Home » মঞ্চ » শিল্পকলা একাডেমীতে মৃত্তিকালগ্ন নাট্যোৎসব
Mrittika-Nattotsav

শিল্পকলা একাডেমীতে মৃত্তিকালগ্ন নাট্যোৎসব

Share Button

মিডিয়া খবর :-

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হল বাংলাদেশ ও ভারতের পূর্বাঞ্চলের ১৫টি নাট্যদলের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক মৃত্তিকালগ্ন নাট্যোৎসব। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার মূল হল, পরীক্ষণ থিয়েটার হল ও নন্দনমঞ্চে ১৯ নভেম্বর শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত।

সম্প্রীতি নাট্যোৎসব পর্ষদ আয়োজিত এ উৎসবে বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১৬টি নাট্যদল অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশের চাকমা, মণিপুরী, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, গারো, মারমা, ওঁরাও এবং ভারতের অসমিয়া, খাসী, বড়ো, মণিপুরী, ত্রিপুরা, মিজো, ঝাড়খণ্ড ও ছৌ মৃত্তিকালগ্ন গোষ্ঠী এতে নাটক পরিবেশন করবে।

প্রথম আন্তর্জাতিক মৃত্তিকালগ্ন নাট্যোৎসবের দ্বিতীয় দিনে শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটারে নাটকের প্রদর্শনীতে মিলনায়তন ছিল পরিপূর্ণ। নাটকটির পর জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে আসামের পূর্বরঙ্গ সাংস্কৃতিক দল পরিবেশন করে আরেকটি নাটক। দর্শকদের কাছে এ দুই নাটকের সংলাপ দুর্বোধ্য মনে হলেও নাটকের নিজস্ব যে একটি ভাষা আছে, তাকে অবলম্বন করে এগিয়েছেন নির্দেশক।
শুক্রবার উৎসবের দ্বিতীয় দিন শুরু হয় সেমিনারের আলোচনা দিয়ে। সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সেমিনার কক্ষে ‘সেথায় এক পড়শি বসত করে’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া বিকেলে নন্দন মঞ্চে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সবার জন্য উন্মুক্ত এ পরিবেশনায় অংশ নেন আসামের স্ততি গ্রুপ, বাংলাদেশের য়ামুক, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শিল্পীরা।

জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এতে অংশ নেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান ও নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু এবং ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক জয়শ্রী কুণ্ডু ও ভারতের নাট্যজন প্রদীপ গুহ। অনুষ্ঠানের শুরুতে উৎসবের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সম্প্রীতি নাট্যপর্ষদের সদস্য সচিব কামাল বায়েজিদ। সভাপতিত্ব করেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও পর্যদের আহ্বায়ক লিয়াকত আলী লাকী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ষাট দশক থেকে অনেক নাট্যোৎসব শুরু হলেও স্বাধীনতার পরে সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব বেড়ে যায়। সেখান থেকে পরে সৃজনশীল সাংস্কৃতিক চর্চার নানা দিক উন্মুক্ত হয়। আমরা আশা করব মৃত্তিকালগ্ন এ নাট্যোৎসবের মধ্য দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি আরও এগিয়ে যাবে।

Check Also

paicho

হাসির নাটক পাইচো চোরের কিচ্ছার ৫০তম প্রদর্শনী

মিডিয়া খবর :- আগামী ১৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল …

Abdul-Hadi

আব্দুল হাদির দেশের গান ‘সেই দেশেতে জন্ম আমার’

মিডিয়া খবর :- দেশের গান গাইলেন বাংলাদেশের সংগীতের কিংবদন্তী অসংখ্য জনপ্রিয় গানের শিল্পী আব্দুল হাদি। গানের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares