Home » প্রিন্ট মিডিয়া » আদালত অবমাননা, অবশেষে সাংবাদিক ও প্রকাশকগণের অব্যাহতি
Untitled-1

আদালত অবমাননা, অবশেষে সাংবাদিক ও প্রকাশকগণের অব্যাহতি

Share Button

মি:খ:ডেস্ক:-
সাবেক হাইকোর্টের বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়েজীর এলএলবি সনদ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের দায়ে দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিবেদককে অভিযুক্ত করে রায় দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ওই সময়ের প্রকাশক মাহফুজ আনাম (ডেইলি স্টার সম্পাদক), প্রতিবেদক একরামুল হক বুলবুল ও মাসুদ মিলাদকে আদালত অবমাননা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

একই ঘটনায় ভোরের কাগজের প্রকাশককে অব্যাহতি দেয়া হলেও আপিল নাকচ হয়েছে পত্রিকাটির তখনকার সম্পাদক ও প্রতিবেদকের। তবে ভোরের কাগজের ওই প্রতিবেদককে হাইকোর্ট যে সাজা দিয়েছিল, আপিল বিভাগ তা কমিয়ে দিয়েছে।

এলএলবি সনদে জালিয়াতি ও ১৮০টি মামলার রায় না দেয়ার বিষয়ে তদন্ত শুরুর পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেছিলেন ফয়সল মাহমুদ ফয়েজী।

ভোরের কাগজের প্রকাশক সাবের হোসেন চৌধুরীকেও হাই কোর্ট একহাজার টাকা করে জরিমানা করেছিল। আপিল বিভাগ তার আপিল মঞ্জুর করে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। তবে প্রতিবেদক সমরেশ বৈদ্য ও পত্রিকাটির ওই সময়ের সম্পাদক আবেদ খানের আপিল মঞ্জুর করেনি আপিল বিভাগ।

এর মধ্যে সমরেশ বৈদ্যকে হাই কোর্টের দেয়া দুইমাসের কারাদণ্ড ও একহাজার টাকা জরিমানার দণ্ড কমিয়ে এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে। আদালতে প্রথম আলোর সাংবাদিকদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন এ এম আমিন উদ্দিন। আর আবেদ খান ও সমরেস বৈদ্যর পক্ষে শুনানি করেন রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এলএলবি প্রিলিমিনারি ও ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নেন ফয়সল মাহমুদ ফয়েজী। পরে তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি নিয়োজিত হলে তার এলএলবি সনদ নিয়ে ২০০৪ সালের ৩০ অক্টোবর প্রথম আলো ও দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে তার এলএলবি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার টেব্যুলেশন শিটে ‘ব্যাপক অনিয়ম’ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।

পরে পত্রিকা দুইটির প্রতিবেদন বিষয়ে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে মামলা করেন ফয়েজীর বাবা সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফয়েজ। এরপর ২০০৫ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় রায়ে প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, প্রকাশক মাহফুজ আনাম, প্রতিবেদক একরামুল হক বুলবুল ও মাসুদ মিলাদকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ভোরের কাগজের প্রতিবেদক সমরেশ বৈদ্যকে দুই মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা এবং পত্রিকাটির ওই সময়ের সম্পাদক আবেদ খান ও প্রকাশক সাবের হোসেন চৌধুরীকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে আপিল করা হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আপিল শুনানি শুরু হয়।

 

তথ্যসুত্র- দৈনিক প্রথম আলো

Check Also

daily-news-paper

বিনোদন খবর আছে আজ বিনোদন পত্রিকায়

ঢাকা:- -: কাজী শিলা :- আমাদের দেশের বিনোদন পত্রিকায় বা পত্রিকার বিনোদন পেজে কোন দেশের …

muktsbakh

আদালত অবমাননা: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও ৭ জনকে অব্যাহতি

  ঢাকা:- বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-১ কিছু পর্যবেক্ষণসহ মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। চ্যানেল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares