Home » মঞ্চ » জাতীয় নাট্যশালায় মুজিব মানে মুক্তি

জাতীয় নাট্যশালায় মুজিব মানে মুক্তি

Share Button

মিডিয়া খবর:-

২৮ আগষ্ট জাতীয় নাট্যশালায় লোকনাট্যদলের নাটক মুজিব মানে মুক্তি নাটকের শততম মঞ্চায়ন। মুজিব মানে মুক্তি নাট্যালেখ্যটির পরিকল্পনা, গ্রন্থনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী।

স্বাধীনতার মহানায়ক ও বাংলাদেশ নামক এই ভূখণ্ডের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মহান এই মানুষটির প্রতি মুগ্ধ হয়ে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ত্রো বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি’। আর এই হিমালয়সম মানুষটির জীবনের গল্পগাঁথা মঞ্চে তুলে ধরল লোক নাট্যদল। জাতির জনকের জীবন ও দর্শন নিয়ে দলটি নির্মাণ করেছে ইতিহাসভিত্তিক নাট্যালেখ্য ‘মুজিব মানে মুক্তি’। রবিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয় এই নাট্যালেখ্যটি। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ধারাবাহিক ইতিহাসের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর শৈশব-কৈশোর, যৌবন, সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন ও মহাপ্রয়াণ ক্রমান্বয়ে সন্নিবেশিত হয়েছে এই নাট্যালেখ্যটিতে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক বাহিনীর দোসর যুদ্ধাপরাধীদের হিংস্রতার চিত্রও উঠে এসেছে এ নাটকের গল্পে।

মঞ্চে পর্যায়ক্রমে উঠে আসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা ও আগরতলা ষড়যন্ত্রমামলা। এরপর আসে ঐতিহাসিক সেই ৭ই মার্চ। বঙ্গবন্ধুর দৃপ্ত কণ্ঠের মহাকাব্যিক সেই ভাষণ_ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তাঁর এই ভাষণ শুনে উজ্জীবিত তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জড়ো হওয়া লাখো জনতা। স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরুর আগেই তিনি দিয়ে দিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা। ঘটনাক্রমে আসে পঁচিশে মার্চের সেই কালো রাত। পাক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন বঙ্গবন্ধু। শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। পৃথিবীর মানচিত্রে উদিত হলো বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাক বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে ফিরে জাতির জনক যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। এরপর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হলেন শেখ মুজিব। বর্বর পাক বাহিনী তাঁকে হত্যা করতে না পারলেও এদেশের কিছু পথভ্রষ্ট ঘৃণ্য মানুষের হাতে প্রাণ হারালেন। এভাবেই বেদনার্ত দৃশ্যায়নের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে নাটকের। মুজিব মানে মুক্তি নাটকটি বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে রচিত একমাত্র প্রযোজনা।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন প্রায় ৫০ জন নাট্যকর্মী। নাটকটির সুর-সংযোজনা ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন লিয়াকত আলী লাকী। পোশাক পরিকল্পনায় ছিলেন এনাম তারা সাকী। আলোক পরিকল্পনা করেছেন জসিম উদ্দীন।

Check Also

paicho chorer kischa

শুক্রবার পাইচো চোরের কিচ্ছা শিল্পকলায়

মিডিয়া খবর :- ঢাকা পদাতিকের আলোচিত প্রযোজনা পাইচো চোরের কিচ্ছার ৫৫ তম মঞ্চায়ন হবে শুক্রবার। …

boubosonti

শিল্পকলায় উদীচীর নাটক বৌবসন্তি

মিডিয়া খবর :- আজ ৩১ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares