Home » ইভেন্ট » নতুন চলচ্চিত্র, নতুন নির্মাতা উৎসব শুরু হলো
new-film-new-film-maker

নতুন চলচ্চিত্র, নতুন নির্মাতা উৎসব শুরু হলো

Share Button

মিডিয়া খবর :-

ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর যৌথ আয়োজনে পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ২ মে ২০১৫ শনিবার থেকে শুরু হলো বছরব্যাপী প্রতিযোগীতামূলক উৎসব ‘নতুন চলচ্চিত্র, নতুন নির্মাতা’। শিল্পকলা একাডেমীর চিত্রশালা মিলনায়তনে শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রকার সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকি, বরেণ্য চলচ্চিত্রগ্রাহক ও আলোকচিত্রশিল্পী আনোয়ার হোসেন, চিত্রপরিচালক মোরশেদুল আলম, ডকুনির্মাতা ফিরোজ হোসেন ও ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ও উৎসব পরিচালক বেলায়াত হোসেন মামুন প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সালাউদ্দীন জাকি বলেন, আজ যারা এখানে নতুন নির্মাতা তারা আসলে নতুন নয়। যখন থেকে তারা নির্মাণের চিন্তা করেছে তখন থেকেই তারা নির্মাতা। তিনি বলেন এ লাইনে আসতে হলে সাহস করেই আসতে হবে। একসময় মোরশেদ, তানভির, তারেক মাসুদেরা সাহস করেই চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেছিলো। তোমাদেরও সাহস করতে হবে।

মোরশেদুল আলম বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে অনেক, কিন্তু দর্শকদের কাছে আসছে না। যেসব কাজ হচ্ছে তা বাছাই করে দর্শকদের কাছে তুলে আনতে হবে। এজন্য তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। তরুণদের গড়া ম্যুভিয়ানা দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করছে। শ্রেষ্ঠ একটি কাজের যাত্রা শুরু করল এই সংগঠনটি।

আনোয়ার হোসেন বলেন, নিজের চিন্তাকে ফ্রেমে বন্দি করে দর্শকদের কাছে উপস্থাপনা করাই নির্মাতাদের কাজ। নির্মাতারা সমাজের জন্য অনেক কিছু। তরুণ নির্মাতারাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত।
শনিবার বিকেল ৪টা থেকে দেখানো হয় পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। এগুলো হলো হুমায়ুন কবীর শুভর ‘ফাঁদ’, আহমেদ সালেকীনের ‘প্রেক্ষাপট’, মোরশেদ শাহনূর হালিম হিমাদ্রীর ‘স্বপ্নের শিখরে হলুদ কোলাজ’, সন্দীপ বিশ্বাসের ‘আবিরের ঘর’ এবং খন্দকার মো. জাকিরের ‘দ্য ম্যাজিক রিমোট’। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় প্রদর্শিত হয় অ্যাডাম দৌলা পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র ‘বৈষম্য’। 

একবছরের এই উৎসব শেষ হবে আগামী বছরের এপ্রিলে। প্রতিমাসের শেষ শুক্রবার একাডেমীর চিত্রশালা মিলনায়তনে নির্বাচিত একাধিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হবে। প্রদর্শনীর টাকা তুলে দেওয়া হবে নির্মাতাদের হাতে। এর আগে নির্মাতারা তাদের ছবিগুলো জমা দেবে এরপর জুরি বোর্ডর সদস্যরা বাছাইয়ের পর তা প্রদর্শিত হবে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে জুরি বোর্ডর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের নির্মাতারা সরাসরি দর্শকদের সাথে মতবিনিময় করবেন। 
বছর শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা তিন নির্মাতাকে পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র বিভাগে ‘জহির রায়হান শ্রেষ্ঠ কাহিনীচিত্র পুরস্কার, প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ‘আলমগীর কবির শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র পুরস্কার’ এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র নিরীক্ষা ও এনিমেটেড চলচ্চিত্র বিভাগে ‘বাদল রহমান শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার ও সন্মননা প্রদান করা হবে।

Check Also

dhaka international film festival

পঞ্চদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

মিডিয়া খবর :- ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে শুরু …

ferdous-moushumi

ফেরদৌস, মৌসুমী মুক্তিযুদ্ধের ছবি নিয়ে আসছেন

মিডিয়া খবর:- ‘পোস্টমাস্টার ৭১’ ছবির ছবির শুটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ.  গানের শুটিং অবশ্য শেষ হয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares