Home » ইভেন্ট » শুরু হচ্ছে বৈসাবী ও আদিবাসী সংস্কৃতি মেলা
BOISHABI

শুরু হচ্ছে বৈসাবী ও আদিবাসী সংস্কৃতি মেলা

Share Button

মিডিয়া খবর:-

শুরু হচ্ছে আদিবাসীদের বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব বৈসাবী ও বাংলা বর্ষবরণ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধাণ ৩টি  আদিবাসী সমাজের বর্ষ বরণ উৎসব বৈসাবী। এটি তাদের প্রধাণ সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোর একটি। এ উৎসবটি ত্রিপুরাদের কাছে বৈসুক, বৈসু বা বাইসু , মারমাদের কাছে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে বিজু নামে পরিচিত। বৈসাবী নামকরনও করা হয়েছে এই তিনটি উৎসবের এর প্রথম অক্ষর গুলো নিয়ে। বৈ শব্দটি ত্রিপুরাদের বৈসু থেকে, সা শব্দটি মারমাদের সাংগ্রাই থেকে এবং বি শব্দটি চাকমাদের বিজু থেকে। এই তিন শব্দের সম্মিলিত রূপ হলো ‘বৈসাবি’।

জুম ঈসথেটিকস কাউন্সিল (জাক) এর আয়োজনে রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনষ্টিটিউট প্রাঙ্গণে আদিবাসীদের বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব বৈসাবী ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ৮-১০ এপ্রিল ২০১৫ অনুষ্ঠিত  হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ১৪তম পার্বত্য চট্টগ্রাম আদিবাসী সংস্কৃতি মেলা।

মেলা শেষে রাঙ্গামাটিতে শুরু হবে বৈসাবী উৎসব। রাঙ্গামাটিতে বৈসাবী উৎসবের অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৯টায় রাঙ্গামাটি পৌরসভা চত্বরে বৈসাবী উৎসবের উদ্বোধন ও র‌্যালি। এর উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)। বৈসাবীকে কেন্দ্র করে তিনদিন ধরে উৎসব করার কথা থাকলেও তা চলবে সপ্তাহব্যাপী।

পার্বত্য চট্টগ্রামের উৎসব প্রিয় আদিবাসীরা সারা বছর মেতে থাকেন নানান অনুষ্ঠানে। তবে তার সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। চাকমারা বিজু, ত্রিপুরা বৈসুক এবং মারমারা সংগ্রাই নামে আলাদাভাবে পালন করে এই উৎসব। তবে সমতলের মানুষের কাছে এই উৎসব বৈসাবী নামে পরিচিত। উৎসবের তৃতীয় দিনে চাকমা, ত্রিপুরারা গোজ্জাই পোজ্জা পালন করলেও ঐদিন মারমা সম্প্রদায় উদযাপন করে ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা উৎসব। মারমাদের পানি খেলা উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাহাড়ের বৈসাবী উৎসব।

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে শুরু হবে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। উৎসবের প্রথম দিনে চাকমা, ত্রিপুরা ও মারমারা বন থেকে ফুল আর নিমপাতা সংগ্রহ করে সেই ফুল দিয়ে সাজিয়ে তোলে নিজেদের ঘর। এই উৎসবের দিনকে বলা হয় ফুল বিজু। আর উৎসবের পরের দিন ঘরে ঘরে রান্না হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পাচন। তা দিয়ে দিন ভর চলে অতিথি আপ্যায়ন। একে বলে মূল বিজু।

বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, সাইক্রান, বিহু উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ ঐতিহ্যের ধারক-বাহক আদিবাসী জুম্মদের উৎসব উদযাপিত হবে।

Check Also

tamim, khaled

সিজেএফবি‘র সভাপতি তামিম হাসান, সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমেদ

মিডিয়া খবর :- দেশের  জাতীয় দৈনিক, পাক্ষিক, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিনোদন সম্পাদকদের …

kuakata

কুয়াকাটায় মেগা বিচ কার্নিভ্যাল

মিডিয়া খবর :- সাগরকন্যা কুয়াকাটায় শুরু হচ্ছে ‘কুয়াকাটা মেগা বিচ কার্নিভ্যাল ২০১৭’। আর এ উপলক্ষে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares