Home » প্রোফাইল » সৃজনশীল, মননশীল ও বরেণ্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল

সৃজনশীল, মননশীল ও বরেণ্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল

Share Button

মিডিয়া খবর:-

অনেক বৃষ্টি ঝরে/ তুমি এলে যেন এক মুঠো রোদ্দুর/ আমার দু’চোখ ভরে’ অথবা ‘তোমার কাজল কেশ ছড়ালো বলে/ এই রাত এমন মধুর/ তোমার হাসির রঙ লাগল বলে/ দোলে ঐ মনের মুকুর’ এরকম অনেক চমত্‍কার কালজয়ী গানের গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামাল ৷ বাংলাদেশের এই বরেন্য শিক্ষাবিদ, কবি এবং লেখক আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুবার্ষিকী ২৩ সেপ্টেম্বর।

পাবনা জেলার পাবনা থানার গোবিন্দা গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১৩ মার্চ আবু হেনা মোস্তফা কামালের জন্ম৷ বাবা এম. শাহজাহান আলী ছিলেন প্রথম জীবনে স্কুলশিক্ষক, পরে কোনো অফিসের হেডক্লার্ক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন ৷ অকালেই মারা যান তিনি ৷ আবু হেনা মোস্তফা কামালের মা খালেসুননেসা দীর্ঘজীবী হয়েছিলেন৷ গান ভালো গাইতেন৷ ছেলেমেয়েদের মানুষ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি ৷ 

পাবনা জেলা স্কুল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পাস করে আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৫২ সালে পূর্ববঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ১৩তম স্থান অধিকার করেন ৷ ১৯৫৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ৭ম স্থান লাভ করেন ৷ ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৫৯ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন তিনি ৷ উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল ৷ পরে ১৯৬৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘দ্য বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং (১৮১৮-১৮৩১)’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি ৷

আবু হেনা মোস্তফা কামালের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৫৯ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে প্রভাষক হিসেবে ৷ তারপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ কলেজে কিছু দিন শিক্ষকতা করেন ৷ ১৯৬০ সালে যোগ দেন রাজশাহী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে ৷ দুই বছর সেখানে ছিলেন ৷ ১৯৬২ সালে তিনি প্রাদেশিক সরকারের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক হয়ে ঢাকায় চলে আসেন ৷ ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন ৷ একই পদে স্থায়ী নিয়োগ পেয়ে ১৯৬৫ সালে যোগ দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ৷ পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণার জন্য ১৯৬৬ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তিনি ৷ সেখানে অধ্যাপক টিডব্লিউ ক্লার্কের তত্ত্বাবধানে ‘দ্য বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন৷ ১৯৭০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসার পর তিনি রিডার পদে উন্নতি লাভ করেন ৷ আবু হেনা মোস্তফা কামাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন ১৯৭৩ সালের ৫ অক্টোবর ৷ সেখানে ১৯৭৬ সালে অধ্যাপক হন আবু হেনা ৷ ১৯৭৮ সালে ফিরে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে, অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন তিনি ৷ ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক পদে যোগদান করেন। ১৯৮৬ সালে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক পদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি ৷

 ১৯৫৬ সালের ২৫ অক্টোবর হালিমা খাতুনকে (ডাক নাম টুলু, পরবর্তীতে হালিমা মোস্তফা) নিয়ে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন ৷ আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও হালিমা মোস্তফা দম্পতির পাঁচ সন্তান ৷ সন্তানদের মধ্যে কাবেরী মোস্তফা (শিখা) কম্পিউটার প্রোগ্রামার, বর্তমানে সফট্ওয়্যার ব্যবসায়ী , কাকলী মোস্তফা (কেকা) ইতিহাসবিদ ও শিক্ষক, সুজিত মোস্তফা (বিদ্যুত্‍) আধুনিক, সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ও নজরুল সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী, শ্যামলী মোস্তফা (পাখি) চিকিত্‍সক, বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত এবং সৌমী মোস্তফা (পিনু) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ সমাপ্ত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত আছেন ৷

 ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা দেশের মতোই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর শিকার হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও৷ ওই সময় পাকিস্তানি বাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে হত্যা করে, কয়েকজনকে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়৷ আবু হেনা মোস্তফা কামালকেও তারা ধরে নিয়ে যায়৷ আবু হেনাকে অস্ত্রের মুখে রাজশাহী বেতার কেন্দ্র থেকে তাদের পক্ষে কথিকা লিখতে বাধ্য করে৷ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কিছু সহকর্মীর প্ররোচনায় পাকিস্তানের পক্ষে কথিকা লেখার দায়ে আবু হেনাকে গ্রেফতার করা হয় ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে৷ অধ্যাপক খান সারওয়ার মুরশিদ তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য৷ খান সারওয়ার মুরশিদ, অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী, অধ্যাপক সালাউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী তাঁকে মুক্ত করার জন্য ওই সময় সক্রিয় হয়েছিলেন৷ তাঁর ভগ্নিপতি সাংবাদিক কে. জি. মোস্তফার সুপারিশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরাসরি আদেশে তাঁকে দুই-তিন দিনের মধ্যে মুক্তি দেওয়া হয়

‘বাল্যকালেই গানের চর্চা শুরু করেছিলেন তিনি ৷ হতে চেয়েছিলেন গায়ক ৷ পরে বুঝেছিলেন গাওয়া নয়, লেখা ই  তাঁর জীবনের ব্রত৷ লেখালেখির শুরুতে তাই কবিতা ও গান রচনার প্রতি ছিল তাঁর মত্ততা ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই রচনা করেছেন অনেক কালজয়ী গান ৷ গীতিকার হিসেবে ওই বয়সেই পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন প্রয়াত শিল্পী ও সুরকার আনোয়ারউদ্দিন খান এবং কবি, সঙ্গীতশিল্পী ও ক্রীড়াবিদ আসাফউদদৌলা ৷ বন্ধু ছিলেন অকালপ্রয়াত সুরকার ও কন্ঠশিল্পী আবু বকর খান ৷ তাঁর অনেক গানে কন্ঠ ও সুর দিয়েছেন আনোয়ারউদ্দিন খান ৷ মৃত্যুর পর ১৯৯৫ সালে তাঁর দুই শতাধিক গান নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী প্রকাশ করে ‘আমি সাগরের নীল’ গ্রন্থ ৷ দুই হাজারের মতো গান লিখেছেন তিনি ৷ 

বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা গানে যেসব গান সময়কে অতিক্রম করে বেঁচে আছে সেসব গানের মধ্যে আবু হেনা মোস্তফা কামালের অনেক গান আছে ৷ যেমন: ১) ‘সেই চম্পা নদীর তীরে/ দেখা হবে আবার যদি/ ফাল্গুন আসে গো ফিরে’ ২) ‘হাতের কাঁকন ফেলেছি খুলে/ কাজল নেই চোখে/ তবু তোমার কাছে যাবো/ যা বলে বলুক লোকে’ ৩) ‘আমি সাগরের নীল/ নয়নে মেখেছি এই চৈতালি রাতে/ ফুলকঙ্কন পরেছি দখিন হাতে’ ৪) ‘ভ্রমরের পাখনা যতদূরে যাক না ফুলের দেশে/ তুমি তবু গান শুধু শোনাও এসে’ ৫) ‘নদীর মাঝি বলে: এসো নবীন/ মাঠের কবি বলে এসো নবীন/ দেখেছি দূরে ঐ সোনালি দিন’ ৬) ‘ওই যে আকাশ নীল হলো আজ/ সে শুধু তোমার প্রেমে’ ৭) ‘মহুয়ার মোহে গেল দিন যে/ তোমার কাছে আমার কত ঋণ যে/ সে কথা না হয় হলো নাই বলা/ ঝরা পাতার কান্না শুনে আজকে আমার পথ চলা’ ৮) ‘অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা/ সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা’ ৯) ‘তুমি যে আমার কবিতা, আমার বাঁশির রাগিনী’ ১০) ‘পথে যেতে দেখি আমি যারে’ ১১) ‘যায় যদি যাক প্রাণ, তবু দেবো না দেবো না দেবো না গোলার ধান’ ১২) ‘এই পৃথিবীর পান্থশালায় গাইতে গেলে গান’ ৷

১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ফেরদৌসী রহমানের গাওয়া আবু হেনা মোস্তফা কামালের গান দিয়ে ৷ গানের কথা ছিল, ‘ওই যে আকাশ নীল হ’লো, সে শুধু তোমার প্রেমে’ ৷ চলচ্চিত্রের জন্যও অনেক গান লিখেছেন আবু হেনা ৷ বাংলাদেশের যেসব চলচ্চিত্রে তাঁর গান ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘দর্পচূর্ণ’, ‘যোগবিয়োগ’, ‘অনির্বাণ’, ‘সমর্পণ’, ‘অসাধারণ’ ও ‘কলমীলতা’ ৷ এর মধ্যে ‘অসাধারণ’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও তাঁর রচনা ৷ চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন মুস্তফা আনোয়ার ৷

আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘আপন যৌবন বৈরী’৷ তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘যেহেতু জন্মান্ধ’ প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের দশ বছর পর অর্থাৎ‍ ১৯৮৪ সালে ৷ এর চার বছর পর (মৃত্যুর এক বছর আগে) ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর তৃতীয় এবং সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ ‘আক্রান্ত গজল’ ৷ তিনটি গ্রন্থে মোট কবিতা আছে শতাধিক ৷ এর বাইরে তাঁর আরও অনেক কবিতা অপ্রকাশিত থেকে গেছে ৷ গান দিয়ে যেমন শ্রোতাকে মুগ্ধ করেছিলেন তেমনি কবিতা দিয়েও পাঠকের চিত্ত জয় করেছিলেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল ৷ 

 কবিতার পাশাপাশি আবু হেনা মোস্তফা কামাল ছিলেন একজন উত্‍কৃষ্ট মানের প্রাবন্ধিক ৷ কবিতা দিয়ে সাহিত্যে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও প্রবন্ধ ও সমালোচনায় ছিলেন সবচেয়ে সফল ৷ বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে সাহিত্যের মননশীল ধারায় তাঁর বিচরণ ৷ আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবদ্দশায় প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ দুটি ৷ প্রথমটি সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধের সংকলন ‘শিল্পীর রূপান্তর’ ৷ এই গ্রন্থের আটটি প্রবন্ধের মধ্যে চারটিরই বিষয় উনিশ শতকের বাঙালি সমাজ ও সাহিত্য ৷ এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে ৷ অন্যটি সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক প্রবন্ধের সংকলন ‘কথা ও কবিতা’ ৷ এটির প্রকাশকাল ১৯৮১ ৷ এই গ্রন্থের মোট ১১টি প্রবন্ধের মধ্যে তিনটিরই পটভূমি উনিশ শতক ৷ এছাড়া ১৯৭৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত তাঁর ইংরেজি অভিসন্দর্ভ ‘দ্য বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং’। 

সমাজ ও সমকাল নিয়ে আবু হেনা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় অনেক কলাম লিখেছেন ৷ ‘দৈনিক বাংলা’ পত্রিকায় তিনি কলাম লিখতেন ‘অমত্‍সর’ ও ‘দ্বিতীয় চিন্তা’ নামে ৷ সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘বিচিত্রা’য় লিখতেন ‘অবান্তর কথকতা’ ৷ ‘চিত্রালী উপহার’ পত্রিকায় লিখতেন ‘অতিথির কলাম’ ৷ বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকায় ‘ইছামতীর সোনালী-রূপালী’ শিরোনামে নিজের ছেলেবেলার নানা ঘটনা লিখেছেন ৷

আলবেয়ার ক্যামুর ‘ক্যালিগুলা’ নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন তিনি ৷ আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিভিন্ন ধরনের গদ্য নিয়ে তাঁর মৃত্যুর পর ২০০০ সালে ‘কথাসমগ্র’ নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করে সময় প্রকাশন ৷ 

বাংলা কবিতা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল বেশকিছু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন ৷ তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কার সমূহঃ
১। আলাওল পুরস্কার(১৯৭৫)
২। সুহৃদ সাহিত্য স্বর্ণপদক(১৯৮৬)
৩। একুশে পদক(১৯৮৭)
৪। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ স্বর্ণপদক(১৯৮৯)
৫। সাদত আলী আকন্দ স্মৃতি পুরস্কার(১৯৯১)

বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক থাকাকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ১৯৮৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩ টা ৪৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর ৷ ঢাকার আজিমপুর নতুন কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি ৷
বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্রতুল্য সৃজনশীল ও মননশীল এই বরেণ্য লেখকের মৃত্যৃদিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সূত্রঃ
১। বিশ্বতারিখ, মাহবুবুল হক
২। আবু হেনা মোস্তফা কামাল রচনাবলী’ প্রথম খণ্ডঃ বাংলা একাডেমী
৩। আবু হেনা মোস্তফা কামালের রচনা সংকলন ‘কথাসমগ্র’ গ্রন্থের ভূমিকা থেকে ৷
৪। “একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘৯০” বাংলা একাডেমী
৫। ছবি ইণ্টারনেট থেকে

Check Also

jafor iqbal hero

নায়ক জাফর ইকবাল শুভ জন্মদিন

মিডিয়া খবর :- শুভ জন্মদিন আমাদের নায়ক (জাফর ইকবাল). আশির দশকের রূপালি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা …

থিয়েটারের স্বজন এস এম সোলায়মান

মিডিয়া খবর:-        -: কাজী শিলা :- এস এম সোলায়মান থিয়েটারের আকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares