Home » তথ্য প্রযুক্তি » মোবাইল ফোনে নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর বদল
sim

মোবাইল ফোনে নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর বদল

Share Button

মিডিয়া খবর:-

গতকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল নম্বর পোর্ট্যাবিলিটির (এমএনপি) অনুমোদন দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এর ফলে গ্রাহকরা মোবাইল ফোনে নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর বদলের সুযোগ পাবেন।

তারানা হালিম জানান, শিগগিরই এমএনপি কার্যকর করতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলের এই সুযোগকে বলা হচ্ছে এমএনপি।

অনেকদিন ধরে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এমএনপির চেষ্টা করলেও মোবাইল অপারেটরদের বিরোধিতায় এটি এগোচ্ছিল না। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী বিষয়টির গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার পর তিনি অনুমোদন দেন। এটি বাস্তবায়ন হলে মোবাইল অপারেটরদের স্বেচ্ছাচারিতা কমবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষার জন্য সবধরনের উদ্যোগ নেবেন তিনি। সিমের সঠিক নিবন্ধন হয়ে গেলে অনেক কাজই সহজ হয়ে যাবে। ঈদের পর পরই অপারেটরদের সঙ্গে এ নিয়ে বসবো। তাদের কাছে শুনবো কবে নাগাদ তারা এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে। আমাদেরও একটা পরিকল্পনা আছে। দু’পক্ষ মিলেই ঠিক করা হবে কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা এটি বাস্তবায়ন করব।’
 
প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার জানান, গ্রাহক সেবার মান উন্নত করতে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির জন্যই এমএনপি দ্রুত চালু হওয়া উচিত। মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকদের যে কোন সুবিধা দিতে বরাবর আপত্তি করে আসছেন। বিটিআরসি’র এসব আপত্তি আমলে না নিয়ে গ্রাহক সেবাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত।
এমএনপি খুব প্রয়োজন গ্রাহকদের জন্য কারন গ্রাহক সাধারণত নির্দিষ্ট একটি অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। অনেক সময় সেই অপারেটরের সেবার মান বা তার প্যাকেজ গ্রাহককে সন্তুষ্ট করতে না-ও পারে। বিশেষ করে নেটওয়ার্ক সংযোগ পেতে বিলম্ব, ঘন ঘন কল কেটে যাওয়া, আন্তঃসংযোগে ভোগান্তি, নেটওর্য়াকে অযাচিত আওয়াজ এমন নানা সংকট হতে পারে। এ ছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অন্য অপারেটর বাড়তি সুবিধা দিলে গ্রাহক সেই সুবিধাও ভোগ করার অধিকার চাইতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বর্তমান ব্যবস্থায় গ্রাহক তার ব্যবহূত নেটওয়ার্ক ছেড়ে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্কে যেতে চাইলে তাকে সিম কার্ড বদলে ফেলতে হয়, ফলে নম্বরও বদলে যায়। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা নম্বরটি চাইলেও গ্রাহক বদল করতে পারেন না। এমএনপি গ্রাহককে সেই সংকট থেকে মুক্ত করার প্রযুক্তিগত পদ্ধতি।

এই সুবিধায় নির্দিষ্ট ফি দিয়ে গ্রাহক তার ব্যবহূত নম্বরটি অপরিবর্তিত রেখে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেন। অপারেটর কোড নম্বরও পরিবর্তন করতে হয় না। ২০১১ সালে এই সেবাটি ভারতে চালু হয়েছে। এ ছাড়া পাকিস্তানসহ এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার উন্নত দেশগুলোতে এই সুবিধা চালু আছে। বিটিআরসির নির্দেশনায় গ্রাহকদের জন্য নেটওয়ার্ক পরিবর্তন ফি ৫০ টাকা এবং নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের পর কমপক্ষে ওই নেটওয়ার্কে ৪৫ দিন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে গ্রাহক ৪৫ দিন পর আবারও ওই নেটওয়ার্ক বাদ দিয়ে নতুন কোন নেটওয়ার্কে যেতে পারবেন।

Check Also

digital world

শুরু হল তিন দিনের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলা

মিডিয়া খবর :- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল মেলা ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৬” শুরু হচ্ছে আজ থেকে। ডিজিটাল …

robi airtel

রবি-এয়ারটেল এক হচ্ছে

মিডিয়া খবর :- মোবাইল অপারেটর রবি-এয়ারটেলের একীভূতকরণের (মার্জার) বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares