Home » চলচ্চিত্র » এক কাপ চায়ের কথা
ek-cup-cha

এক কাপ চায়ের কথা

Share Button

মিডিয়া খবর:-       -: সা্ঈদ খোন্দকার :-

এক কাপ চা। পরিচালক – না্ঈম  ইমতিয়াজ নেয়ামুল। রচনা, চিত্রনাট্য ও সংলাপ – বাসু চ্যাটার্জী, পরিবেশনা – নুজহাত ফিল্মস্। অভিনয়ে -ফেরদৌস, মৌসুমী, ঋতুপর্ণা (ভারত), সাকিব খান, হুমায়ুন ফরিদি (প্রয়াতঃ) ও অন্যান্য।

কাহিনী:

নায়ক (ফেরদৌস) বিয়ে করেছেন নায়িকাকে (মৌসুমী) গান গা্ইছেন। নায়িকা নায়ককে জড়িয়ে ধরতে্ই নায়ক বিছানা থেকে মেঝেতে পড়ে যায়। আসলে স্বপ্ন দেখছিলেন নায়ক।

প্রতিদিনের মতো আজও নায়ক নায়িকার টেবিলে লুকিয়ে গোলাপ ফুল রেখে আসে। নায়ক এ্ই কলেজের ইরেজী বিভাগের অধ্যাপক আর নায়িকা এ্ই কলেজের্ লাইব্রেরিয়ান। প্রতিদিন নায়িকা ফুল পায় আর বাস্কেটে ফেলে দেয়। এক সময় দুজনের ভাব হয়। আর নায়িকা নায়ককে তার বাসায় এক কাপ চা খেতে নিমন্ত্রন জানায়।

ডঃ এজাজের বাসায় নায়িকা পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকেন। এজাজ সাহেবের একমাত্র ছেলে কঠিন  রোগে আক্রান্ত। নায়ক (ফেরদৌস) ঐ বাসায় এসে বিপদে পড়ে। দুর্লভ ওষুধ প্রয়োজন। নায়ক ওষুধ আনতে ডাক্তারের (হুমায়ুন ফরিদি) বাসায় যায়। যাবার সময় মীর সাব্বিরের গাড়িতে লিফ্ট নেয়। ডাক্তারের বাসায় প্রবেশ করতেই ঐ বাসায় চোরের (কাবিলা) দ্বারা আক্রান্ত হয় নায়ক। ফ্রিজে রাখা ঔষধ ৫০০০০ টাকা মনে করে কাবিলা নিয়ে পালায়। চোর দ্বারা মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায় নায়ক। চোর পালায়। নায়ক এরপর ঔষধ উদ্ধার করতে সাকিব খানের গাড়ী ব্যবহার করে। কাবিলাকে (ছবিতে ফেসবুক নাম) খুঁজতে সাকিব খান ফেরদৌসকে নিয়ে অভিজাত গেষ্ট হাউসে যায়। ঐ গেষ্ট হাউসে কাবিলাকে খুঁজতে খুঁজতে ঋতুপর্ণার  সাথে দেখা হয় নায়কের। ঋতুপর্ণার বেডরুমে নিয়ে যাওয়া হয় নায়ককে। এ ছবিতে ঋতুপর্ণা একজন যৌনকর্মী। ফেরদৌসকে ভালোবেসে ফেলে ঋতুপর্ণা। পুলিশি ঝামেলায় অতঃপর নায়িকার সাথে নায়কের ভুল বোঝাবুঝি, শেষে মান অভিমানের অবসান। নায়ক নায়িকা ছাত্রদের নিয়ে ফেসবুকের আস্তানায় আক্রমন চালায়। উদ্ধার করা হয় ঔষধ।

বাসায় ঔষধ আনার পর দেখা যায় ঔষধের বাক্সে ঔষধ নে্ই। দরজায় কলিংবেলের আওয়াজ। টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখে স্বয়ং ডাক্তার (হুমায়ুন ফরিদি) বাসায় এসে হাজির। ঔষধ প্রয়োগ। ঔষধ প্রয়োগ করতেই শিশুর মুখে হাসি। সবা্ই হাসছে। নায়ক নায়িকার রোমান্স। অতঃপর গান এবং সমাপ্ত। ছবি শেষ।

দর্শক ভাবনা:

৮০ এর দশকের গল্প নিয়ে নির্মান করা হয়েছে “এক কাপ চা”। মূল নায়িকা চরিত্রে মৌসুমীকে মনে হয়েছে সাবলীল। দর্শকদের ভালো লেগেছে মৌসুমীকে। ভালোলাগেনি ফেরদৌস ও মৌসুমীর টিন এজ রোমান্স। নায়ক ফেরদৌসকে দর্শক চেয়েছিল “হঠাৎ বৃষ্টি” ছবির নায়কের মতো। আসলে গল্পের কারনে ফেরদৌসের কিছু্ই করার ছিল না।

এ্ই ছবিতে সব চা্ইতে বেশি ছন্দপতন হয়েছে ঋতুপর্ণার উপস্থিতি। মাঝবয়সী ঋতুপর্ণাকে যৌনকর্মী হিসেবে মানায়নি। ঋতুপর্ণার ফেরদৌসকে পাবার ইমোশন ও কান্না দর্শক নেয়নি। ঋতুপর্ণার মেকাপ গেটাপ যাত্রার শিল্পীদের কথা মনে করিয়ে দেয়। শিল্পনির্দেশনা নিম্নমানের। সাকিব খানের উপস্থিতি দর্শককে চাঙ্গা করেছে। ডঃ এজাজের অভিনয় এক্ইরকম। অল্প সময়ে ওমর সানির উপস্থিতি ভালো লেগেছে। ছবির গানগুলো সাধারন মানের। কাবিলার অভিনয় অবশ্য্ই ভালো। কিন্তু চোর হিসেবে তার পোশাক মানায়নি। প্রয়াতঃ হুমায়ুন ফরিদির সামান্য উপস্থিতি সবা্ইকে ইমোশনাল করে।

দর্শক মন্তব্য:

নায়িকা মৌসুমীর উচিৎ ছিল নায়ক ফেরদৌসকে অন্ততঃ এক কাপ চা খাওয়ানো। তাহলে হয়তো দর্শকদের টিকিটের দাম উসুল হতো।

Check Also

dhaka international film festival

পঞ্চদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

মিডিয়া খবর :- ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে শুরু …

ferdous-moushumi

ফেরদৌস, মৌসুমী মুক্তিযুদ্ধের ছবি নিয়ে আসছেন

মিডিয়া খবর:- ‘পোস্টমাস্টার ৭১’ ছবির ছবির শুটিংয়ের কাজ প্রায় শেষ.  গানের শুটিং অবশ্য শেষ হয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares