Home » প্রোফাইল » সুরসম্রাট আলম খানের গল্প
alam-khan-endru-kishor

সুরসম্রাট আলম খানের গল্প

Share Button

মিডিয়া খবর:-       -:ফজলে এলাহী পাপ্পু:-

ছবিতে যে দুজন মানুষকে দেখছেন তাঁদের চেনেন না এমন শ্রোতা বাংলা গানে পাওয়া যাবে না। সম্পর্কে দুজন গুরু ও শিষ্য। যে দুজন মিলে আমাদের বাংলা গানের ভাণ্ডারকে করেছেন সমৃদ্ধ আর বহু কালজয়ী চিরসবুজ গানের সাথে জড়িত থাকা দুটি নাম। তবে আজ দুজনকে নিয়ে একসাথে কিছু লিখতে বসিনি কিন্তু দুজনকেই পাবেন লেখা ও সৃষ্টির মধ্যে। অর্থাৎ যে কোন একজনের কর্ম ও সৃষ্টির কথা উদাহরণ সহ তুলে ধরতে গেলে আরেকজন এমনিতেই চলে আসবে, আসতে বাধ্য। কারণ দুটি মানুষ যে একে অপরের অসাধারন সব সৃষ্টির সাথে জড়িত। একজনকে বাদ দিয়ে অন্যজনের কর্মের উদাহরণ তুলে ধরা শুধু আমার পক্ষেই নয় যে কারো পক্ষেই সম্ভব হয়নি ও হবেও না কোনদিন। এ এক অসম্ভব কাজ। আজ আমি আপনাদের গুরু আলম খান সম্পর্কে কিছু জানাবো, শিষ্য অ্যান্ড্রু কিশোর নিয়ে না হয় অন্য একদিন বলবো।

বাংলাদেশের গানের ভাণ্ডার সম্পর্কে যারা ধারনা রাখেন তাঁদের কাছে ‘আলম খান‘ নামটি কতটুকু প্রিয় সেটা নতুন করে বলার কোন প্রয়োজন নেই। আলম খান হলেন আমাদের বাংলা গানের ‘সুরসম্রাট’। আজ আপনাদের এই সুরসম্রাট আলম খান সম্পর্কে কিছু জানানোর চেষ্টা করবো ।

১৯৪৪ সালের ১০ই অক্টোবর সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাতি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন আলম খান। বাবার নাম আফতাব উদ্দিন খান ও মায়ের নাম জোবেদা খানম। ৫ ভাইবোনের মধ্যে আলম খান ছিলেন ২য়। আলম খানের বাবা ছিলেন তৎকালীন সময়ের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার। জন্মের পর কিছুদিন কলকাতায় ছিলেন। বাবার চাকরীর সুবাদে কলকাতায় চলে যান। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর পুরো পরিবার আবার বাংলাদেশে ফিরে আসেন। স্থায়ী হয়ে যান ঢাকায়। ঢাকার স্থানীয় বেবি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন যেখানে প্রাইমারী পর্যন্ত পড়েন। এরপর সিদ্ধেশ্বরী স্কুল থেকে মেট্রিক পাস করার পর আর পড়ালিখা করেননি। গানের নেশায় পড়াশুনা বাদ দিয়ে দেন। আজিমপুর কলোনিতে থাকাবস্থায় ৮/৯ বছর বয়সেই প্রতিবেশী বড় ভাই রতন এর উৎসাহে অর্কেস্ট্রা গ্রুপে বাদ্যযন্ত্র বাজনা শিখা শুরু করেন এবং সেইখানে প্রথম সারেগামা’র হাতেখড়ি হয়। গান শেখানোর ইচ্ছে প্রথম দিকে আলম খানের বাবার মত ছিল না কিন্তু মায়ের উৎসাহে আলম খান গানবাজনা চালিয়ে যান। পরবর্তীতে কিশোর আলম খানের অতি আগ্রহ দেখে ওস্তাদের কাছে তালিম নিতে নিয়ে যান বাবা আফতাব উদ্দিন খান । ওস্তাদ ননি চ্যাটার্জীর কাছে সঙ্গীতের উপর তালিম নেন।

১০/১১ বছর বয়সে রাস্তায় একজন ব্যান্ড বাজিয়ে ঘুরে ঘুরে অর্থ উপার্জন করতে দেখেন। রাস্তার সেই ব্যান্ড বাদকের পিছে পিছে ঘুরতেন এবং একদিন ব্যান্ড বাজানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন এবং লোকটির কথামতো নিজে একটা ব্যান্ড কিনেন এবং এরপর সেটা দিয়েই শিখেন। আগে রতন ভাইয়ের কাছ থেকে সারেগামা শেখায় নতুন করে তা শিখতে হয়নি। আজিমপুর ছেড়ে যখন কমলাপুরে নিজেদের নতুন বাড়ীতে এলেন তখন পরিচয় হয় কবি জসিমউদ্দিনের সাথে। পল্লীকবি জসিমউদ্দিন থাকতেন একই এলাকায়। আলম খানের সমবয়সী ছিল জসিমউদ্দিনের ছেলে ফিরোজ। ফিরোজের সাথে বন্ধুত্বের সুবাদে মাঝেমধ্যে জসিম উদ্দিনের বাড়ীতে যেতেন। এভাবেই কিশোর বেলায় কবি জসিমউদ্দিনের সান্নিধ্য আসার সুযোগ হয়েছিল আলম খানের। সিদ্ধেশ্বরী স্কুলে থাকতেই বন্ধুদের নিয়ে অর্কেস্ট্রা গ্রুপ করলেন নিতান্ত শখের বশে যারা বিনে পয়সায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন।

১৯৬১ সালে মঞ্চ নাটক ‘ ভাড়াটে বাড়ী’ তে আবহ সঙ্গীতের কাজ করে ১৫০ টাকা আয় করেন যেখানে সহযোগী মিউজিসিয়ানদের দিয়ে আলম খান পেয়েছিলেন ৪৫ টাকা যা ছিল সঙ্গীত জীবনে তাঁর প্রথম রোজগার আর এভাবেই তিনি পেশাদার সঙ্গীত পরিচালনায় যুক্ত হয়েছিলেন। ঐ মঞ্চ নাটকের কাজের পর পিটিভি’র প্রযোজক সাকিনা সারোয়ার বাচ্চাদের একটি অনুষ্ঠানের সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্ব দেন যা করার পর বেশ সাড়া পড়ে যায়। আর এইভাবেই টেলিভিশনে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যান। বাচ্চাদের অনুষ্ঠানের সফলতায় তৎকালীন পিটিভির প্রযোজক আতিকুল হক চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল মামুন সহ অনেকের নজরে পড়েন। স্বাধীনতা যুদ্ধের বছর খানেক আগে আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রযোজিত টেলিভিশনের প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’ এর সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্ব পান। টেলিভিশনের নাটকেও দারুন সফল হলেন যার ফলে পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুনের মঞ্চনাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘ইডিয়ট’ সহ বেশকিছু নাটকের সঙ্গীত পরিচালনা করেন। খুব সহজেই বয়সে বছর তিনেকের বড় আবদুল্লাহ আল মামুনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়ে যায় ।
টেলিভিশন নাটক, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, মঞ্চ নাটকের কাজ করে জনপ্রিয়তা পেয়ে যান যার ফলে ১৯৭০ সালেই পরিচালক আব্দুল জব্বার খানের ‘‘কাঁচ কাঁটা হীরে’’ ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ করা শুরু করেন। প্রথম ছবিতেই ‘জলতরঙ্গ মন আমার/ঠুনঠান ঠুনঠান বাজে’ ও ‘আজ নয় কাল/কাল নয় পরশু/কেউ তো আমার কথা ভাববে ’ গান দুটো দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পায় যার ফলে আলমগীর কুমকুমের একটি ছবিতে সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব পান কিন্তু ততদিনে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় কাজটা শেষ হয়ে উঠেনি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় আলম খান পরিবারের সাথে ঢাকাতেই থাকেন তাঁর অন্য দুই ছোটভাই মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহন করেন। আলম খান সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করলেও ছোট ভাই আজম খানের অনেক অপারেশনে অস্র ও গোলাবারুদ নিরাপদ স্থানে রাখার সহায়তা করতেন। আজম খানের দলের সহযোগী যোদ্ধা রানা প্রায় সময় আলম খানের কাছে স্টেনগান, গ্রেনেড রেখে নিরাপদ স্থানে চলে যেতেন। অপারেশনের সময় এসে রাতের আঁধারে আলম খানের কাছ থেকে কখনও স্টেনগান, কখনও গ্রেনেডগুলো নিয়ে যেতেন আবার কাজ শেষে স্টেনগানগুলো আলম খানের কাছে রেখে যেতেন।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ১৯৭২ সাল থেকে আবার চলচ্চিত্রে গান করার সুযোগ পান এবং এরপর থেকে চলচ্চিত্রে নিয়মিত সঙ্গীত পরিচালনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ছোট ভাই আজম খান যখন তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পপ গান শুরু করে তখন আলম খান তাঁদের সহযোগিতা করেন এবং আজম খানের সেই সময়কার প্রায় সব গানগুলোর সুরকার ছিলেন আলম খান। চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক আলম খান আলাদা একটি অধ্যায়। আবদুল্লাহ আল মামুনের ‘সারেং বউ’ ছবিতে মুকুল চৌধুরীর লেখা ‘ওরে নীল দরিয়া ‘’ গানটিতো সেইসময় এমনই বাজীমাৎ করলো যে গানটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের চিরসবুজ ও জনপ্রিয় গানের তালিকায় শীর্ষস্থানে আজো রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের চলচিত্রের গানের জীবন্ত কিংবদন্তী এন্ড্রু কিশোর ও শাম্মি আখতার হলেন আলম খানের আবিস্কার। আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ নামের একটি ছবিতে প্রথম কণ্ঠ দেন কিন্তু ছবিটি পরবর্তীতে আর মুক্তি পায়নি। এরপর পরিচালক এ জে মিন্টুর ‘প্রতিজ্ঞা’ ছবিতে আলম খানের সুরে ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি দিয়েই প্রথম প্লেব্যাক করেই রাজশাহীর এন্ড্রু কিশোর সবার নজর কাড়েন। এন্ড্রু কিশোর তখন রাজশাহীতে থাকতেন এবং ঢাকায় এসে গান রেকর্ড করে আবার চলে যেতেন কিন্তু এন্ড্রু কিশোরের ইচ্ছে ছিল ঢাকায় নিয়মিত থেকে পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে নিয়মিত গান করার যার কোন নিশ্চয়তা তিনি কারো কাছ থেকে পাচ্ছিলেন না। বি.এ পাশ করার পর গুরু আলম খানের কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেয়েই রাজশাহী ছেড়ে এন্ড্রু ঢাকায় চলে আসেন। এরপর শুরু হয় গুরু শিষ্যর অসাধারন সব সৃষ্টি। মহিউদ্দিনের ‘বড় ভালো লোক ছিল’ ছবিতে সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠের ‘ হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস , ‘তোরা দেখ, দেখরে চাহিয়া’, ‘ আমি চক্ষু দিয়ে দেখতে ছিলাম’ গানগুলো দর্শক ও শ্রোতাদের কাছে ঝড় তোলে। ‘বড় ভালো লোক ছিল’ ছবির গানের জন্য পেয়ে যান গীতিকার সৈয়দ শামসুল হক, সুরকার আলম খান ও শিল্পী এন্ড্রু কিশোর প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক ও শিল্পীর পুরস্কার লাভ করেন।
আলম খান যে সেই সময় কত আধুনিক ও মেলোডি গান চলচ্চিত্রে করতেন তার একটি নমুনা হলো মাসুদ পারভেজ এর ‘নাগপূর্ণিমা’ ছবির ‘ তুমি যেখানে ,আমি সেখানে ‘’ গানটি যা ছিল সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা সুর ও কম্পোজিশন। যে গানটি শুনলে কেউ ধারনা করতে পারবে না যে গানটি কোন ফোক ফ্যান্টাসি ছবির। শুধু যে আধুনিক ঘরানার গানেই পারেন তা নন , আজিজুর রহমান বুলি’র ‘প্রান সজনী’ ছবির গানগুলো শুনলে ফোক গানে আলম খানের অসাধারন কাজের প্রমান পাওয়া যায়। ‘প্রান সজনী’ ছবির ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’ , ‘ কত রঙ্গ জানো রে মানুষ’ সহ সবগুলো গান আজো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের দর্শক ও শ্রোতারা মনে রেখেছে।
শুধু বাংলাদেশের এন্ড্রু কিশোর ও শাম্মি আখতার নন উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জীবন্ত কিংবদন্তী কুমার শানুও এই আলম খানের আবিস্কার। ১৯৮৫ সালে শিবলি সাদিকের ‘তিন কন্যা’ ছবির গান দিয়ে কুমার শানু জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেন যার সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন আলম খান। কুমার শানুকে তখন সবাই শানু ভট্টাচার্য নামে চিনতেন। আলম খানের গান শুনলে মনে হবে গাওয়া খুব সহজ কিন্তু আসলে তা নয়। যারা আলম খানের সুরে গান করেছেন তাঁরা বুঝেছেন যে কত কষ্ট, কারণ আলম খানের সব গানেই খুব ছোট ছোট করে একাধিক কারুকাজ থাকে যা সব শিল্পীর কণ্ঠে ধরে রাখা সম্ভব নয়। আলম খানের সুর মানে মন পাগল করা মেলোডিয়াস সুর যে কারণে চলচ্চিত্রে আলম খানের গান খুব সহজেই দর্শক ও শ্রোতাদের মনে গেঁথে যেতো। চলচ্চিত্রের গানের জন্য ৭ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন এই অসাধারন সুরের যাদুকর। এ যাবত ৩০০ টি ছবির ১৫০০টি গান সুর করেন আলম খান।

আলম খানের সুর করা উল্লেখযোগ্য গানগুলোর তালিকা- ওরে নীল দরিয়া, চুমকি চলেছে একা পথে, আজকে না হয় ভালোবাসো আর কোনদিন নয়, এক চোর যায় চলে, চলে আমার সাইকেল ,আমার নাম কালু মিয়া, চাঁদের সাথে আমি দিবো না তোমার তুলনা, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, তোরা দেখ দেখরে চাহিয়া, চোর আমি ডাকু আমি, দুনিয়াটা মস্ত বড় , তুমি যেখানে আমি সেখানে , আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো, তুমি তো এখন আমারই কথা ভাবছো, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার কাঙ্ক্ষের কলসি, তিন কন্যা এক ছবি, আজ রাত সারারাত জেগে থাকবো, বুকে আছে মন মনে আছে আশা, তুই তো কাল চলে যাবি, জীবনের গল্প আছে বাকী অল্প, প্রিয়া আমার প্রিয়া, সবাই তো ভালোবাসা চায়, আবার দুজনে দেখা হলো, তুমি আজ কথা দিয়েছো, আমি একদিন তোমায় না দেখিলে, তুমি ছাড়া আমি একা, রুমাল দিলে ঝগড়া হয়, জীবনটা যেন এক রঙের মেলা, আমার এ ঘর যেন স্বর্গ, মন্দ হোক ভালো হোক বাবা আমার বাবা, কোথায় চন্দ্র আর কোথায় তারা, কাল তো ছিলাম ভালো , এখানে দুজনে নির্জনে, মনে প্রেমের বাত্তি জ্বলে, এই মাটি আমার ভাইয়েরও রক্ত মাখা, আমরা দুজন চিরসাথি, আমি পাথরে ফুল ফোটাবো সহ অসংখ্য অসংখ্য জনপ্রিয় গান সৃষ্টি করেছেন আলম খান।

সবশেষে এইটুকু বলবো আজ যারা নতুন শিল্পি, সুরকার তাঁদের অনেক কিছু শেখার আছে গুণী এই মানুষটির কাছ থেকে। বিশেষ করে চলচ্চিত্রের গানে যারা কাজ করেন তাঁদের কাছে আলম খান হতে পারেন এক অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। আলম খানের মতো একজন সুরকার ,সঙ্গীত পরিচালক বাংলা গানে আর কখনও আসবে কিনা জানা নেই। আরও একজন আলম খানের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে হয়তো আরও বহুদিন, বহুবছর। হয়তো আসবে হয়তো আসবে না কিন্তু এই জীবন্ত কিংবদন্তী আলম খান আমাদের বাংলা গানের ভাণ্ডারে ও সবকালের সব সব শ্রোতাদের মনের মণিকোঁঠায় রয়ে যাবেন চিরদিন।।

তথ্যসূত্রঃ সাপ্তাহিক চিত্রালি, দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক প্রথম আলো ও ইন্টারনেট ।আলম খানের সুর করা কিছু গানের (অরিজিনাল ট্র্যাক)লিঙ্ক –

এক চোর যায় চলে – https://app.box.com/s/4y8gcrzro6yxsv7efxlj
আজকে না হয় ভালোবাসো – https://app.box.com/s/4aq2qeaj4pb19eiq0gdl
তুমি যেখানে আমি সেখানে – https://app.box.com/s/frfuhft0v7t64p0d7u9t
চোর আমি ডাকু আমি – https://app.box.com/s/llbypkkomhcnj1kgvtya
বুকে আছে মন – https://app.box.com/s/u9t9qyj5j8v21xu3h904
তুই তো কাল চলে যাবি – https://app.box.com/s/gz8kq1ny7iiiyb0xtpmx
তিন কন্যা এক ছবি- https://app.box.com/s/0katmt74izyhx09dsr66
সবাই তো ভালোবাসা চায় – https://app.box.com/s/2dtxdt33xg4eqnna9eq9
প্রিয়া আমার প্রিয়া – https://app.box.com/s/iedpd7olgyu25talt646
আবার দুজনে দেখা হলো – https://app.box.com/s/vmqaiihed04paf26j2by
জীবনটা যেন এক – https://app.box.com/s/o23kn9c2d9nhlqv1g6qx
আমারে তুই প্রেম শিখাইয়া – https://app.box.com/s/eeea7b10b670c8fa2d18
কত ভালোবাসি আমি তোমাকে – https://app.box.com/s/ooccj35n6jgzbgvcgbxp
টুটুল বাবার ছেলে – https://app.box.com/s/d4f25e73f26caa98d84c
আর যাবো না আমেরিকা – https://app.box.com/s/2v1g6xy2sqqk1iv657z8
ভালো ছেলে প্রেমে পড়িলো – https://app.box.com/s/yk34iad8em3lgen0noc8
সেতো আসবেই – https://app.box.com/s/pphvkicnliavlyx6e8mz
এই মাটি আমার – https://app.box.com/s/9qybliac8i3p6ueof4ah
পিতা মাতার পায়ের নিচে – https://app.box.com/s/4s2qpdmr315e4f8aaq9x
জীবন যেন শুরু হলো আবার – https://app.box.com/s/23d942cb0e443d132d37
টেলিফোনে কিছু কথা হলো – https://app.box.com/s/eaotjxpastr0no98jebf
গান আমি গেয়ে যাবো এই আসরে- https://app.box.com/s/1m1zhtkodzllg07p0yxz
কোথায় স্বর্গ আর কোথায় নরক – https://app.box.com/s/oormvjtun5s20po2q8y5
আমি পাথরে ফুল ফোটাবো – https://app.box.com/s/un8npr2orhcmq4xzkf10
হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস – https://www.youtube.com/watch?v=6KY4PQho67c
শিখা আমার শিখা – https://www.youtube.com/watch?v=9k4EQfRaVuw
তোমাকে ভালোবেসে দিতে পারি প্রান – https://www.youtube.com/watch?v=R3k-Sj_Uu40
জীবনের আরেক নাম ভালোবাসা – https://www.youtube.com/watch?v=30YYsmwp0G8
আমার এ গান তোমারই জন্য – https://www.youtube.com/watch?v=DSd7K4C5UYU
তুমি তো এখন – https://www.youtube.com/watch?v=xCg93YyII9U
গান সংগ্রহ ও সহযোগিতায়: www.radiobg24.com (বাংলা গানের জাদুঘর) ও ইউটিউব ।।

 

Check Also

misha sawdagor

মিশা সওদাগর লড়বেন সভাপতি পদে

মিডিয়া খবর:- ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে যাবে বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির নির্বাচিত বর্তমান কমিটির দায়িত্ব। …

কলিম শরাফী

কলিম শরাফী রবীন্দ্রসংগীতের এক অনন্য জাদুকর

মিডিয়া খবর :- কলিম শরাফী। রবীন্দ্রসংগীতের এক অনন্য জাদুকর। ছিলেন ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ কণ্ঠের অধিকারী। আর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares