদা মেটাতে অর্থের ও তো প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু সে চাকরি করবে এমন ভরসা তার আর কোনো বন্ধুরই যে নেই। তবু তার বন্ধু আদিত্য তাকে বিশ্বাস করে একটা চাকরির আশ্বাস দেয়। চাকরির আশ্বাস পেয়ে পরদিন সকালে রুদ্র ফোন দেয় আদিত্যকে। ফোন রিভিস করে এক তরুণি।

ফোনে সেই তরুনী জানায় এই ফোনটি সে পাবলিক লাইব্রেরিতে পাশের চেয়ারে কুড়িয়ে পেয়েছে। এবং সেই তরুণি রুদ্র ফোনটি নিয়ে যাবার জন্য অনুরোধ করে। দ্রুত পায়ে ছুটে চলে রুদ্র। পথিমধ্যে রুদ্র তরুণিকে নিয়ে নানা রকম কল্পনা করতে থাকে। কখনো বা শেষের কবিতার লাবণ্য কখনো বা সিনডারেনা, কখনো বা জুলিয়েট। চরম উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে অবশেষে রুদ্র হাজির হয় মেয়েটির সামনে। আর তখনই বেরিয়ে আসে বন্ধু আদিত্য। ঘোর কাটে রুদ্রের। তার হয়তো চাকরিটা হতে যাচ্ছে কিন্তু অক্ষয় কোম্পানির জুতা নিয়ে একটা শর্ত যে রয়ে গেছে !

Check Also

marumos-story

এনটিভিতে বাংলায় ভাষান্তরিত জাপানি ধারাবাহিক

মিডিয়া খবর :- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন আরো দৃঢ় করতে ঢাকাস্থ জাপানি দূতাবাসের …

nil-josna

শনিবার থেকে বিটিভিতে নীল জোছনা

মিডিয়া খবর :- আজ ২৪ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেখা যাবে কথাসাহিত্যিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares