Home » চলচ্চিত্র » নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ও নতুন মুভি’র প্র’কল্পনা
nekabborer moha proyan

নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ও নতুন মুভি’র প্র’কল্পনা

Share Button

মিডিয়া খবর:-     -: মাসুদ পথিক :-

নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ও নতুন মুভি’র প্র’কল্পনা

আগামি ২২ তারিখ আমার নতুন মুভি’র নির্মাণ প্র’কল্পনা ঘোষণা। সেদিনই জানা যাবে নতুন মুভি’র নাম। নির্মাণ প্রসঙ্গের কিছু তথ্য ও পরিকল্পনা।

আমার নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য মুভি “নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ”(২০১৪)। একাত্তর সালের বর্গা চাষাদের সামাজিক বাস্তবতায় মুক্তিযুদ্ধের চৈতন্যের উপর আবহমান বাংলার চলমান ঘটনাপ্রবাহে এই মুভি’র দেয়াল নির্মিত। ভেতর ও কেন্দ্রে প্রাচ্য-দর্শনের পরম্পরা। ডিটেইল ও ইমেজ এবং রিচুয়ালের মাধ্যমে একটা গ্রামীণ বাংলার মানচিত্র তৈরি করার চেষ্টা কেবল। মহৎ মুভি, যা কেবল গল্প বলে তা না-করে। জীবনের বাইরে গিয়ে ঘটনার ঘনঘটা দিয়ে বিনোদন উৎপাদন না-করাই আমার উদ্দেশ্য ছিলো।

এমন মুভি তো চারপাশে হয়েই চলেছে। এমটা করলে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়বো জেনেওmasudpathik কাজটি করার চেষ্টা করেছি। সমাজের অন্য সকল কিছুর মতো চলচ্চিত্র সংস্কৃতিতেও শ্রেণীবৈষম্য প্রকট। বরং এখানে তা জটিল। বিএফডিসির নির্মাতারা বাঁকা চোখে দেখাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যারা আর্টকালচার করেন, চলচ্চিত্র সংগঠনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রচর্চা করেন, তারাও আউটসাইডার চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসাবে আমাকে অনেকেই তির্যক মন্তব্য করে থাকেন। ওদের কথা, যা কিছু হবে আমাদের সামনে, আমাদের কথাতেই হতে হবে। অনেকে মুখে না বললেও বডি ল্যঙ্গগুয়েজ দিয়ে সেটাই বুঝাতে চায়। ফলে যা হবার তা হয়েছে, তাতে কিন্তু দমে যাওয়ার মাঝে আমি নেই। নিজেকে লড়াকু চলচ্চিত্র সৈনিক মনে করি। তাই পথেই আছি, দেখা হবেই বন্ধু।

তো “নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ব্যাপক প্রসংশিত হওয়ার পরও অর্থের দিক থেকে আমার উপর দিয়ে একটি সাইক্লোন বয়ে গেছে। অনুদানের ২৪ লাখ টাকার সাথে বাবার ফসলি জমি বিক্রির টাকা যুক্ত হাওয়ার পরও পাওনাদারদের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। তবে থামতে চাচ্ছি না। অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে (মাথায় নিয়ে) নতুন একাধিক মুভি নির্মাণ করতে যাচ্ছি।

আর এই উপলক্ষ্যে সেইসব বন্ধু বা শুভানুধ্যায়ী বা মুভিতাত্ত্বিক বা শিল্পকরনেওয়ালের জন্য হযরত চার্লি চ্যাপলিন এর বয়ান, ” শিল্প শব্দটা কখনো আমার মাথায় ঢোকেনি। মানবিক অভিঙ্গতাকে শুদ্ধ উপায়ে প্রকাশ করাই বিদূষকের কাজ।” হযরত মাইকেলএঞ্জেলো আন্তনিওনি, ” আগমার্কা বাস্তবতার প্রবনতা একটা আন্দোলনের জন্ম দেয়, সমালোচকরা যার নাম দেন ‘ নিওরিয়ালিজম’ “। আর আমি বলেছি, র’ রিয়ালিজম। কেননা বাস্তবের হৃদয়ের মধ্যে বুদ্ধির নীতিকে বাঁচিয়ে রাখা। মানসিক অলস্য ও প্রচল গড্ডালিকাকে বাতিল করা।

হযরত জঁ-লুক গদার বলেন, ” বিষফোঁড়ার মতো তাকে আবার দর্শকের প্রতিক্রিয়াও সহ্য করতে হয়। তার কোনরকম ভুলত্রুটি কেউ বরদাস্ত করেনা। যতক্ষণ শুদ্ধশিল্প ততক্ষণ তিনিই সব, কিন্তু প্রয়োগের সময় তিনিই আবার অনিশ্চিত রাষ্ট্রনায়ক।…তবে আরো অনেকের থেকে মুভি করাটা আমার কাছে কঠিনতর কেননা আমার কোনো লিখিত চিত্রনাট্য থাকে না। কাজ চলতে চলতেই সব কিছু জন্ম নেয়।”

ফলে এইসব যৌন-উত্তেজক সমালোচনা শোনার চেয়ে মুভি বানানোর চেষ্টা করাই অধিকতর ভালো। কেননা এই ট্যাবু ও টোটেমের (বুদ্ধির) দেয়াল দেয়া সমাজে কাজ করাটা যেমন কঠিন, সমালোচনাও কঠিন।।
জয় বাংলা।।।

লেখক: চলচ্চিত্র নির্মাতা

Check Also

nuru miah o tar beauty driver

নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার

মিডিয়া খবর :- গত ২৪ জানুয়ারি কোনও কর্তন ছাড়াই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায় …

tanha, shuva

ভাল থেকো চলচিত্রের পোস্টার প্রকাশ

মিডিয়া খবর:- প্রকাশ হল জাকির হোসেন রাজুর নির্মিতব্য চলচিত্রের পোস্টার। জাকির হোসেন রাজুর নির্মাণে আসছে নতুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares