Home » মঞ্চ » শিল্পকলায় আরণ্যকের ভঙ্গবঙ্গ ও উদীচীর হাফ আখড়াই
ভঙ্গবঙ্গ

শিল্পকলায় আরণ্যকের ভঙ্গবঙ্গ ও উদীচীর হাফ আখড়াই

Share Button

মিডিয়া খবর:-

শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার মূল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় আরণ্যক নাট্যদলের ভঙ্গবঙ্গ মঞ্চায়িত হবে আজ ১৬ সেপ্টেম্বর।

মামুনুর রশীদের রচনায় নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন ফয়েজ জহির। বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের হরিদাসপুর স্থলবন্দর প্রতিদিনের মতো কর্মচঞ্চল। সাধারণ যাত্রী, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, মানিচেঞ্জের দালাল, পরিবহন শ্রমিক, স্মাগলার, পতিতা, মাতাল কত রংবেরঙের মানুষের আনাগোনা। তার মাঝে এপারের স্মাগলার রাজার সঙ্গে ওপারের পতিতা মালিনীর প্রেম-বিরহ, গলাধাক্কা, মাতাল বিশুর জীবনবোধ, কাস্টমস-ইমিগ্রেশনের বাণিজ্য সংকট। এর মধ্যে হঠাৎ উদ্ভট একজন মানুষের আবির্ভাব নিত্যদিনের আবহ ঘোলাটে করে তোলে। উদ্ভটের আবির্ভাবের সঙ্গে নতুন উপদ্রব এসে হাজির ওপারে। সে শিলাইদহ পতিসরে যাবে, পদ্মায় বোট নিয়ে ঘুরে  বেড়াবে। সে বুঝতে চায় না ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগ, বাংলা ভাষাভাষীদের ভূমির বিভাজন। যেখানে পাখি উড়ে যায়, বাতাস ও নদীর জল অবলীলায় প্রবহমান সেখানে যাওয়া মানুষের অগম্য কেন হবে? ঘনীভূত হয় সংকট। ইমিগ্রেশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সীমান্তের স্বাভাবিক কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল। হাজার হাজার যাত্রী দুই পাড়ে আটকা পড়ে। রাষ্ট্রের কর্ণধারদের আগমনও এক্ষেত্রে কোনো আশা জাগাতে পারে না। উদ্ভট মানুষটির অবলীলায় সীমান্ত অতিক্রম করে এই সংকট আরও তীব্র করে  তোলে। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনী। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- আরিফ হুসাইন আপেল, মামুনুর রশীদ, আমানুল হক হেলাল, তমালিকা কর্মকার, ফিরোজ মামুন, সাইদ সুমন, মনির জামান, কাজী আল আমিন, পার্থ চ্যাটার্জি, লায়লা বিলকিস ছবি, শেখ মিলন, জুবায়ের জাহিদ, সুজাত শিমুল, সুরভী রায় প্রমুখ।

 

শিল্পকলা একাডেমীর এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে উদীচী নাটক বিভাগের হাফ আখড়াই মঞ্চায়িত হবে আজ ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর রচনা ও আজাদ আবুল কালামের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করছেন- উদীচী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের শিল্পীরা। আজ বিকেল ৫টা থেকে এক্সমেরিমেন্টাল থিয়েটার হলের টিকেট কাউন্টারে নাটকটির টিকেট পাওয়া যাবে।

ঊনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা টপ্পা গানের একটি দলকে ঘিরে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, নারীর প্রতি সে সময়ের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী, ধনী-গরীব বৈষম্য প্রভৃতি বিষয়ই এ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য।  ১৮০৪ সালে বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন আখড়াই। নিজস্ব পদ্ধতিতে সংগীত শিক্ষা চালুর মাধ্যমে দ্রুতই কলকাতার অভিজাত শ্রেণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। কিন্তু বয়সের ভারে শিষ্য মোহনচাঁদের কাছে শিক্ষাগুরুর দায়িত্ব হস্তান্তরের পরই ধীরে ধীরে পাল্টাতে থাকে তার প্রতিষ্ঠিত আখড়াইয়ের চেহারা। গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে মোহনচাঁদ গঠন করেন আলাদা দল, যার নাম হয় ‘হাফ আখড়াই’। আর এ নিয়েই নাটকটি।

Check Also

paicho

হাসির নাটক পাইচো চোরের কিচ্ছার ৫০তম প্রদর্শনী

মিডিয়া খবর :- আগামী ১৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল …

Abdul-Hadi

আব্দুল হাদির দেশের গান ‘সেই দেশেতে জন্ম আমার’

মিডিয়া খবর :- দেশের গান গাইলেন বাংলাদেশের সংগীতের কিংবদন্তী অসংখ্য জনপ্রিয় গানের শিল্পী আব্দুল হাদি। গানের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares