Home » নিউজ » খুলে দেওয়া হলো স্বাধীনতাস্তম্ভ ও স্বাধীনতা জাদুঘর

খুলে দেওয়া হলো স্বাধীনতাস্তম্ভ ও স্বাধীনতা জাদুঘর

Share Button

মিডিয়া খবর:-

“ আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারো দানে পাওয়া নয়

দাম দিছি প্রান লক্ষ কোটি জানা আছে জগতময়।”

কত ত্যাগ করতে হয়েছে একটি পতাকার জন্য, একটি দেশের জন্য। তারই সাক্ষ্যবহন করছে তৎকালীন দৈনিকের শিরোনাম আর সংবাদগুলো, যেন কথা বলছে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে। সাদা-কালো আলোকচিত্রে মুক্তির আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া শত শত মানুষ জানান দিচ্ছে বীরত্বের ইতিহাস। এই ইতিহাস জানান দেয়ার জন্য শুরু হয়েছে খোলা আকাশের নিচে প্রদর্শনী। সে প্রদর্শনী যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের এক প্রামাণ্য দলিল।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার খুলে দেওয়া হলো স্বাধীনতাস্তম্ভ ও স্বাধীনতা জাদুঘর। গতকাল বুধবার সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যালারি খুলে দেওয়ার পাশাপাশি স্বাধীনতা জাদুঘর প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যাবিষয়ক এক বিশেষ প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন। ইতিহাসের নানা ঘটনার সাক্ষী রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘স্বাধীনতাস্তম্ভ নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হয়েছে গ্লাস টাওয়ার বা স্বাধীনতাস্তম্ভ। আর ভূগর্ভে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘরের সজ্জাকরণ সম্পন্ন করেছে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার থেকে দর্শনার্থীরা এখানে এসে স্বাধীন বাংলাদেশের রক্তাক্ত জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
গতকাল দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভিআইপি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এটি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিসচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাঙালির জাতীয় জীবনে মুক্তিযুদ্ধের যে সুগভীর তাৎপর্য, তার সঙ্গে সংগতি রেখে স্বাধীনতাস্তম্ভ ও গগনচুম্বী আলোকরশ্মিমালার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর সঙ্গে সংযোজন করা হয়েছে স্বাধীনতা জাদুঘর।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাধীনতাস্তম্ভ ও স্বাধীনতা জাদুঘর মিলে একটি সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি করা হচ্ছে। এই বলয়ের মধ্যে রয়েছে পাকা চাতাল বা প্লাজা, এর চারপাশে রয়েছে কৃত্রিম জলাশয়। রয়েছে ‘শিখা চিরন্তনী’, স্বাধীনতাসংগ্রামকে ভিত্তি করে নির্মিত দেয়ালচিত্র। রয়েছে ১৫৫ আসনবিশিষ্ট একটি আধুনিক মিলনায়তন। স্বাধীনতা জাদুঘরে বাঙালি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস আলোকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। রয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের টেবিলের অনুকৃতি স্থাপনা। এ ছাড়া লাইট অ্যান্ড শোর ব্যবস্থা থাকছে।

Check Also

2018

চার দেয়ালের মধ্যে থার্টিফার্স্ট

মিডিয়্ খবর :- চার দেয়ালের মধ্যে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আহবান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি …

একাই ছুটে গিয়েছিলাম যুদ্ধে – পর্ব-১

মিডিয়া খবরঃ-    -ঃ সজল রহমান ঃ- দেশের অবস্থা তেমন ভালো না। চারদিক থেকে যা শোনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares