Home » চলচ্চিত্র » নতুন করে ধ্বংস হল চলচ্চিত্র, নতুন করে শুরু হবে বলেই
film-old-pic

নতুন করে ধ্বংস হল চলচ্চিত্র, নতুন করে শুরু হবে বলেই

Share Button

মিডিয়া খবর :-             -: আবুল বাশার সোহেল:-

নতুন করে ধংস হল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র, নতুন করে শুরু হবে বলেই ।

১৯৫৩ সালের ১৩ই জুন ” ইনসাফ ” পত্রিকায় প্রকাশিত যে, এখানকার অধিকাংশ বড় পরিবেশকরাই ভারতীয় না হয় ভারতীয় মূলধন পুষ্ট। তাই পূর্ব বাংলায় স্টুডিও না হলে তাদের লাভ। প্রথমতঃ এতে মূলধন খাটাতে হয় কম, আর বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের পকেট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চলে যায় ভারতে। কারন ভারতীয় ছবির চাহিদা স্বভাবতই এখানে বেশি। পূর্ব বাংলাতে তখন কোন স্টুডিও গড়ে উঠে নাই ।

১৯৫৩ সালে পূর্ব বঙ্গ সরকারের পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক ডক্টর সাদেক ৯২টি প্রেক্ষাগৃহে বিদেশী ছবির বদলে স্থানীয় ছবি চলে এর জন্য ছবি তৈরির কথা বলেন। ডক্টর সাদেক এর এই কথার পর অবাঙ্গালী ফজলে দোসানী বললেন যে ” এখানকার আবহাওয়া খারাপ , আর্দ্রতা বেশি। কাজেই এখানে ছবি তৈরি সম্ভব নয়।” এই বক্তব্য এর পর আবদুল জব্বার খান জবাব দেন “কেউ ছবি বানাক আর না বানাক, আমি এক বছরের মধ্যে তা বানিয়ে প্রমান করবো। এই চ্যালেঞ্জের জবাবের পরের বছর থেকেই শুরু হয় পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ” মুখ ও মুখোঁশ “। তখনই জব্বার খান ও আরো কয়েকজন মিলে তৈরি করেন ইকবাল ফিল্মস লিমিটেড ।

সেই যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের উত্থান শুরু হল তাতে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ ৬২ বছর পর আবার দেখতে হচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের শুরুর দিকটা। বিদেশি চলচ্চিত্রের উপর ভর করেই হল মালিক আর পরিবেশকরা বাচঁতে চান। বি এফ ডি সি তে যারা কাফন এর কাপড় পরে প্রতিবাদ করছেন তাতে বোঝা গেল আপনারা মৃত। আপনাদের উপস্থিতিতেই এই শিল্প ধংস হয়েছে , কেউ দায়িত্ব নেন নি। সবাই টাকা কামাইছেন অথবা নামধারি হয়েছেন অথবা ব্যাক্তিগত চাহিদা যুগিয়েছেন, চলচ্চিত্রকে চকলেট ভেবে চুষে চুষে নিশেঃষ করেছেন। আবার অনেক মহান মানুষ এই চলচ্চিত্রকে ভালবেসে নিশেঃষ হয়েছে কিন্তু প্রভাবশালীদের কারনে ঐ মহান মানুষরাও আজ নিরুদ্দেশ। শেষ মানেই নতুন করে শুরু করা। আবার জেগে উঠুক চলচ্চিত্রের অনেক আবদুল জব্বার খান। প্রযুক্তি ও জনশক্তি শুন্য আবদুল জব্বার খান চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। আজ আমাদের চলচ্চিত্র প্রযুক্তি ও জনশক্তি পূর্ণ। বস্তাপচা ও ডাস্টবিনের মত বাংলাদেশ চলচ্চিত্রকে আমরা আবারো জয় জয়কারে করে গড়ে তুলি। আমাদের চলচ্চিত্রের দক্ষ শ্রমিকদের প্রয়োজন। স্বজনপ্রীতি ও রাজনীতি মুক্ত এবং অশ্লিলতা মুক্ত চলচ্চিত্রের আবির্ভাব দরকার। চলচ্চিত্রের উপর গবেষনা করে নতুন করে লাগাম ধরতে হবে। আমরা আশাবাদি আমাদের চলচ্চিত্রকে নিয়ে। এক একজন আবদুল জব্বার খান তৈরি হয়ে যান আমাদের দেশের চলচ্চিত্র কে বাচাঁতে, চ্যালেঞ্জ নিতে এগিয়ে আসুন । নতুবা বাংলাদেশ হারাবে তার নিজস্বতা। মানুষ তৈরি হবে কিন্তু হবেনা সভ্য।

Check Also

rawnak-hasan

রওনক হাসানের খারাপ মেয়ে ভালো মেয়ে

মিডিয়া খবর :- মঙ্গলবার থেকে নিজের প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা …

dhaka international film festival

পঞ্চদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

মিডিয়া খবর :- ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে শুরু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares