চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় মোহাম্মদ আওলাদ হোসেনকে কিংবদন্তি বলা হয়। তার অকাল মৃত্যুতে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। শুক্রবার তার মরদেহ যখন এফডিসিতে শেষবারের জন্য আনা হয়, সেখানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী, কলা-কৌশলী-সাংবাদিকসহ চলচ্চিত্রে সংশ্লিষ্ট সবাই।

দেশে থাকতে না পারায় নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। নায়ক অনন্ত জলিল ব্যবসায়িক কারণে দেশের বাইরে থাকায় তার ব্যক্তিগত সহকারী সজীবকে পাঠিয়েছেন। সাংস্কৃতিত অঙ্গনের প্রায় সব মানুষের ফেসবুক দেওয়াল হয়ে উঠেছিল শোক বই এ। অথচ এ বিষয়ে কোথাও পাওয়া যায়নি শাকিব খানের অস্তিত্ব।

আওলাদ হোসেনের মরদেহ আনার পর যখন পুরো এফডিসি এসে জড়ো হয়েছিল প্রশাসন ভবনের সামনে; যখন সবাই ফুলের তোড়া, স্মৃতিচারণ আর অশ্রুসজল চোখে বিদায় দিচ্ছিলেন সবার প্রিয় আওয়াদ হোসেনকে; তখন কোথাও দেখা মেলেনি শাকিব খানের। 

‘ধূমকেতু’ ছবির শ্যুটিংয়ে শাকিব সেদিন এফডিসিতেই ছিলেন। শ্যুটিংও পেকআপ হয়েছে। ছবিটির পরিচালক শফিক হাসানকে জানাজায় দেখা গেল। দেখা গেল সহশিল্পীদেরও। জানাজা শেষ হয়ে এফডিসির গেইট চিরদিনের জন্য পেরিয়ে গেছেন আওলাদ হোসেন ও তার লাশবাহী গাড়ি। তখনও এফডিসির ২ নম্বর ফ্লোরের মেকআপ রুমে বসে আড্ডা মারতে দেখা গেল তাকে। শাকিবের এ হেন আচরণের প্রতি চলচ্চিত্রঙ্গনের অনেকেই ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।