Home » নিউজ » জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বিপুল রায়হান

জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বিপুল রায়হান

Share Button

মিডিয়া খবর:-

এই মুহুর্তে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন নাট্যকার ও নির্মতা বিপুল রায়হান। শনিবার রাতে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত চিকিৎসার জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত ৮টায় প্রথমবারের মতো কার্ডিয়াক অ্যাটাক হলে বিপুল রায়হানকে ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বিপুল রায়হানের দ্বিতীয়বার কার্ডিয়াক অ্যাটাক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। এদিন রাতেই তার পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।

বিপুল রায়হানের কন্যা ভাষা রায়হান বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই বাবা অসুস্থ ছিলেন। তবে তার অবস্থা এতটা গুরুতর হয়ে উঠবে বুঝতে পারিনি। শনিবার রাতে যখন তিনি অসুস্থ হন তখন খুব বেশি চিন্তা-ভাবনা করার সুযোগ ছিল না। সে কারণেই শুরুতে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের পরপরই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ছুটে আসি ল্যাবএইড হাসপাতালে।

ড. রাসেদুজ্জামানের অধীনে তাকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো অ্যাটাকের শিকার হলে ড. এপিএম সোহরাবউজ্জামানের নেতৃত্বে তার হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রিং পরানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে [সিসিইউ] আছেন।

‘তবে এখনও বিপুল রায়হান আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে জানান তার স্ত্রী রুবি রায়হান। তিনি বলেন, ‘হৃদরোগের পাশাপাশি বিপুল লিভার ও কিডনি সমস্যায় ভুগছে। একইসঙ্গে তার রক্তে নিউমোনিয়া ধরা পড়ায় কোনোভাবেই শঙ্কা কাটছে না। অস্ত্রোপচারের পর হৃদরোগের ঝুঁকি কিছুটা কমলেও কিডনি ও লিভারের বিষয়ে আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, আরও দু’দিন না গেলে তার শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া সম্ভব নয়।’ এ কারণে তিনি, কন্যা ভাষা, পুত্র ভুবন ও আত্মীয়-স্বজন সবাই বিপুল রায়হানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

কথাসাহিত্যিক ও কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদ জহির রায়হান এবং খ্যাতিমান অভিনেত্রী সুমিতা দেবীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বিপুল রায়হান পূর্বসূরির পথ ধরে সংস্কৃতি অঙ্গনে পা রাখেন। এ পর্যন্ত ৫০টির মতো নাটক ও টেলিছবি নির্মাণ করেছেন তিনি। উল্লেখযোগ্য কাজের তালিকায় রয়েছে_ ‘পাললিক মন’, ‘আমাকেও সঙ্গে নিও’, ‘পুতুলবাাজি’, ‘হৃদয়ে একাত্তর’,’বন্ধন’, ‘সবুজ ঘাসের দ্বীপ’, ‘বৃষ্টির চোখে জল’সহ একাধিক নাটক ও টেলিছবি। এ ছাড়া ‘দেয়াল’ ও ‘জাগে আমার প্রাণ’ নামের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রশংসিত হন।

Check Also

tpa

বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে টিপিএ’র স্বতস্ফুর্ত সমাবেশ

মিডিয়া খবর :- বিশ্ব টেলিভিশন দিবস আজ। ১৯২৬ সালের এইদিনে বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড টেলিভিশন …

প্রযোজকদের একসুত্রে বাঁধবে টিপিএ

মিডিয়া খবর :- নবগঠিত টেলিভিশন প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (টিপিএ) উদ্যোগে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হল ১৭ নভেম্বর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares