Home » নিউজ » সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে কপিরাইট অফিস রাখার দাবি

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে কপিরাইট অফিস রাখার দাবি

Share Button

মিডিয়া খবর:-

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতিধর্মী সৃজনশীল কর্ম কপিরাইট বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিশ্বের ১২০টির বেশি দেশে, কপিরাইট অফিস সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। ডিপিডিটি অফিস কপিরাইট অফিসকে নিয়ন্ত্রণ করে এরকম দৃষ্টান্ত একেবারেই বিরল। কপিরাইট অফিস সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকর্মী, সংস্কৃতিমনা এবং সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ সরকারের কাছে এটাই দাবি।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কপিরাইট অফিস সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা প্রদান করে আসছে। সম্প্রতি কিছু সংখ্যক ব্যক্তি কপিরাইট অফিসকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিপিডিটি (ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেডমার্ক)-এর সঙ্গে একীভূত করার জন্য সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে। সরকারকে এ প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে কপিরাইট অফিসকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনেই রাখার দাবি জানিয়ে গতকাল দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। 

‘কপিরাইট অফিস সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাখার দাবি’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ কপিরাইট অ্যান্ড আইপি ফোরাম, এলসিএসগিল্ড, বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন (বামবা), মিউজিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইবি),  বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

এতে বক্তব্য রাখেন ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি শিল্পী হামিন আহমেদ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম খসরু, মিউজিক্যাল ওনার্স অ্যাসোসিশেশনের অব বাংলাদেশের সভাপতি আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব মুশফিকুর রহমান গুলজার, বাংলাদেশ কপিরাইট অ্যান্ড আইপি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ব্যারিস্টার এ বি এম হামিদুল মিজবাহ, শিল্পী এন্ড্রু কিশোর, সুজিত মোস্তফা প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,  কপিরাইট অফিস এবং কপিরাইট আইনের আওতাধীন বিষয়বস্তু যেমন সংগীত, সাহিত্যকর্ম, চলচ্চিত্র, চিত্রকর্ম, কলা, আলোকচিত্রসমূহ সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং একে অপরের পরিপূরক, সেহেতু কপিরাইট অফিস এবং এর আওতাধীন বিষয়বস্তু সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকাই আইনসিদ্ধ।

বক্তারা বলেন, কপিরাইট অফিস সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করা হলে কপিরাইট বিষয়ক বর্তমানে চলমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুমুলভাবে ব্যাহত হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশেই মেধাস্বত্ববিষয়ক আইনগুলোর মূলত দুইটি ধারা আছে; (১) ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইপি পেটেন্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক) এবং (২) নন-ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইপি। কপিরাইট নন-ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইপি। তেল এবং পানি যেমন এক করা যায় না, ঠিক তেমনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং নন-ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইপি একসঙ্গে চলতে পারে না।

Check Also

mayurponkhi

ময়ূরপঙ্খী ফিল্ম সোসাইটির মেম্বারশীপ সার্টিফিকেট প্রদান

মিডিয়া খবর:- সম্প্রতি ময়ূরপঙ্খী ফিল্ম সোসাইটির সদস্যদের মাঝে মেম্বারশীপ সার্টিফিকেট প্রদান করা হল। গ্রীন ইউনিভার্সিটির ফিল্ম …

ডিপজলের মেয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন

মিডিয়া খবর:- গত বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের মেয়ে ওলিজা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares