Home » অনুষ্ঠান » আলোকচিত্রে তাজউদ্দীন আহমেদ
tajuddin-ahmed

আলোকচিত্রে তাজউদ্দীন আহমেদ

Share Button

ঢাকা:-

গ্যালারি টোয়েন্টি ওয়ানে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জীবন ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে দেখা গেল  দেশের ইতিহাসের এ রকম বিশেষ মুহূর্তের অনেক ছবি। ২৩ জুলাই বঙ্গবন্ধুর এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী তাজউদ্দীন আহমদের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর। গতকাল শুক্রবার এর উদ্বোধন করলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, গ্যালারির অন্যতম উদ্যোক্তা শিল্পী শামীম, তাজউদ্দীন কন্যা সাংসদ সিমিন হোসেন রিমি প্রমুখ। উদ্বোধনের পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তাজউদ্দীন চিরকাল নিভৃতচারী ছিলেন। এ মহান নেতা নিভৃতে থেকেই নিজের কাজ করে গেছেন। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের নেতৃত্বের মেলবন্ধনের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ধারাবাহিক ইতিহাস উঠে এসেছে। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল গ্যালারি টোয়েন্টি ওয়ান আয়োজিত তঁার কর্মময় জীবনভিত্তিক আলোকচি​ত্র প্রদর্শনী দে​েখন দর্শক  l ছবি: প্রথম আলোপাকিস্তানের বন্দিশালা থেকে ১৯৭২ সালে দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধু ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলছেন তাজউদ্দীনের সঙ্গে। আড়চোখে তাঁদের দেখছেন খোন্দকার মোশতাক। ১৯৭১ সালের আগুনঝরা মার্চে ঢাকায় প্রহসনের আলোচনার সময় পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীন।

হাশেম খান বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী ভেবেছিল, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে বাঙালিদের মুক্তিসংগ্রাম দমানো যাবে। কিন্তু তাজউদ্দীনের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সে বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে হত্যাকাণ্ডের শিকার চার জাতীয় নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমদ। প্রদর্শনীতে তাঁর ছাত্রজীবন, পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে যোগদান, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়া, ’৭০-এর নির্বাচন, ’৭১-এর উত্তাল মার্চের বিভিন্ন ঘটনা ও মুক্তিযুদ্ধকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ছবি স্থান পেয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, বঙ্গবন্ধুকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তর, রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর কাছে তাজউদ্দীনের অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ, ভারতের তখনকার রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকায় আসা ইত্যাদি ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। এ ছাড়া রয়েছে তাজউদ্দীন আহমদের কিছু পারিবারিক ছবি। ৩ নভেম্বর তাজউদ্দীনকে কারাগারে হত্যা করার দুদিন পরে নিজ বাসভবনে রাখা তাঁর মৃতদেহের ছবিটিও এখানে আছে। প্রদর্শনীর মোট ১৯৩টি ছবি বিভিন্ন আলোকচিত্রশিল্পীর তোলা। প্রদর্শনীটি চলবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে ঈদের জন্য ২৬ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

tajuddin-ahmed.jpg-1

Check Also

gomvira-utsab

শুরু হচ্ছে গম্ভীরা উৎসব

মিডিয়া খবর :- চাপাইনবাবগেঞ্জর গম্ভীরাকে ধরে রাখতে গড়ে তোলা হয়েছে জাতীয় ভিত্তিক সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংস্থা ‘দিয়াড়’। …

housethat

গ্রামীণফোন হাউসদ্যাট

মিডিয়া খবর:- গ্রামীণফোন আয়োজন করেছে ক্রিকেট নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘গ্রামীণফোন হাউসদ্যাট’। পরিচালনা করছেন শাহরিয়ার শাকিল। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares