Home » চলচ্চিত্র » ১৫ সিনেমা হল বন্ধ
cenema-hall-khulna

১৫ সিনেমা হল বন্ধ

Share Button

মিডিয়া খবর:-

তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে সিনেমা হলগুলোর প্রযুক্তিগত উন্নতি হয়নি তাছাড়া ডিশ লাইন, ভিডিও পাইরেসি, অশ্লীল ছবির প্রভাব ও মানসম্মতভাবে ছবি নির্মাণ না হওয়া, ঘরে বসেই নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি দেখা ইত্যিাদি কারনে সিনেমা হলগুলো লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আর তাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক সিনেমা হল।

ইতিমধ্যে  খুলনার ১৫টি সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে।। অস্তিত্ব হারিয়েছে দুটি। আর সচল থাকা ৫টি হলের প্রদর্শনী চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ফলে দিন দিন সংকোচিত হয়ে পড়ছে খুলনার বিনোদনের ক্ষেত্র। সিনেমা হল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিশ লাইন, ভিডিও পাইরেসি, অশ্লীল ছবির প্রভাবে দর্শকরা হল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এতে লোকসানের হাত থেকে মুক্তি পেতে সিনেমা হল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সূত্র জানায়, খুলনার বিভিন্ন উপজেলাসহ মহানগরীতে ২০টি সিনেমা হল গড়ে ওঠে। এসব হচ্ছে মহানগরীর শঙ্খ, সঙ্গীতা, সোসাইটি, চিত্রালী, জনতা, ঝিনুক, পিকচার প্যালেস, উল্লাসিনী,  বৈকালী, স্টার, লিবার্টি, মিনাক্ষী, ডুমুরিয়া উপজেলায় নাগমা (বর্তমান শঙ্খমহল), চুকনগরের হিরামণ, তালা উপজেলার ফাল্গুনী, রূপসা উপজেলার রূপসা সাগর, পাইকগাছার বাসুরী, কপিলমুনির সোহাগ, সেনহাটির রূপসা ও ফুলতলার শাপলা। এগুলোর মধ্যে ঝিনুক, পিকচার প্যালেস, উল্লাসিনী, বৈকালী, স্টার, লিবার্টি, মিনাক্ষী, ডুমুরিয়া উপজেলায় শঙ্খমহল, চুকনগরের হিরামণ, তালার ফাল্গুনী, রূপসা উপজেলার রূপসা সাগর, পাইকগাছার বাসুরী, কপিলমুনির সোহাগ, সেনহাটির রূপসা ও ফুলতলার শাপলা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। অস্তিত্ব হারিয়েছে স্টার ও বৈকালী সিনেমা হল দুটি।

বর্তমানে নগরীতে শুধুমাত্র শঙ্খ, সঙ্গীতা, সোসাইটি, চিত্রালী ও জনতা এই ৫টি হল চালু রয়েছে। নগরীর সঙ্গীতা ও শঙ্খ সিনেমা হলে ছবি দেখতে আসা দর্শক আবু হাসান, সেকেন্দার ও মুজাম মিয়া বলেন, এক সময় সিনেমা হলগুলোতে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটতো। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় এখন অশ্লীল ছবির প্রভাব পড়েছে। নেই ভাল পরিবেশ। এ ছাড়া বাসায় বসে ডিশ লাইন, টুইটার, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউন লোড দিয়ে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি দেখা যায়। এ কারণে সিনেমা হলগুলোতে দর্শক নেই।

শঙ্খ সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর হোসেন রাজু বলেন, ডিশ লাইন, ভিডিও পাইরেসি, অশ্লীল ছবির প্রভাব ও মানসম্মতভাবে ছবি নির্মাণ না হওয়ায় দর্শকরা হল থেকে সরে যাচ্ছে। আর হলগুলো দর্শকশূন্য হয়ে পড়ায় লোকসানের মুখে পড়ছে মালিকরা। ফলে তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। খুলনার পিকচার প্যালেস সিনেমা হলের ম্যানেজার মুজিবুর রহমান জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফলে মানুষ বর্তমানে ঘরে বসেই নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি দেখছে। যার ফলে দর্শক এখন আর সিনেমা হলগুলোতে আসতে চাচ্ছে না।

বর্তমানে প্রচুর ছবি তৈরি হচ্ছে। এরমধ্যে ভাল ছবিও আছে দর্শকের দেখার মত। কিন্তু হলগুলির সার্বিক উন্নয়ন না হলে দর্শককে হলমুখী করা যাবে না। আর দর্শক হলে না গেলে সিনেমা শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তা্ই হলগুলিকে বাঁচাতে কর্তৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

Check Also

nuru miah o tar beauty driver

নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার

মিডিয়া খবর :- গত ২৪ জানুয়ারি কোনও কর্তন ছাড়াই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায় …

tanha, shuva

ভাল থেকো চলচিত্রের পোস্টার প্রকাশ

মিডিয়া খবর:- প্রকাশ হল জাকির হোসেন রাজুর নির্মিতব্য চলচিত্রের পোস্টার। জাকির হোসেন রাজুর নির্মাণে আসছে নতুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares