Home » চলচ্চিত্র » পুনর্গঠিত হল চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড, তারপর?
FDC

পুনর্গঠিত হল চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড, তারপর?

Share Button
ঢাকা:-  
-:কাজী চপল:-
আমাদের দেশের চলচ্চিত্র বিকাশে সেন্সর বোর্ড তো তেমন কোনো ভূমিকাই রাখতে পারছে না। এমন অভিযোগ অনেকের। এই চলচ্চিত্র শিল্পকে উৎসাহী করার ক্ষেত্রে সব সময়ই বিভিন্ন রকম নিষেধ আরোপ করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু এ বিধি-নিষেধ মোটেই যুগোপযোগী নয়। সঙ্কীর্ণ মন-মানসিকতা এবং মান্ধাতা আমলের ধ্যান-ধারণার মধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড পড়ে রয়েছে।
বোর্ডের নীতিমালা যুগোপযোগী করার দাবি জানানো হয়েছে বহু বার, কিন্তু এ বিষয়ে কোনো ধরণের কর্ণপাত করেনি বোর্ডের কর্মকর্তা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে বেশ ভালো ভূমিকা রাখতে পারে এই সেন্সর বোর্ড। কিন্তু তা করছেন তারা? সেন্সর বোর্ডকে আধুনিকায়ন করলে এবং চলচ্চিত্রকে গ্রেডিং পদ্ধতির মধ্যে আনা হলে অনেক সুবিধা হয়।
বাইরের অনেক দেশেই এমন নীতিমালা আছে চলচ্চিত্র বিষয়ে। সেখানে ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাবা-মায়েরা সিনেমা দেখতে যান। আবার প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও আলাদা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। গ্রেডিং অনুযায়ী সিনেমা হল ভাগ করা থাকে। আমাদের দেশে এমন কোনো নীতিমালা নেই। আর সিনেমা হলগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন। কারণ, ভালো ছবি নেই এবং তার সাথে দর্শকও নেই।
একবার শোনা  গেলো, বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ড উঠিয়ে নেয়া হবে। চলচ্চিত্রের জন্য সার্টিফিকেট বোর্ড তৈরী হবে। কিন্তু আমাদের দেশে সিনেমার মান এখনোও তেমনটা উন্নত হয়নি। এ কারণে আমাদের দেশে সেন্সর বোর্ডের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। তবে সেন্সর বোর্ডের নীতিমালা অবশ্যই আধুনিক করার প্রয়োজন রয়েছে।
অর্ধশতকের বেশি সময়ের পুরনো সেন্সর নীতিমালার বোঝা মাথায় নিয়ে চলছে চলচ্চিত্র শিল্প। এ কারণে আজ বাংলা চলচ্চিত্রের এই অবস্থা। সেন্সর বোর্ডের নীতিমালা পরিবর্তন না করা পর্যন্ত দেশের চলচ্চিত্রের মান উন্নত হবে না।
রকার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। পুনর্গঠিত সেন্সর বোর্ডে রয়েছেন চেয়ারম্যান তথ্য সচিব, ভাইস চেয়ারম্যান (সেন্সর বোর্ড), তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন), ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বিএফডিসি), যুগ্ম সচিব (আইন ও বিচার বিভাগ), যুগ্ম সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (রাজনৈতিক), অভিনেতা আবদুর রাজ্জাক, পরিচালক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম খোকন, মুক্তিযোদ্ধা ও গায়ক আবদুল জব্বার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সভাপতি আবদুর রহমান, অভিনেত্রী রোকেয়া রফিক বেবী, নাসিরুদ্দিন দিলু, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ও কবি আসলাম সানি। 
পুনর্গঠিত হল চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড, তারপর? সদস্যগণ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবেন? তারা  কি নিয়মিত সময় দেবেন? শক্ত হাতে হাল ধরবেন? জমাপড়া চলচ্চিত্রটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখবেন?  তার কাহিনি, সংলাপ, গান, নাম ইত্যাদি বিষয় ঠিক আছে কিনা। নকল কিনা?  রুচিসম্মত নাম,  কাহিনি আর নির্মান হলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র হারানো গৌরব ফিরে পাবে।
আসবে কি ফিরে আমাদের সুদিন? সকল বিষয়ে কথা বলার সময় এখন, অসংখ্য তরূণ নির্মাতা এখন কাজ শুরু করেছেন, অবস্থার পরিবর্তন না হলে  আবার হতাশা ফিরে আসবে, তা কাম্য নয় মোটেও।

Check Also

nuru miah o tar beauty driver

নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার

মিডিয়া খবর :- গত ২৪ জানুয়ারি কোনও কর্তন ছাড়াই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায় …

tanha, shuva

ভাল থেকো চলচিত্রের পোস্টার প্রকাশ

মিডিয়া খবর:- প্রকাশ হল জাকির হোসেন রাজুর নির্মিতব্য চলচিত্রের পোস্টার। জাকির হোসেন রাজুর নির্মাণে আসছে নতুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares