Home » নিউজ » চলচ্চিত্রের জন্যে ৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প

চলচ্চিত্রের জন্যে ৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প

Share Button

মিডিয়া খবর:-

বিশ্বের সকল দেশের চলচ্চিত্র শিল্প তার সংস্কৃতির একটা বড় অংশ জুড়ে আছে। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশের চলচ্চিত্র শিল্প একটু পিছিয়ে আছে। কিন্তু থেমে নেই এর সংস্কার। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জানিয়েছেন ঢাকার চলচ্চিত্রকে বিশ্বমানে উন্নীত করা এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) আধুনিকায়নে ৫৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গত রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, ‘বিএফডিসির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এ কাজ হচ্ছে। সরকারি দলের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর পক্ষে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও মানসম্পন্ন করতে সরকার নির্মাতাদের প্রতিবছর পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান দেয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

অনুদানের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার সমপরিমাণ বিএফডিসির সার্ভিস সেবা এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য দুই লাখ টাকার সমপরিমাণ বিএফডিসির সার্ভিস সেবা দেওয়া হচ্ছে।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, “চলচ্চিত্রের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য ৩ এপ্রিলকে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’ হিসেবে ঘোষণার পাশাপাশি চলচ্চিত্রকে ‘শিল্প’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যান্য শিল্পের মতো চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিনেমা হলের জন্য সিনেপ্লেক্স নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থানভেদে পাঁচ বা সাত বছরের জন্য কর অব্যাহতি সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।”

সিনেমা হলের উন্নয়ন ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ তৈরির ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা দেওয়ার একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘নীতিমালার আলোকে সিনেমা হলের মালিকদের অনুদান দেওয়ার জন্য অর্থ বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর বিভিন্ন তথ্যচিত্র/প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণসহ ডিএফপি বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’ (বাংলা ও ইংরেজি), ‘স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’, ‘বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম সমাপনী কুচকাওয়াজে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ’, ‘সোনালী দিনগুলি’ (বঙ্গবন্ধুর শাসনের সাড়ে তিন বছর) (বাংলা ও ইংরেজি), ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ (বাংলা ও ইংরেজি), ‘৭ মার্চের ভাষণ’ (বাংলা ও ইংরেজি), ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে ‘অসমাপ্ত মাহাকাব্য’, ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ (বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎকারের ওপর নির্মিত), ‘৭১-এর নারী’ (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র)।

Check Also

apu biswas

অপু অভিনয়কে বিদায় জানালেন

মিডিয়া খবর :- চিকিৎসা শেষে শনিবার রাতে কলকাতা থেকে ফিরে গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ঢালিউড …

tpa

বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে টিপিএ’র স্বতস্ফুর্ত সমাবেশ

মিডিয়া খবর :- বিশ্ব টেলিভিশন দিবস আজ। ১৯২৬ সালের এইদিনে বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড টেলিভিশন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares