Home » মঞ্চ » শুরু হল গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব
soumitra-dijen

শুরু হল গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব

Share Button

মিডিয়া খবর:-

শুক্রবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় হলভর্তি দর্শক নিয়ে উদ্বোধন হয়ে গেল দুই বাংলার এই সাংস্কৃতিক উৎসব। উদ্বোধন করলেন দুই উদ্বোধক একজন অপুর সংসার’ সিনেমার অপু- পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতিমান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অন্যজন বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।  

অনীক বসুর নির্দেশনায় ‘ওই উজ্জ্বল দিন, ডাকে স্বপ্ন রঙিন’ গানটির সঙ্গে দলীয় উদ্বোধনী নৃত্যের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। মিলনায়তন জুড়ে নেচে নেচে অনুষ্ঠানে প্রাণ সঞ্চার করেন শিল্পীরা। এরপর স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসব উদ্‌যাপন পরিষদের সদস্যসচিব আকতারুজ্জামান। 

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ সরন। অন্য অতিথিরা হলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, soumitraনাট্যজন ঝুনা চৌধুরী, শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করে উৎসব পর্ষদের আহ্বায়ক গোলাম কুদ্দুছ।

ফেরদৌসী মজুমদার বলেন, ‘সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে আজই প্রথম সামনে থেকে দেখি, কথা বলি। তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তিনি দর্শনধারীও বটে। যে উৎসব শুরু হয়েছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।’

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই দেশের মানুষের আদরের অত্যাচার বেশ। সমস্ত পৃথিবীতে খাওয়াতে ভালোবাসে এমন মানুষ আর পাওয়া যাবে না।’ তিনি জীবনানন্দের ‘বাংলার মুখ’ কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।

পঙ্কজ সরন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও ফেরদৌসী মজুমদারের হাতে উৎসবের স্মারক তুলে দেন অর্থমন্ত্রী। উপস্থিত অতিথিরা মঞ্চের ওপর বাঁশের শৈল্পিক ধারকে রাখা প্রদীপে আগুন জ্বালিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরুর আগেই মিলনায়তনের ওপর ও নিচতলা দর্শকে পূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি মিলনায়তনের বাইরেও নাটক দেখার জন্য দেখা যায় দর্শকদের লম্বা সারি। দেখানো হয় ভারতের নাট্যদল সংস্তবের নাটক ‘ছাড়িগঙ্গা’। এতে অভিনয় করেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে দেখানো হয় ‘ট্র্যাজেডি পলাশবাড়ি’।

উৎসব উপলক্ষে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটায় থাকবে নাটক। এগুলো দেখানো হবে নাট্যশালার মূল মিলনায়তন এবং পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে। এ ছাড়া উৎসবের উন্মুক্ত মঞ্চে থাকবে নাচ, গান, পথনাটক, আবৃত্তি। উৎসবে দেখানো হবে ভারতের তিনটি, রাজশাহীর একটি, চট্টগ্রামের একটি এবং ঢাকার ৪৮টি দলের নাটক। ২০১২ সালে কলকাতায় প্রথম এই উৎসব শুরু হয়।

Check Also

paicho

হাসির নাটক পাইচো চোরের কিচ্ছার ৫০তম প্রদর্শনী

মিডিয়া খবর :- আগামী ১৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল …

Abdul-Hadi

আব্দুল হাদির দেশের গান ‘সেই দেশেতে জন্ম আমার’

মিডিয়া খবর :- দেশের গান গাইলেন বাংলাদেশের সংগীতের কিংবদন্তী অসংখ্য জনপ্রিয় গানের শিল্পী আব্দুল হাদি। গানের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares