Home » লাইফ স্টাইল » ঢাকার খাবারের ইতিবৃত্ত

ঢাকার খাবারের ইতিবৃত্ত

Share Button

মিডিয়া খবর:-

নগরায়ণের মতো খাবারেও রয়েছে ঢাকার ৪০০ বছরের ঐতিহ্য। এই ৪০০ বছরে ঢাকাবাসীর খাদ্যাভ্যাসেও এসেছে নাdhakar khabarনা পরিবর্তন। পুরান ঢাকার খাদ্য-পানীয়ে একটা দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে লেগে থাকা আপাত বিলুপ্ত খানদানি আভিজাত্যের সংযোগ একে একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। স্বাদে-গন্ধে-পরিবেশনে এই খাবার ঠিক বাঙালির চিরায়ত খাদ্যের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তাতে মিশে আছে তুর্কি-মোগল খাদ্যের রীতি। দীর্ঘকালের পরিক্রমায় এসব খাদ্য-পানীয় এবং পরিবেশনার রীতিতেও পরিবর্তন এসেছে।

রাজধানী ঢাকার খাবারের বিশেষত্ব মোঘলাই খাবার, ঢাকাই কাবাব আর বাকরখানি। মুগলরাই এদেশে কাবাবের প্রচলন করে। এটি প্রস্ত্ততের জন্য মাংসের টুকরাগুলিকে মশলা মেখে লোহার শিকে গাঁথা হয় এবং কয়লার আগুনে রেখে ভালভাবে ঝলসানো হয়। এ কাবাব তুরস্কের ‘ডনার’ কাবাব এবং মধ্যপ্রাচ্যের ‘শোয়ার্মার’ মতো। বাখরখানি ‘তন্দুর’ অথবা কাঠ-কয়লার আগুনে সেঁকা হয়। কাবাবের সঙ্গে এটি খেতে খুব ভাল।

প্রাচীন ইতিহাস:
অষ্টম-নবম শতকে রচিত চর্যাপদে হরিণের মাংস, দুধ ইত্যাদির উল্লেখ পাওয়া যায়। বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ‘প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষার অভিধান’-এ চিংড়ি, ইলিশ, পাঙ্গাশ, ভেদা, শিং ইত্যাদি মাছের নাম মেলে। ষোল শতকের কবি মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গল’-এ প্রচুর শাকসবজির বর্ণনা আছে যেমন_বেগুন, কুমড়া, কাঁচকলা, বথুয়া শাক, নটে শাক ইত্যাদি। মসলার কথাও বলেছেন_হিং, জিরা, মেথি, মরিচ, আদা ইত্যাদি। ডালের ব্যবহার বোধ হয় শুরু হয়েছে সুলতানী আমলে (পনের শতক)। মুগ, মসুরি, ছোলা, অড়হর ইত্যাদির উল্লেখ মুকুন্দরামে আছে। প্রায় কাছাকাছি সময়ের কবি ভারতচন্দ্রের কাব্যে গন্ধমালতী, দুধকমল, কুসুমশালী, দুধসার ইত্যাদি ধানের কথা আছে। ষোল শতকের ‘চৈতন্য চরিতামৃত’-এ গোধূম-চূর্ণ অর্থে আটার উল্লেখ আছে। আটা থেকে তৈরি রুটির খবর পাওয়া যায় বাংলায় তুর্কিদের আগমনের পর পরই। লুচি, পুরির খবরও আসে এই সময়ে। সতের শতকে আলাওলের কাব্যে শিরমাল রুটির কথা আছে। এখন ঢাকাই খাবার বলতে আমরা যেগুলো বুঝে থাকি যেমন_পোলাও, কোরমা, কালিয়া, কাবাব ইত্যাদির চল শুরু হয় সুলতানী আমলেই। পলান্ন অর্থে বিরিয়ানির খবরও পাওয়া যায় এ সময়ে।

ক্ষীরের সন্ধান পাওয়া যায় দ্বাদশ শতাব্দীতে জয়দেব রচিত গীত-গোবিন্দ কাব্যে। কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত কাব্যে ক্ষীরসার কথা পাই। সতের শতকের কবি রায়শেখরের লেখায় মিষ্টান্নের তালিকা আছে যেমন_মনোহরা বা প্রাণহরা, রেউড়ি, লাড্ডু, খাজা, পেড়া, সরভাজা ইত্যাদি। পানীয় হিসেবে তরল দুধের ব্যবহার সুপ্রাচীনকালের। মাঠার চলও তদ্রূপই। মিষ্টিদ্রব্য মিশ্রিত পানীয়কে পানা বলা হতো। শরবত এসেছে মুসলিম সংস্কৃতির প্রভাবে। মোগল আমলে গুজরাটিরা ঢাকায় ছোলার ছাতু দিয়ে নুরজাহানি কাবাব তৈরি করত। এ আমলের শেষদিকে আর্মেনীয়রা এক ধরনের কাবাবের প্রচলন করে, ঢাকায় যার নাম তাশ কাবাব।
মোগলরা আম, জাম ও কাঁঠালের এই দেশে খুরমা, খেজুর, কিশমিশ নিয়ে আসে। পর্তুগিজরা এই দেশে আসে ১৫৭৭ সালে। তারা আতা, আনারস, পেঁপে ও সফেদার সঙ্গে আরো সব খাবার নিয়ে আসে। পাউরুটি তাঁদেরই আমদানি। ইংরেজ যুগে প্রচলিত খাবারের কথা উল্লেখ আছে হ্যালহেডের মুনশির অভিধানে আচার, খিরা, খুরমা, চিনি, পেয়ারা, পান, ফালুদা, বাঙ্গি, মাখন ইত্যাদি।

বিশ শতকের চকবাজারে বেলের শরবত, তোকমাইয়ের শরবত, ফালুদার শরবতের দোকান ছিল। বিহিদানা নামে নাশপাতি জাতীয় ফলের বিচির শরবতের কথা বলেছেন হাকিম হাবিবুর রহমান তাঁর স্মৃতিকথায়। বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় চা পান জনপ্রিয়তা লাভ করে। ঢাকায় তখন বেশ কিছু চায়ের দোকান ছিল। মালাই-ভাসা চায়ের খুব কদর ছিল। ঢাকার নবাববাড়িতে চায়ের চল হয়েছিল এরও বেশ আগে। আসামে তাদের নিজস্ব চায়ের বাগান ছিল। রেস্টুরেন্টের প্রচলন হয়েছিল সে আমলেই। বাঙালি বাবুদের কাঁটাচামচ দিয়ে কাটলেট খাওয়ার খবরও মিলেছে। বিশ শতকের ঢাকার ত্রিশের দশকের খাবার ছিল মাছের কাবাব, মোরগের রেজালা, শরবতি পোলাও, নারগিসি পোলাও ও কাবাবি বাকরখানি। বাকরখানি (শুকনা রুটি) সম্ভবত পাঞ্জাব থেকে এ দেশে চালান হয়ে এসেছে। মিষ্টি, নোনতা, দুধওয়ালা, মাখনওয়ালা- নানা রকম বাকরখানি পাওয়া যেত ঢাকায়। এখনো কিছু কিছু পাওয়া যায়। বিশ শতকের ঢাকার অধিকাংশ বাড়িতেই পনিরের প্রচলন ছিল। কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম পনিরের জন্য খ্যাত ছিল। বাজার ঢাকায় ছিল বলে লোকে একে ঢাকাই পনির বলত।

ফুচকা, চটপটি, দহিবড়া, আলু কাবলি, পেশোয়ারি কাবাবের চল হয় বস্তুত পাকিস্তান আমলে। ফাস্ট ফুডের সূচনাকালও এ সময়কেই ধরা যায়। গুলিস্তানে প্রথম চাইনিজ রেস্টুরেন্ট হয় পাকিস্তান আমলেই। এ সময়ের বিয়ে-শাদিতে ছয়-সাত রকমের পোলাও, বিরিয়ানি, কালিয়া, কোরমা, শিক-শামি-টিকিয়া কাবাবের চল ছিল।

দ্রাবিড় দিয়ে শুরু হয়ে তুর্কি, পারসীয়, আফগান, পর্তুগিজ, ইংরেজ মিশেল আছে আমাদের গড়নে। তাঁদের আগমনের সঙ্গে ওই দেশীয় খাবারও এসেছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভিনদেশিরা দখলসূত্রে ঢাকায় না এলেও খাবার ঠিকই পাঠিয়েছে। এখন নতুন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ খাবার- পিৎজা (ইতালীয়), বার্গার (ইঙ্গ-মার্কিন), দোসা (দক্ষিণ ভারতীয়) ইত্যাদি।

গরিবরা চর্যাপদের আমলেও খুদের জাউ খেত, এখনো পুরান ঢাকার গরিবরা পুরি খায়। তবে যাদের বদৌলতেই হোক বার্গার, হটডগের ধাক্কা সামলেও বিরিয়ানি, মোরগ পোলাও, ফিরনি, জর্দা, ফালুদা, শামি কাবাব, কাটলেট (বাংলাবাজারের ক্যাফে কর্নারের কাটলেট বিখ্যাত) ঢাকায় টিকে আছে।

ঢাকার বাবুর্চি:
ঢাকার বাবুর্চিদের সৃজনশীলতা আর বাংলার ফলে-ফসলে মুঘল বা তুর্কি-আফগান খাবারগুলোকে এখন বিদেশি বলে ভাবাই দুষ্কর। কোনো বিশেষ উপলক্ষ বা আনন্দ-উৎসবের প্রয়োজনে, এমনকি মনে একটু ভালো খাবারের বাসনা উদয় হলেও রসনা তৃপ্তির জন্য এখন সবাই পোলাও, বিরিয়ানির কথাই ভাবেন। বিয়েশাদি তো পোলাও ইত্যাদি ছাড়া অকল্পনীয়। এই খাবারগুলো এ দেশে তুর্কি-মোগল-আফগানরা আমদানি করেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আসা বাবুর্চিদের রন্ধনকলা রপ্ত করে নিয়েছেন এ দেশি সহযোগীরা।

বাবুর্চি শব্দটি তুর্কি। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিধানে তার মানে ‘মুসলমান পাচক’। । তবে পাচক বললে সে সময় ‘ব্রাহ্মণ রন্ধনকারী’দের বোঝাত। চলতি জবানে তাঁদের বলা হতো ‘বামুন ঠাকুর’। তাঁরা সাধারণত সম্পন্ন পরিবারে রান্না করতেন। হোটেলে যাঁরা রান্না করতেন তাঁদের বলা হতো ‘পাকর্শী’। হাল জামানায় তারা হলেন ‘শেফ’, ‘চিফ শেফ’ ইত্যাদি।

ঢাকায় মোগল সুবেদারি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকায় মুসলিম ঘরানার খাবার প্রচলন হয়। প্রাচীন ঢাকায় খাওয়াদাওয়াতে ছোঁয়াছুঁয়ির ব্যাপারটায় খুব ছিল কড়াকড়ি। হিন্দুবাড়িতে মুরগি-খাশির প্রবেশ নিষিদ্ধ। সে কারণে বিরিয়ানিসহ নানা রকম মুসলিম খাবার হিন্দুদের মাঝে প্রচলিত ছিল না।

এখান যা ঢাকার বৈশিষ্টপূর্ণ খাবার তার বেশিরভাগই সে সময়ে মুসলমানদের খাবার। নবাব-জমিদারদের রান্নাঘরে তা সমাদরে প্রতিপালিত ও বাবুর্চিদের নানা সৃজনশীল পরীক্ষা-নিরীক্ষায় পরিবর্ধিত-পরিবর্তিত হয়ে আজকের রূপ পেয়েছে। এমনকি পরিবেশনের রীতিতেও আসে পরিবর্তন। হাকীম হাবিবুর রহমান ‘ঢাকা: পাচাশ বারস্ পহেলে’তে বলেছেন, ‘ঢাকায় দুই ধরনের বাবুর্চি ছিল। এক ডেগ নামানেওয়ালা, দ্বিতীয় হান্ডি পাকানেওয়ালা।’ ডেগ বাবুর্চিরা বড় বড় দাওয়াত-মজলিশে রান্না করতেন আর হান্ডি বাবুর্চিরা রান্না করতেন মূলত হোটেল বা নবাব-জমিদারদের রসুইঘরে। ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের বাবুর্চিদের মধ্যে বিখ্যাত কয়েক বাবুর্চির নাম আছে এশিয়াটিক সোসাইটির ‘ঢাকাই খাবার’ বইতে। এদের মধ্যে খ্যাতিমান ছিলেন পিয়রু বাবুর্চি, কালু বাবুর্চি, সামির উদ্দিন বাবুর্চি। ড. আবদুল করিম ‘মোগল রাজধানী ঢাকা’ বইতে উল্লেখ করেছেন, ব্রিটিশ আমলে ঢাকা কুঠিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম বাবুর্চি নিয়োগ করেছিল ১৭২৩ সালে। তবে তাঁদের নামের তালিকা পায়া যায় না। এ ছাড়া আঠারো-উনিশ শতকে ঢাকায় ইউরোপীয় সাহেবদের অনেকের বাড়িতে বা প্রতিষ্ঠানে হান্ডি বাবুর্চিরা কাজ করতেন। খাবারের সুস্বাদ মনিবের সঙ্গে তাঁদের অনেকেরই সুসম্পর্ক সৃষ্টি করেছিল। এমনকি ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার সময় অনেকে তাঁদের বাবুর্চিকেও সঙ্গে নিয়ে গেছেন বা দেশে গিয়ে চিঠিপত্র দিয়ে প্রিয় বাবুর্চির ব্যক্তিগত খোঁজখবরও নিয়েছেন। ওই সময় খ্যাতিমান ছিলেন দীন মোহাম্মদ, শেখ আলী মোহাম্মদ। তাঁরা কাজ করতেন রেলি ব্রাদার্সে। বাড়িতে কাজ করতেন বংশীবাজারের জুম্মন মিয়া। ঢাকা ছেড়ে যাওয়া সাহেবরা লন্ডন থেকে তাঁর সঙ্গে পত্রে যোগাযোগ রাখতেন। ইউরোপীয় সাহেবদের কিচেনে ঢাকার কুকেরা কারি পাকাতে গিয়ে তুর্কি-মোগলাই খানার সঙ্গে ইউরোপীয় কোর্সও শিখে ফেলেন। ফলে এশিয়া-ইউরোপের মধুর মিলন ঘটে যায় বাংলার রন্ধনশিল্পীদের হাতে। কেক-পেস্ট্রির রেওয়াজ চালু হয়ে যায় ঢাকায় । শেখ আলী আমজাদ এতে প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন। সেকালে ব্রিটিশ সাহেবদের বড়দিনের কেক তৈরির জন্য তাকেই খোঁজা হতো।

নবাববাড়ির বাবুর্চিদের মধ্যে খ্যাতিমান ছিলেন হাসান জান। তিনি স্যার সলিমুল্লাহর প্রধান বাবুর্চি ছিলেন। এ ছাড়া ছিলেন গুলকান বাবুর্চি, হাফিজ উদ্দিন বাবুর্চি। আগে আমন্ত্রিত ব্রিটিশ সাহেবদের জন্য ইংরেজ বাবুর্চি ভাড়া করে আনা হতো নবাববাড়িতে। তবে পরে নবাবদের বাবুর্চিরাই বিলেতি রেসিপিতে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। এ ছাড়া প্রাত্যহিক রান্নার জন্য ‘পাকানেওয়লী’ বলে মহিলা বাবুর্চিরা বংশপরম্পরায় নবাববাড়িতে কাজ করতেন। তাঁদের নাম-পরিচয় অবশ্য তেমন পাওয়া যায় না। ব্রিটিশ আমলের শেষ দিকে ঢাকার অন্য খ্যাতিমান বাবুর্চিদের মধ্যে ছিলেন বংশীবাজারের ইদু খলিফা ও জানু খলিফা; এঁরা ইউরোপীয় রান্নায় দক্ষ ছিলেন। ঈদ বা বড় মজলিশে রান্না করতেন রহমান বাবুর্চি, শুক্কুর বাবুর্চি, চামু বাবুর্চি, সিকিম বাবুর্চি প্রমুখ। সুখ্যাত বাবুর্চিদের নিয়ে তখন ঢাকার ধনাঢ্য ও অভিজাত পরিবারের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতাও চলত। প্রায়ই একে অন্যের বাবুর্চিকে সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যেতেন। এটা তাঁদের মধ্যে একটা আত্মশ্লাঘার বিষয় বলে গণ্য হতো এবং আড্ডা-দরবারে সে কথা তাঁরা গর্বের সঙ্গেই উল্লেখ করতেন।

মিষ্টি না হলে রসনাতৃপ্তি হয় না। ঢাকার প্রাচীন হালুইকররা সবাই ছিলেন হিন্দু। তাঁদের মধ্যে খ্যাতিমান ছিলেন কালাচাঁদ, গন্ধবণিক, সীতারামরা। পরের যুগে মরণ চাঁদ, মোহন চাঁদেরা। মিষ্টিতে মুসলিমদের পথিকৃৎ কাশ্মীর থেকে আগত আলাউদ্দিন হালুইকর। এ ছাড়া পানীয়ের মধ্যে বিখ্যাত ঢাকার বিউটির শরবত-লাচ্ছি।
পুরান ঢাকার বিখ্যাত আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানের নাম ও কোথায় অবস্থিত।

মামুন বিরিয়ানি হাউস
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : তেহারি। আস্ত মোরগ দিয়ে বল (প্রতি মাসের ৪ তারিখ)। বিরিয়ানি দাম ৩শ’ টাকা।
খোলা : সকাল ৮ থেকে রাত ৩টা।

আফতাব হোটেল
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বাসমতি চালের ভুনা খিচুড়ি, দাম ১শ’ টাকা। ইলিশ খিচুড়ি ১৫০ টাকা। রুই খিচুড়ি ১৫০।
খোলা : দুপুর ১২ থেকে রাত ৪টা।

ক্যান্ডেল লাইট রেস্টুরেন্ট
৮৩ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : মাছ ৩৬০ টাকা। মিক্সড ভেজিটেবল ২৮০ টাকা। ফ্রাইড রাইস ২৪০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা।

নিরব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট
১১৩/২ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : ব্রেইন ফ্রাই ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা-ভাজি।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা। রমজান মাস বন্ধ।

রয়্যাল হোটেল কাচ্চি
লালবাগ চৌরাস্তার মোড়।
বিশেষ খাবার : জাফ্রান বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা, লাবাঙ।
খোলা : সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা।

শমসের আলীর ভুনা খিচুড়ি
বংশাল চৌরাস্তা মোড়।
বিশেষ খাবার : ভুনা খিচুড়ি।
খোলা : সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা।

মিয়াজি বিরিয়ানি
৩০/এ কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিরা বাজার ঢাকা ১০০০।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।

বিসমিল্লাহ বটি কাবাব ঘর
৭/বি কাজী আলাউদ্দিন রোড ঢাকা ১০০০।
খোলা : দুপুর ১২ টা থেকে রাত ১২টা।

হাজীর বিরিয়ানি
৭০ কাজি আলাউদ্দিন রোড, নাজিরা বাজার, ঢাকা ১০০০।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি বক্স ১৫০।
খোলা : ১২টা থেকে রাত ১০টা।

হোটেল আল রাজ্জাক
৩০ শহীদ নজরুল ইসলাম স্মরণী, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : খাসির গ্লাসি ও কাচ্চি।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০ টা।

লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
৩৪/এ লালবাগ রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাবাব বন।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা।

কালাম’স কিচেন
৩৪/এ জনসন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : ফ্রাইড রাইস, দাম ২২০ টাকা।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।

কাশ্মির কাচ্চি
৩৪/এ পাটুয়াটুলী, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাচ্চি দাম ১২০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা।

বুদ্ধুর পুরি
ডালপট্টি মোড় সুত্রাপুর, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : পুরি দাম ২ ও ৪ টাকা।
খোলা : সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা।

বিউটির লাচ্ছি
৩০/এ জনসন রোড, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : লাচ্ছি ও লেবুর শরবত।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।

কলকাতা কাচ্চি ঘর
১৪ আবুল হাসনাত রোড, সাতরওজা ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বাসমতি চালের কাচ্চি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।

মাখন বিরিয়ানি
রায় সাহেব বাজার মোড়।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা।

আল্লারদান বিরিয়ানি
২২ ডিস্টিলারি রোড গেন্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪।
বিশেষ খাবার : বিরিয়ানি।
খোলা থাকে : দুপুর ১২টা থেকে রাত ৩টা।

রহমানের কাবাব
২৮ ডিস্টিলারি রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাবাব।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।

কাশ্মির কাচ্চি
৩৪/এ পাটুয়াটুলি, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : কাচ্চি, দাম ১২০ টাকা।
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।

ঝুনুর পোলাও
১১ নারিন্দা রোড ঢাকা।
বিশেষ খাবার : পোলাও
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।

সুলতানের চা
ভিক্টোরিয়া পার্ক, সদরঘাট, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : বিট লবণের লাল চা ও গুড়ের চা।

নুরানি শরবত
চকবাজার জামে মসজিদের নিচে
খোলা : দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা।

সোনা মিয়ার দই
৩৩/এ রজনি চৌধুরী রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
বিশেষ খাবার : টক ও মিষ্টি দই।
খোলা : সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা।

বিউটি বোর্ডিং
১ শ্রীশ দাস লেন, বাংলাবাজার ঢাকা।
বিশেষ খাবার : সরষে ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মাছ।
খোলা : সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা।

Check Also

sa world

লাইফ স্টাইল শপ এসএ ওয়ার্ল্ডের নতুন শাখা মিরপুরে

মিডিয়া খবর :- বিশ্বখ্যাত ব্রান্ডেড পণ্যসমুহের বিশাল সমাহার নিয়ে ফ্যাশন হাউজ ‘এসএ ওয়ার্ল্ড’এর দ্বিতীয় এক্সক্লুসিভ …

eid shocase

ইউসি আয়োজিত ঈদ শো-কেস ২০১৬

মিডিয়া খবর :- ব্র্যান্ডেড পোশাক ও ফ্যাশন ও লাইফ স্টাইল প্রোডাক্টের উপর ১৭ ও ১৮ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares