Home » নিউজ » সুন্দরবন, সিলেট ও কক্সবাজারে পর্যটন পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত
sundarbon

সুন্দরবন, সিলেট ও কক্সবাজারে পর্যটন পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত

Share Button

মিডিয়া খবর:-

বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে ৫০ কিলোমিটার পূর্বে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলা ও পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার মাঝামাঝি বলেশ্বর নদীতে অবস্থিত ‘মাঝের চর’। সুন্দরবনের তটরেখা থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে এ চর। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দুটোই উপভোগ করা যায় এখান থেকে। এ স্থানকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য বাণিজ্যিকভাবে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
মাঝের চরের মোট জমির পরিমাণ এক হাজার ৫৪৬ একর। প্রাকৃতিক পরিবেশের কোনো রকম ব্যাঘাত না ঘটিয়ে এখানে পরিকল্পিতভাবে একটি পর্যটন পার্ক স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজা। শরণখোলার ‘মাঝের চর’ ছাড়াও সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কক্সবাজারের মহেশখালীতে পর্যটন পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত সপ্তাহের বিনিয়োগ বোর্ডের এক সভায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য নতুন করে আরও ১৩টি স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সভায় বিভিন্ন স্থানে চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড), দুটি বেসরকারি ও সাতটি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, গোয়াইনঘাটে প্রস্তাবিত পর্যটন পার্কটি তামাবিল স্থলবন্দর ও জাফলং থেকে মেঘালয়ের পাহাড় ঘেঁষে অবস্থিত।
অন্যদিকে মহেশখালীতে ১২ হাজার ৯৬২ একর জমিতে তৃতীয় পর্যটন স্পট গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া এসইজেড ক্যাটাগরির আওতায় সিলেটের জৈন্তাপুরে পাথর ভাঙার জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অ্যালায়েন্স গ্রুপ এবং ঢাকার সাভার ও কেরানীগঞ্জে মায়িশা গ্রুপ দুটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করবে।
আগামী ১৫ বছরে একশ’ পরিকল্পনা করছে বেজা। এগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে ৫৯টি। দেশে কৃষি জমির পরিমাণ কম। সে ক্ষেত্রে এতগুলো অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ কৃষিসহ দেশের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী জানান, শিল্প উৎপাদন সময়ের চাহিদা অনুসারে এমনিতেই বাড়বে। সে ক্ষেত্রে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন হবে। এতে কৃষি জমির ক্ষতি বেশি হবে। কৃষি জমির চূড়ান্ত ক্ষতি ঠেকাতে পরিকল্পিত শিল্পায়নের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, জাপান তা করে দেখিয়েছে। এ ছাড়া দেশে প্রতিবছর দুই লাখ বেকার যুবক চাকরির বাজারে নামছেন। তাদের জন্য শ্রমঘন উন্নয়ন কর্মসূচি নিতে গেলে এ ধরনের উদ্যোগের বিকল্প নেই।
এছাড়া আরও সাত স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এগুলো হলো গোপালগঞ্জ সদরের গোবরায় ২০০ একর জমিতে গোপালগঞ্জ ইজেড-২, চট্টগ্রামের পটিয়ায় পরিত্যক্ত চা বাগানের ৭৭৪ একর জমিতে পটিয়া ইজেড এবং বগুড়ার শাহজাহানপুরে ২৫১ একর জমিতে বগুড়া ইজেড-১। পাশাপাশি খুলনার বটিয়াঘাটায় ৫৯৩ একর জমিতে খুলনা ইজেড-১ ও তেরখাদায় ৭০০ একর জমির খুলনা ইজেড-২, কুড়িগ্রাম সদরে ২১৯ একর জমির ওপর কুড়িগ্রাম ইজেড-১ ও নেত্রকোনা সদরে ২৬৭ একর জমির ওপর নেত্রকোনা ইজেড-১ নির্বাচিত হয়েছে।

Check Also

bangobondhu

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো

মিডিয়া খবর :- স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো – নির্মলেন্দু গুণ একটি কবিতা লেখা …

joybangla-consert

৭ মার্চ জয়বাংলা কনসার্টে ৭ ব্যান্ডদল গাইবে

মিডিয়া খবর :- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনে এবারও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares