Home » তথ্য প্রযুক্তি » বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিজস্ব স্যাটেলাইট
bangobondhu-satelight

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিজস্ব স্যাটেলাইট

Share Button

মিডিয়া খবর :- 

বর্তমানে বাংলাদেশ বিদেশী স্যাটেলাইট ভাড়া করে প্রয়োজনীয় ফ্রিকোয়েন্সি নিতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর ভাড়া বাবদ বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করছে। নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকলে এই টাকা দেশেই থেকে যাবে। আবার স্যাটেলাইটের ফ্রিকোয়েন্সি ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা সম্ভব হবে। নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কাসহ আরও কয়েকটি দেশে স্যাটেলাইটের ফ্রিকোয়েন্সি ভাড়া দেওয়া যাবে।

বাংলাদেশের  প্রথম কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করেছে সরকার। রবিবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরটি) তাদের ওয়েবসাইটে এ দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

স্যাটেলাইটের মূল অংশ তৈরী, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ (লঞ্চ ভেহিকল), গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং বীমার জন্য এ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহবান করা হয়েছে।  দরপত্র দাখিলের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ জুন, ওই দিনই দরপত্র খোলা হবে।

দরপত্রে বলা হয়, সব দেশই এ দরপত্র প্রক্রিয়াতে অংশ নিতে পারবে। তবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন দেশ অংশ নিতে পারবে না।

দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে স্যাটেলাইট সিস্টেম তৈরীতে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে এ দরপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

স্যাটেলাইটটি উক্ষেপণ করতে খরচ হবে ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ১ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা, বাকি ১ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা দেবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি অরবিটাল স্লট (১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) লিজ সংগ্রহের জন্য বিটিআরসি রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব স্পেস কমিউনিকেশনের সঙ্গে চুক্তি করে।

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে ৭২ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনাল (এসপিআই)। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি নকশা তৈরী, গ্রাউন্ড স্টেশন ব্যবস্থাপনা, বাজার মূল্যায়ন, স্যাটেলাইট বাজারজাতকরণ এবং স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করছে।

ভূমি থেকে উপগ্রহটি নিয়ন্ত্রণের জন্য গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর এবং রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) নিজস্ব জমিতে দুটি ‘গ্রাউন্ড স্টেশন’ নির্মাণ করা হবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরই মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নেয়। তখনকার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালের মধ্যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হবে। ২০১২ সালে মন্ত্রী জানান, তিন বছরের মধ্যে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হবে। কিন্তু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কার্যক্রম ধীরগতিতে আগানোর কারণে উৎক্ষেপণের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৭ সাল।

Check Also

facebook

রাজি হল না ফেসবুক

মিডিয়া খবর :- বাংলাদেশ পুলিশের দেয়া সমঝোতা স্মারক সইয়ের এক প্রস্তাবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি …

tazrin gouhor

আব্বার লেখা গানের ডায়রিটা এখন আমার কাছে: তাজরিন গহর

মিডিয়া খবরঃ- ছোটবেলা থেকেই গানের সাথে ওঠাবসা। বাংলাদেশ টেলিভিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় চার নেতার সামনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares