Home » মঞ্চ » শিল্পকলায় আজ লোকনাটক সোনাই মাধব

শিল্পকলায় আজ লোকনাটক সোনাই মাধব

Share Button

মিডিয়া খবর :-

আজ ৩১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ, সন্ধ্যা ৭.০০ মিনিটে জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে লোক নাট্যদলের ‘সোনাই মাধব’ নাটকের ৯৬তম মঞ্চায়ন হবে ।

লোক নাট্যদলের দর্শক নন্দিত নাটক ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে পদাবলী যাত্রা ‘সোনাই মাধব’। নাটকে ব্যবহৃত গানের সুরারোপ করেছেন দীনেন্দ্র চৌধুরী ও লিয়াকত আলী লাকী এবং পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন লিয়াকত আলী লাকী। sonai madhab

কুশীলব:

সোনাই : রোকসানা আক্তার রূপসা, মাধব : মো. জাহিদুল কবির লিটন, ভাবনা : লিয়াকত আলী লাকী , ভাবনার স্ত্রী : আজমেরি এলাহী নীতি, উম্মে মরিয়ম রুমা ও কিশোয়ার জাহান, বাঘরা : মো. রওশন হোসেন, জননী : সূচিত্রা রানী সূত্রধরমাতুল : আব্দুল্লাহেল রাফি তালুকদার, মাতুলানী : শায়লা আহমেদ, ঘটক : মো. রওশন হোসেন, শ্বশুর : এম এ মোমিন, প্রতিবেশী : মো. সোহানুর রহমান সোহান, সখী : তাল্বিদা আলী মীম, নাবিলা ইসলাম শোভা ও নাসরীন আক্তার টুকু।
গ্রন্থিক : লিয়াকত আলী লাকী, মো. জাহিদুল কবির লিটন, এম এ মোমিন, সূচিত্রা রানী সূত্রধর, আব্দুল্লাহেল রাফি তালুকদার ও সাদমান তারিফ প্রত্যয়, লাঠিয়াল : মূসা রুবেল ও মিজানুর রহমান মিজান, পুরোহিত : তাজুল ইসলাম মুন্সি

নেপথ্যে :

মঞ্চ : লিয়াকত আলী লাকী
মঞ্চ ব্যবস্থাপনা : মূসা রুবেল ও তাল্বিদা আলী মীম
আলো : সুজন মাহাবুব
মিউজিক : ইয়াসমীন আলী, সাদমান তারিফ প্রত্যয়, এম এ মোমিন, মো. জাহিদুল কবির লিটন, মো. মনিরুজ্জান, মো. নুরুজ্জামান বাদশা, এ.এফ.এম একরাম হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, মো.কবির হাসান, মো. রওশন হোসেন, শিশির কুমার রায় ও মোঃ শাহীন।

কাহিনী সংক্ষেপ:
দশ বছর বয়সে রূপসী সোনাই পিতৃহারা হয়ে মা সহ মামা ভাটুক ঠাকুরের বাড়ি দীঘলহাটিতে আশ্রয় গ্রহণ করে। দেখতে দেখতে সোনাই বার বছরে উপনীত হয়। চারদিকে তার রূপের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতি মাসেই বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। কিন্তু সবদিক পছন্দ না হওয়ায় মা ও মামা কোন প্রস্তাবেই সম্মত হচ্ছিলেন না। একদিন মাধবের সঙ্গে নদীর তীরে সোনাইর দৃষ্টি বিনিময় হয়। পরে হয় পত্র বিনিময় ও প্রণয়।

কিন্তু বিধি বাম। দুর্জন বাঘরার মারফত সোনাইয়ের রূপ-গুনের খবর পেয়ে দেওয়ান ভাবনা ভাটুক ঠাকুরের কাছে সোনাইয়ের বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সঙ্গে বায়ান্ন পুরা জমি ও অন্যান্য সম্পদ প্রদানের প্রলোভন। অত:পর মামা যজমানী ব্রাহ্মণ রাজী হয়ে যায়। দেওয়ান ভাবনার চরেরা জলের ঘাট থেকে সোনাইকে তুলে নিয়ে যায়। পথে মাধবের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও যুদ্ধ হয়। মাধব দেওয়ান ভাবনার চর ও দাড়ী-মাঝিদের পরাজিত করে সোনাইকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে।

কিন্তু দেওয়ান ভাবনা ক্ষিপ্ত হয়ে মাধবের পিতাকে ধরে নিয়ে যায়। পিতাকে মুক্ত করতে গেলে দেওয়ান ভাবনা মাধবকে বন্দি করে তার পিতাকে মুক্ত করে দেয় এবং বলে যে, সোনাইকে ফেরত দিলে সে মাধবকেও ছেড়ে দিবে।

একমাত্র পুত্র মাধবকে মুক্ত করে বংশরক্ষার প্রয়োজনে শ্বশুড়ের কথায় সোনাই দেওয়ান ভাবনার কাছে চলে যেতে রাজী হয়।

সেমতে সোনাইকে পেয়ে দেওয়ান ভাবনা মাধবকে মুক্তি দেয়। কিন্তু গভীর রাতে দেওয়ান ভাবনা সোনাইয়ের সঙ্গে মিলনের আশায় ‘বারবাংলার’ ঘরে এসে দেখে সোনাই সঙ্গে আনা বিষের বড়ি খেয়ে খাটের উপর নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে আছে। ফলে ‘দুর্জন দুষমন ভাবনার আশা না পুরিল। প্রাণ বন্ধুরে বাঁচাইতে সোনাই পরাণে মরিল’।

 

Check Also

নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে

মিডিয়া খবরঃ          – সাজেদুর রহমানঃ- হাত ঘড়ির কাটা বলছে ২৮ এপ্রিল …

নাটক পাইচো চোরের কিচ্ছা আজ শিল্পকলার মূল হলে

মিডিয়া খবর :- আজ  সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় ঢাকা পদাতিকের ‘পাইচো চোরের কিচ্ছা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares