Home » ইভেন্ট » বইপড়া কর্মসূচিতে গ্রামীণফোন
boi-pora

বইপড়া কর্মসূচিতে গ্রামীণফোন

Share Button

মিডিয়া খবর:- 

গত ১০ বছর ধরে বই পড়াকে উৎসাহিত করতে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে গ্রামীণফোন। বই পড়াকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের বিপুল সংখ্যক পুরস্কারের ব্যবস্থা। এ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীর ৩০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের প্রতি বছর ৩টি বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী উৎসবের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই অনুষ্ঠানগুলোতে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত থেকে বিজয়ী ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কার প্রদান করেন। প্রতি বছর ৩টি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকের সমাবেশ ঘটে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনায় আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী উৎসব আয়োজনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে গ্রামীণফোন। 

এবছর ঢাকা মহানগরীর বইপড়া কর্মসূচিতে ৩০০০০ ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে চার ক্যাটাগরিতে (স্বাগত, শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও সেরাপাঠক পুরস্কার) যাদের মধ্যে মোট ৬০৯২ জন ছাত্রছাত্রী পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর বইপড়া কর্মসূচিতে ৪৫৯৬ জন ছাত্রছাত্রী এবং খুলনা মহানগরীতে ৩২৪২ জন ছাত্রছাত্রী পুরস্কার পেয়েছে।

এই উৎসবের মাধ্যমে বরেণ্য ব্যাক্তিগণের হাত থেকে বিপুল সংখ্যক অভিভাবক, শিক্ষক/শিক্ষিকা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের উপস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীরা পুরস্কার গ্রহণ করে নিজেকে গৌরবান্নিতবোধ করে। এছাড়া উৎসবে বরেণ্য মানুষের কথা ও গল্প শোনে ছাত্রছাত্রীরা আরো সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালেও ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীর বইপড়ুয়া বিজয়ী ছাত্রছাত্রীদের বর্ণাঢ্য উৎসবের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

একনজরে গ্রামীণফোনর সহযোগিতা:
* পুরস্কার বিতরণী উৎসব
* ঢাকা মহানগরী : ১৬-১৭ জানুয়ারি ২০১৫; রমনা বটমূল।
* চট্টগ্রাম মহানগরী : ২৩ জানুয়ারি ২০১৫; চট্টগ্রাম মহানগরী হাই স্কুল প্রাঙ্গন।
* খুলনা মহানগরী : ৩০ জানুয়ারি ২০১৫; খুলনা করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গন।
* পুরস্কারের বইয়ের সংখ্যা : ৬৫,০০০ কপি।
* অনলাইন বইপড়া কর্মসূচি : ‘আলোর পাঠশালা’ র কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ২০১৫ সাল পর্যন্ত বর্ধিত।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক শরীফ মো. মাসুদ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও গ্রামীণফোন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন।  সকল মিডিয়াকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাশে থাকা জন্য ও নিয়মিত সংবাদ প্রচার করার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিনিউকেশন সৈয়দ তালাত কামাল বলেন, গ্রামীণফোন বিগত ১০ বছর ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচিকে সহযোগিতা করে আসছে। অনলাইন বুক রিডিং প্রোগ্রাম ‘আলোর পাঠশালা’ এর মাধ্যমেই তরুণদের মধ্যে উৎসাহ বৃদ্ধি সম্ভব। গ্রামীণফোন আগামীতেও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংগে এক সাথে কাজ করবে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, বইপড়া কর্মসূচি গত ১৯৮৩ সাল থেকে ৩৫০০ ছাত্রছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। আজ এই সংখ্যা ১৫ লক্ষ। বইপড়া কর্মসূচি পরিচালনা করা অনেক কঠিন কাজ। মুখস্থবিদ্যা, কোচিং ও প্রাইভেটের চাপে ছাত্রছাত্রীরা পাঠ্য বইয়ের বাইরে অন্য কোন বইপড়ার সুযোগ পায় না। ছাত্রজীবনে বই এত কষ্ট দিয়েছে যার ফলে বই যে আনন্দের , বই যে স্বপ্নের তা মনেই হয় না। এরমধ্যেও আমরা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। বইয়ের মাধ্যমে মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে চেষ্টা করছি। মানুষেকে আলোকিত করার চেষ্টা করছি। গ্রামীণফোনকে আমরা এই কঠিন কাজে পাশে পেয়ে আনন্দিত।

সারাদেশে ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কার দেওয়ার জন্য গ্রামীণফোন ৬৫ হাজার বই দিচ্ছে এবছর। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা এই বইপড়ার মাধ্যমে দূরীভূত করা সম্ভব হবে-এই বলে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তার কথা শেষ করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন সৈয়দ তালাত কামাল, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক শরিফ মোঃ মাসুদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রর উপদেষ্টা অঞ্জন কুমার দে। 

Check Also

bangobondhu

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো

মিডিয়া খবর :- স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো – নির্মলেন্দু গুণ একটি কবিতা লেখা …

joybangla-consert

৭ মার্চ জয়বাংলা কনসার্টে ৭ ব্যান্ডদল গাইবে

মিডিয়া খবর :- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনে এবারও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares