Home » সোশ্যাল মিডিয়া » পট্টির শহর নওগাঁ ডাকছে ভোজন রসিকদের
naoga1

পট্টির শহর নওগাঁ ডাকছে ভোজন রসিকদের

Share Button

ঢাকা, ১০ মে:-
যমুনা পরিবেষ্টিত ছোট্ট জেলা শহর নওগাঁ।শহরের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত।এখন যমুনা কে অশীতিপর বৃদ্ধা মনে হলেও বৃদ্ধা না বলে কিশোরী বলা যায় কারন ক’দিন পরেই হবে উম্মত যৌবনা। নওগাঁকে পট্টির শহর বললে কম বলা হবে না। কারন হেন কোন পট্টি নেই এই শহরে নেই। গর্মেন্টস পট্টি, পিতল পট্টি, কসমেটিকস পট্টি, এমব্রয়ডারী পট্টি, মাছ পট্টি, তরকারী পট্টি, সোনা পট্টি, হোটেল পট্টি, ডাক্তার পট্টি এমনকি ঝাড়ুদার পট্টিও আছে। শহর পরিষ্কার কর্মীদের নাকি এখান থেকেই চুক্তি করা হয়। ক’দিন আগে ঘুড়ে এলাম নওগাঁ থেকে। ছোট্ট ছিমছাম শহর। সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতী এখানে অনুকরনীয়। শারদীয় দূর্গা পূজোয় প্রতিমা বিসর্জন এর দৃশ্য নয়নাভিরাম। কেবল নওগাঁতেই ৫৫- ৬০ টা পূজো হয়। বিসর্জন হয় যমুনাতে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেন সাম্প্রদায়িক সম্মিলনের মিলন ক্ষেত্র । যমুনার উভয় তীরে কেবল মানূষ, প্রতিমা আর ঢাকের বাদ্যি। অনেক দূর দূর দুরান্ত থেকে শহরে মানূষের সমাগম হয় তখন। হোটেল গুলোতে রুম পাওয়া যায় না এমন কি রেষ্টুরেন্ট এ ও খাবারের টান পড়ে যায়। এক কথায় চোখে যা দেখা তা বর্ননার সাধ্য নিতান্ত ই অপ্রতুল।রেষ্টুরেন্ট এর কথা ই যখন এল, তখন খাবার এর বিষয় টা নওগাঁবাসীদের ও গর্ব করার মত যেমনটা গর্ব করেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি নিয়ে।নওগঁ আসলেন মুনমুন ষ্টোর এর শরবত যা বোতলে করে বাড়ি থেকে বানিয়ে নিয়ে আসা হয়, এমন শরবত, লাচ্ছি খাবেন না, তা হয় না। তরকারী পট্টির স্বপনের চা কিংবা চিপা গলির চা এ চুমুক না দিলে যে নওগাঁ ভ্রমন ই বিফল, চা তৈরীতে যে কত খান্দানী কৌশল না দেখলে বুঝবেন না, আর গরম চা আ চুমুক দিলে ই মনে হবে সত্যি ই চায়নীজরা একটা ভাল জিনিষ দিয়ে গেছে, কিন্ত সবাই কেন স্বপন বা চিপা গলির মত কসরত টা শিখল না। গরুর দূধের মালাই দিয়ে চা, সত্যিই অসাধারন কিংবা অভুতপূর্ব ও। চিপা গলির চা নিয়ে বলতে গেলে গলি টা নিয়ে বলতে ই হয়। একমাত্র যারা নিজেদেরকে আমার মত স্লীম ভাবেন এক মাত্র তাদের কপালে ই ভিতরে গিয়ে চা জুটবে, আর স্থুলাকায় দের গলির বাইরে দাঁড়িয়ে খেতে হবে, ভিতরে ঢূকার রিস্ক নেবেন না, মাঝ পথে আটকে যাবার সমূহ সম্ভাবনা ( গলির ফটো দ্রষ্টব্য) আর রসনা বিলাস? একবার চেয়ার পাতুন স্বর্ণা হোটেল এ।কি খাবেন? বরফ বিহীন গুড়া মাছসহ নদীর টাটকা মাছ, কবুতর এর ঝাল মাংস আর সবচেয়ে স্পেশাল হচছে হাঁসের ঝাল কষা মাংস। উফফফ এ জিভে জল আসে। খাবার আর থাকার হোটেল ও দারুন শাস্রয়ী। বিনে পয়সায় সবচেয়ে দামী যে জিনিসটা নিয়ে আসবেন সেটা হচ্ছে কতগুলো ভাল মানূষের মনভরা ভালবাসা।

(ভ্রমন পিয়াসী মানুষ অঞ্জন কুমার রায়, তার এ লেখা ফেসবুকে দেখে ভাল লাগল, তাই এথানে তুলে ধরলাম)

লেখক- অঞ্জন কুমার রায় (ফেসবুক থেকে নেয়া (Anjan Kumar Roy )

Check Also

mahi

বন্ধ জাজের ইউটিউব চ্যানেল

মিডিয়া খবর:- বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেল কপিরাইট জটিলতায় বন্ধ হলো। …

messenger video call

বাংলাদেশেও ফেসবুক অ্যাপস্ মেসেঞ্জারে ভয়েস-ভিডিও কল

মিডিয়া খবর:- বাংলাদেশের গ্রাহকরা এখন থেকে ফেসবুকের টেক্সট মেসেজিং অ্যাপস্ মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ভয়েস এবং …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares