Home » সঙ্গীত » রুনা লায়লার হারিয়ে যাওয়া গান
runa laila

রুনা লায়লার হারিয়ে যাওয়া গান

Share Button

মিডিয়া খবর:-

‘আমায় গেঁথে দাওনা মাগো
একটা পলাশ ফুলের মালা
আমি জনম জনম রাখব ধরে
ভাই হারানোর জ্বালা’

কিংবা

‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বল কি হবে
জীবন খাতার ছিন্ন পাতায়
শুধু বেহিসাবে পড়ে রবে।।’

কালজয়ী এ গানগুলোর গায়িকা উপমহাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। তাঁর জীবদ্দশায় পুরনো গানগুলো সংরক্ষণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন তিনি নিজেই। ইতোমধ্যে তিনি তার গাওয়া হারানো দিনের গানের বেশ কিছু রেকর্ড খুঁজে বের করেছেন।

এর মধ্যে কিছু সংখ্যক গান তিনি নতুন সঙ্গীতায়োজনে তৈরি করতে চাইছেন। বাকি গানগুলোর রেকর্ড ঠিক আগের মতোই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।
এ সম্পর্কে রুনা লায়লা জানান, ‘গান সংরক্ষণের কাজটি অনেক আগেই শুরু করেছিলাম। তবে মাঝে ব্যস্ততার কারণে কাজটি বন্ধ ছিল। এবার পুনরায় কাজটি শুরু করেছি।’

তিনি আরো জানান, ‘বহু বছর আগে আমার কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছিল, এমন কিছু গান খুঁজে পেয়েছি। তবে এর মধ্যে কিছু গানের সঙ্গীতের মান নষ্ট হয়ে গেছে। সেগুলো নতুন সঙ্গীতায়োজনে রেকর্ড করতে হচ্ছে। আর যে গানগুলোর মান ঠিক আছে, তা আপাতত তেমনিই রাখছি। ধারাবাহিকভাবে কাজটি এগিয়ে নেয়ার ইচ্ছা আছে। তাহলে হয়তো খুব শিগগিরই আমার সব গান নিজের সংগ্রহে চলে আসবে।’

জানা গেছে, রেকর্ডের যুগ থেকে ক্যাসেটের যুগ পর্যন্ত প্রকাশিত গানগুলোকেই আপাতত রুনা লায়লা বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। তবে গানগুলো নতুন সঙ্গীতায়োজনে প্রকাশ হবে কিনা, তা এখনো সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। যদিও বেশ কয়েক বছর আগে রুনা লায়লা তার পুরনো গানের অ্যালবাম প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

১৯৬৫ সালে পাকিস্তানি ছবি ‘জুগনু’র ‘গুড়িয়াসি মুনি্ন মেরি’ গান দিয়ে সঙ্গীত ভুবনে পা রাখেন রুনা লায়লা। আর ১৯৭৪ সালে ‘এক ছে বাড়কার এক’ ছবির মধ্য দিয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার প্লেব্যাক শুরু হয়। ওই বছরই বাংলাদেশে সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকাই ছবির প্লেব্যাকে রাজত্ব করেন।

গানের স্বীকৃতিস্বরূপ রুনা লায়লা একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া সফলতার সঙ্গে তিনি দেশ-বিদেশের একাধিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি ‘শিল্পী’ ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেও খ্যাতি কুড়িয়েছেন।

সেই রেকর্ডের যুগ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। বাংলা ছাড়াও ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু এবং গুজরাটি ভাষায় তার অসংখ্য গান রয়েছে। চলতি বছর এপ্রিলে কিংবদন্তি এই শিল্পী তার সঙ্গীতজীবনের ৫০ বছর পূর্ণ করেছেন। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ‘সেলিব্রেশন অব মিউজিক’ শীর্ষক জমকালো এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে বিনোদন জগতের গুনী শিল্পীরা রুনা লায়লাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন। এ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ভারতের কেকে এবং পাকিস্তানের ফাওয়াদ খান।

Check Also

Samina-Monir

দুলাভাই জিন্দাবাদ ছবির গানে সামিনা চৌধুরী-মনির খান

মিডিয়া খবর:- গুণী নির্মাতা মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত নতুন ছবি ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ ছবির জন্য দীর্ঘদিন …

Abul-Hayat-Rifa

মিউজিক ভিডিওর মডেল আবুল হায়াত

মিডিয়া খবর:- মিউজিক ভিডিওর মডেল হলেন আবুল হায়াত। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সামনে রেখে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares