Home » চলচ্চিত্র » জায়েদ পরী মিলনের ভালোবাসা সীমাহীন

জায়েদ পরী মিলনের ভালোবাসা সীমাহীন

Share Button

মিডিয়া খবর:-

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে মুক্তি পেয়েছে ভালবাসা সীমাহীন চলচ্চিত্রটি। শাহ আলম মন্ডল পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন জায়েদ খান, পরীমনি ও আনিসুর রহমান মিলন, মিজু আহমেদ কাজী হায়াৎ, সাদেক বাচ্চু প্রমুখ।

গল্পে দেখা যায় রাজ এবং সীমানা দুজন ভালো বন্ধু। ছাত্র ভালো না হওয়া সত্বেও সীমানার অনুপ্রেরণাতেই পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে রাজ এবং ভালো কিছু করার প্রতিজ্ঞা করে। রাজ ভালোবাসে সীমানাকে। সীমানা কী তাকে ভালোবাসে? এদিকে সিনেমার ভিলেন ডিজে সোহেলও ভালোবাসে সীমানাকে। এখানেই শেষ নয় সিনেমার আরেক নায়ক মিলন একজন পুলিশ অফিসার। তার সঙ্গে ছেলেবেলা থেকেই সীমানার বিয়ে ঠিক করে রেখেছেন সীমানার বাবা। মিলন ছোট থেকেই সীমানাকে নিজের বউ মনে করে এসেছে। গল্পের এক পর্যায়ে জানা যায়, সীমানা আসলে রাজকে ভালোবাসে। ডিজে সোহেল চায় যে কোনো মূল্যেই সীমানাকে নিজের করে পেতে। তার বাবা মিজু আহমেদ খলনায়কি বুদ্ধিতে ছেলের ইচ্ছা পূরণে লেগে পড়েন। এভাবেই সিনেমার গল্প এগিয়ে গেছে। যারা ভাবছেন সিনেমার কাহিনী তো বুঝেই গেলাম। তারা হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখে ধারণার সঙ্গে মিলিয়ে নেবেন। আপনার  ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে। আর এখানেই গল্পকার তার মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।

পরিচালক ভালো কিছু করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। আমাদের দেশের সিনেমায় যে পরিবর্তন আসছে, এ সিনেমাটি তার উদাহরণ। নতুন অভিনেত্রী হিসেবে পরিমনির অভিনয় ছিল সাবলীল। মিলন তার অন্যান্য সিনেমার মতো অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। প্রবীণ অভিনয় শিল্পীদের মধ্যে মিজু আহমেদ, সাদেক বাচ্চু এবং কাজী হায়াৎ তাদের নামের সুবিচার করেছেন। সিনেমার গানগুলো অসাধারণ। অশ্লীলতা নিয়ে আমাদের দেশের সিনেমার যে বদনাম রয়েছে, তা ঘোচাতে সক্ষম এ সিনেমাটি। সামাজিক প্রেমের সিনেমা বলতে যা বোঝায় সেটিই ভালবাসা সীমাহীন।

প্রত্যেকটি কাজেই ভালো খারাপ দুটি দিক রয়েছে। যেখানে ভালোর বিষয়টি বেশি থাকে সেখানে খারাপটা না বলাই শ্রেয়। তবু কিছু বিষয় না বললে নয়। এ সিনেমার খারাপ দিকগুলোর মধ্যে প্রথমেই যেটি আসে তা হলো- কয়েকজন ব্যতীত কারও সংলাপে সাবলীলতা লক্ষ্য করা যায়নি। সিনেমার ভিলেন ডিজে সোহেলের ইংরেজি উচ্চারণে আরও সচেতন হওয়া উচিৎ ছিল। কমেডি চরিত্রে ছিল জোর করে হাসানোর চেষ্টা। নায়ক জায়েদ খানের পোশাকের ব্যাপারে একটু সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছি। সিনেমার সিক্যুয়েন্স মেলানোর ব্যাপারে আরও সচেতন হওয়ার জরুরি।

সব মিলিয়ে সিনেমাটি উপভোগ্য। আমাদের দেশের সিনেমার উন্নতি হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে। ভালো কিছু করার ইচ্ছা তৈরি করতে হবে নির্মাতাদের। তার জন্য দর্শককেও এগিয়ে আসতে হবে নির্মাতাদের অনুপ্রাণিত করতে।

Check Also

একজন চিত্র সাংবাদিকের চোখে ঢাকা এ্যাটাক

মিডিয়া খবর :-   আয়নাবাজির পর, যে সিনেমাটি সুধীমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে তা ঢাকা এ্যাটাক। ছবিটির গল্প, …

hasibur reja kollol

কল্লোল এবার কালপুরুষ নিয়ে আসছেন

মিডিয়া খবর :- ‘কালপুরুষ’ নিয়ে আবার ফিরছেন নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল। সামনের নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares