Home » নিউজ » মাটির নিচে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘর
jadu

মাটির নিচে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘর

Share Button

মিডিয়া খবর:-

মাটির নিচে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হল। বৃহস্পতিবার ২৬ শে মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভের মাটির নিচে স্থাপিত এই স্বাধীনতা জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

খুলে দেয়ার পর থেকে দর্শকেরা ভিড় করছেন সেখানে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে দর্শক। স্বাধীনতা জাদুঘরটি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যার বাস্তব নিদর্শনে আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

১৪৪টি প্যানেলে বাঙালি ও বাংলাদেশি জাতিসত্তার স্বাধীনতার ইতিহাস আলোকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভের ভিআইপি কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর এ তথ্য জানিয়েছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্থাপিত স্বাধীনতা স্তম্ভ ও জাদুঘর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্তকরণের লক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্যসচিব ড. রনজিত কুমার, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী ও স্বাধীনতা স্তম্ভের স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম।

স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘরের দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এহসানুল হক জানান, আজকের জন্য সবার প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত। জাদুঘরটি প্রতি শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। সর্বসাধারণের জন্য প্রবেশমূল্য মাথাপিছু ১০ টাকা এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার। এ ছাড়া সরকারি ছুটির দিনে জাদুঘরটি বন্ধ থাকবে।

নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার চেতনা পৌঁছে দিতে এ জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাটির নিচে বর্ণিল আলোক সজ্জার মাঝে জ্বলজ্বল করছে স্বাধীনতার গৌরবোজ্জল বিজয় ইতিহাস। কাজ শুরুর প্রায় ১৬ বছর পর ২ মার্চ সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্বাধীনতা জাদুঘর। নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার চেতনা পৌঁছে দিতে এ জাদুঘরে থাকছে মুক্তিযুদ্ধ আর গণহত্যার ইতিহাস। থাকছে নান্দনিক সাউন্ড আর লাইট শো। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের জন্য জাদুঘরের পাশেই রয়েছে অডিটোরিয়াম।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘরের প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকেই লম্বা হাঁটার পথ চলে গেছে নিচের দিকে। বলা যায় পাতালে। কিছু দূর গিয়ে পথটি যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে একটি কক্ষ, কক্ষের বাইরে লেখা ‘অডিও/ভিজ্যুয়াল রুম’। সেখানে চলছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সিনেমা ‘শ্যামল ছায়া’। কক্ষটি দর্শকে পরিপূর্ণ। কক্ষটি পার হয়ে এলে বিরাট জায়গাজুড়ে বিভিন্ন ছবি নিয়ে বিশাল প্রদর্শনী। ছবিগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছেন আগত দর্শকেরা। ওপরে উল্লিখিত চিত্রটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত স্বাধীনতা জাদুঘরের।

৬৭ একর বিস্তৃত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কেন্দ্রস্থলে প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ হাজার ৬৬৯ বর্গমিটার পাকা চাতাল বা প্লাজা এবং এর চারপাশে রয়েছে ৩টি জলাশয় ।

Check Also

Shesh chal

সজল ও তাইয়্যাবা তাহসীন জুটির শেষ চাল

মিডিয়া খবরঃ-    -: সাজেদুর রহমানঃ- মায়ের হাত ধরে নতুন বাবার সংসারে এসেছে আদনান। কয়েকমাস পরে …

tazrin gouhor

আব্বার লেখা গানের ডায়রিটা এখন আমার কাছে: তাজরিন গহর

মিডিয়া খবরঃ- ছোটবেলা থেকেই গানের সাথে ওঠাবসা। বাংলাদেশ টেলিভিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় চার নেতার সামনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares