Home » লাইফ স্টাইল » আমাদের চাঁদমালা
chadmala

আমাদের চাঁদমালা

Share Button

ঢাকা:-

বাংলার জলটইটম্বুর বিল ঝিল মাঠ প্রান্তরের অনিবার্য ফুল চাঁদমালা। এদের দেখলেই মনটা আনচান করে। ফিরে যাই শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিময় পথে। দেখি প্রজাপতি উড়ে যাচ্ছে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে। সারারাত চাঁদের আলোয় কি দারুণ এক অন্তরঙ্গ উৎসব। রাতটা একটু গভীর হলে পৃথিবীতে জেগে থাকা এসব তারার প্রলোভনে আরো কাছাকাছি নেমে আসে চাঁদ। তখন চাঁদমালাদের আলোর দ্যুতি আরো বেড়ে যায়।

এখানেই নামের সার্থকতা, অসংখ্য চাঁদের সমষ্টিই যেন। এদের প্রাণশক্তিও অফুরন্ত। শুকনো মওসুমে উর্বর মৃত্তিকার ভেতর সযত্নে থেকে যায় বীজগুলো। তারপর প্রাক-বর্ষার বৃষ্টিতেই ফিরে আসে প্রাণচাঞ্চল্য। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে দ্রুততার সঙ্গে জলের ওপর ভেসে ওঠে পাতাগুলো। কয়েক দিন পর ধীরে ধীরে ভেসে ওঠে শাপলা, শালুক, মাখনা ও পদ্মের পাতা। উদ্ভিদবিজ্ঞানে এদের পরিচয় ভিন্ন হলেও অচেনাদের কাছে সমষ্টিগতভাবে শাপলা।

চাঁদমালা আমাদের দেশীয় জলজ ফুল। কোনো ধরনের যত্নআত্তি ছাড়াই এ ফুলের বংশ বিস্তার ঘটে দেশের জলাশয়গুলোতে। ভারতবর্ষেও রয়েছে এ ফুলের বিস্তৃতি। শুকনো মৌসুমে এ ফুল নজরে পড়ে না। ওই সময় বীজগুলো মাটির নিচে নিরাপদে থাকে। জীবনী শক্তি প্রচুর। বর্ষার শুরুতেই প্রাণ ফিরে পায় বীজগুলো। জলের ছোঁয়া পেয়ে গাছ লকলকিয়ে বেড়ে ওঠে। লতানো গাছ। গাঁট থেকে শিকড় গজায়। ফুলের রঙ সাদা। কেন্দ্রটা গাঢ় হলুদ। আকারে ছোট। ফুলের পাপড়ির সংখ্যা পাঁচটি। ফুলের কিনারটা ঝালরের মতো। পাতা গোলাকৃতির। ৫-৮ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধ। বোঁটা ৪ সেন্টিমিটার। ফুল ছোট ও সাদা। পাপড়ি সংখ্যা ৫, কিনারা ঝালরের মতো, কেন্দ্র গাঢ়-হলুদ বর্ণের। ফল গোলাকার। পাতার ওপরের দিক মসৃণ হলেও নিচের দিক ঘন শিরাযুক্ত। দেখতে শাপলা পাতার মতো। জানা যায়, খানিকটা ঔষধি গুণ রয়েছে চাঁদমালা ফুলগাছের। 

Check Also

nehari

কেমন করে বানাবেন নেহারি

মিডিয়া খবর :- খাসি বা গরুর পায়ার খুবই মজাদার একটি রেসিপি হল নেহারি। সকালের নাস্তায় …

sa world

ফ্যাশন হাউজ এসএ ওয়ার্ল্ডের নতুন শাখা উদ্বোধন

মিডিয়া খবর:- ২৪ জুন শুক্রবার ঢাকার মিরপুরে ‘এসএ ওয়ার্ল্ড’এর দ্বিতীয় এক্সক্লুসিভ শাখার উদ্বোধন হল। বিশ্বখ্যাত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares