Home » অনুষ্ঠান » স্বাধীনতা পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
sheikh hasina

স্বাধীনতা পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Share Button

মিডিয়া খবর:-

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রতিবছর স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে থাকে বাংলাদেশ সরকার। গত ৪ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বুধবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার হিসেবে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন-স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে বৃহত্তর swadhinata-puroskerসিলেটে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা পালনকারী মরহুম কমান্ড্যান্ট মানিক চৌধুরী, ১৯৭১ সালে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআউজি হিসেবে কর্মরত অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শাহাদৎবরণকারী মামুন মাহমুদ, ১৯৭১ সালে ওয়াশিংটনে পাকিস্তানী দূতাবাসে কর্মরত থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশকারী এবং প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সংগঠক প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এস এম কিবরিয়া।

এ ছাড়া সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সংস্কৃতি ক্ষেত্রে যশস্বী চলচ্চিত্র অভিনেতা আব্দুর রাজ্জাক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে স্বনামধন্য কৃষি গবেষক ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল এবং সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে প্রথিতযশা সাংবাদিক প্রয়াত সন্তোষ গুপ্ত (মরণোত্তর) এ পুরস্কার পান।

স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞাসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবর্গ, কূটনীতিক, সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, দুই লাখ টাকা ও সম্মাননা পত্র দেয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ন্যাপের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদকে এবার স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হলেও তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এ পর্যন্ত ২১২ জন ব্যক্তি ও ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যাখ্যানের ঘটনা এই প্রথম।

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকার কাকরাইলে মোজাফফর আহমেদের বাবার বাড়ি লক্ষ্য করে গোলাগুলি শুরু হলে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর সীমান্ত পেরিয়ে চলে যান ভারতের আগরতলায়।

তাজউদ্দীন আহমদকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলী গঠন করা হলে তাতে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদকেও সদস্য করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে একাত্তরে ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে বিশেষ গেরিলা বাহিনী গড়েন মোজাফফর আহমেদ। প্রশিক্ষণ শেষে ওই বাহিনী ঢাকা, নরসিংদী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, রংপুরসহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনেও ভূমিকা রাখেন মোজাফফর আহমেদ।

Check Also

ittadi

বছর শেষের ইত্যাদি

মিডিয়া খবর :- এ বছরের শেষ দিন ৩০ ডিসেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বিটিভিতে …

nausaba

বিডিং শো স্বপ্ন সদাইয়ে কাজী নওশাবা

মিডিয়া খবর:- আজ বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বিডিং শো ‘স্বপ্ন সদাই’। দর্শক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares