Home » নিউজ » বন্ধ হয়নি ভোজ্যতেলের সঙ্গে বিষাক্ত জেবিও মেশানো

বন্ধ হয়নি ভোজ্যতেলের সঙ্গে বিষাক্ত জেবিও মেশানো

Share Button

মিডিয়া খবর:-

ভোজ্যতেলে মেশানো হচ্ছে পাটে ব্যবহৃত বিষাক্ত জেবিও যা স্বাস্থের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ১৯ জানুয়ারি দ্য রিপোর্টে ভোজ্যতেলে মেশানো হচ্ছে পাটে ব্যবহৃত বিষাক্ত জেবিও শিরোনামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সরকার ভোজ্যতেলের ভেজাল বন্ধের উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

ভেজাল বন্ধের উদ্যোগ হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সুপারিশে জেবিওর দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। কিন্তু বৃদ্ধির এক মাসের মাথায় তা কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মন্ত্রণালয়। প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের চাপে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত একই বাজার দরের কারণে ভোজ্যতেলের সঙ্গে বিষাক্ত জেবিও ভেজাল দিয়ে আসছিল এক শ্রেণীর দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী। দু’টি তেলের রং ও ঘনত্ব একই হওয়ায় ভেজাল সহজ হয়েছে।  এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪ ফেব্রুয়ারি বিপিসির সুপারিশে জেবিওর মূল্য বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু তা আর বাস্তবায়িত হয়নি।

খুলনা বিভাগীয় জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে রিপোর্ট ও একাধিক তদন্তের পর জেবিওর মূল্য বৃদ্ধি করেছিল মন্ত্রণালয়। কিন্তু প্রভাবশালীদের চাপে নামমাত্র তদন্ত করে মূল্যবৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। যা মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের হতাশ করেছে।’ ৩ মার্চ মূল্যবৃদ্ধি স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এ এম বদরুদ্দোজা বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের রিপোর্ট এবং জনস্বাস্থ্যর কথা বিবেচনা করে জেবিওর দাম ৪ ফেব্রুয়ারি লিটার প্রতি ১১০ টাকা করা হয়েছিল। আগে এর দাম ছিল ৬৮ টাকা।’ তিনি বলেন, ‘দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিপিসির যুক্তি ছিল, জেবিওর দাম কম হওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেলের সঙ্গে তা মিশিয়ে বাজারজাত করে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলে যাতে জেবিও মেশাতে না পারে সে জন্য দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল।’ বিপিসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘জেবিওর দাম বৃদ্ধিতে পাটকল মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ কারণে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে মন্ত্রণালয়।

তবে জনস্বাস্থ্যের যাতে ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করতে বিকল্প পথ খোঁজা হচ্ছে।’ যমুনা অয়েল কোম্পানি খুলনার প্রধান সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জেবিওর দাম বৃদ্ধির পর বিক্রি অনেকটা কমে যায়। কিন্তু আবার তা প্রত্যাহারের পর বিক্রি আগের অবস্থানে পৌঁছেছে।’ বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতি বছর প্রায় ২৫ হাজার টন জেবিও উৎপাদিত হয়। আর সেখানে পাটকলগুলোতে প্রতি বছর জেবিওর প্রয়োজন হয় ১৪৪ লাখ লিটার। চাহিদার অতিরিক্ত জেবিও আমদানি করতে হয়।

 

Check Also

একাই ছুটে গিয়েছিলাম যুদ্ধে – পর্ব-১

মিডিয়া খবরঃ-    -ঃ সজল রহমান ঃ- দেশের অবস্থা তেমন ভালো না। চারদিক থেকে যা শোনা …

cng

সিএনজি অটোরিকশাও চলবে অ্যাপে

মিডিয়া খবর :- নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে ঢাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা মিলবে নতুন অ্যাপে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares