Home » নিউজ » গাজীপুর হাইটেক পার্কে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়

গাজীপুর হাইটেক পার্কে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়

Share Button

মিডিয়া খবর:-  

গাজীপুরের হাইটেক পার্কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামটি যোগ করার বিষয়ে অনুশাসন দেয়া হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন ও অনুশাসন  দেয়া হয়।

ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি স্থাপনের প্রস্তাবটি উত্থাপনের পরপরই একাধিক সিনিয়র মন্ত্রী আলোচনায় অংশ নেন। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ কয়েক জন সিনিয়র মন্ত্রী তাদের আলোচনায় বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মহানায়ক। তার জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না। ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামটি যোগ করার আহবান জানাচ্ছি।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, আইসিটি শিক্ষার গুণগত উৎকর্ষের মাধ্যমে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করাই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। এটি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে, তবে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় হওয়াতে কিছু অতিরিক্ত বিষয় এ আইনে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ আইনের খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিলেও কিছু অনুশাসন ও পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। তিনি বলেন, নামের ব্যাপারে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে এবং পর্যবেক্ষণ দেয়া হয়েছে যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করা, এর জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে এজন্য বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের অনুমতি লাগে, এ বিষয়টি আইন চূড়ান্ত করার সময় ঠিক করা হবে।

পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত ও পরামর্শ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী সময়ে আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বা গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নিয়োগ আকর্ষণীয় হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশ ও বিদেশে আইসিটি ক্ষেত্রে অসাধারণ মেধাবী ও যোগ্য লোকদের আকৃষ্ট করার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় যারা শিক্ষক হবেন তাদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা দেয়ার বিধান থাকবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লোককে নিয়ে আসতে পারব। তিনি বলেন, এখানে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি দূরশিক্ষণ ও অনলাইন শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় একাডেমিক কাউন্সিলে আইসিটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা থাকবেন। একাডেমিক কাউন্সিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মনোনীত দুজন আইসিটি শিল্প উদ্যোক্তা থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা উন্নয়ন কমিটিতে পরিকল্পনা বিভাগের একজন প্রতিনিধি থাকবে, যাতে তারা প্রকল্পগুলো ঠিকঠাক নিতে পারে।

খুব শিগগিরই এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ খসড়া আইনের বিষয়ে জানা গেছে, এটি হবে মূলত স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান। তবে প্রয়োজনে স্নাতক পর্যায়ে পাঠদানের সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে বলে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে। খসড়া আইনে বলা হয়েছে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি সার্চ কমিটি থাকবে। এ কমিটি উপাচার্য নিয়োগের জন্য প্রশাসনে অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তিন শিক্ষাবিদের প্যানেল চ্যান্সেলরের কাছে উপস্থাপন করবে। চ্যান্সেলর চার বছরের জন্য উপাচার্য নিয়োগ দেবেন। কবে নাগাদ এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খুব শিগগিরই এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবে। আইনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দিনক্ষণ থাকে না।

Check Also

FDC

শিল্পী সমিতির শপথ নিলেন ১১ জন, অনুপস্থিত ১০

মিডিয়া খবর :- শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির …

prangonemore

সফল পথ চলার ১৪ বছরে প্রাঙ্গণেমোর

মিডিয়া খবর :- শনিবার ৬ মে, ১৪ বছরে পা রেখেছে নাট্যদল প্রাঙ্গণেমোর। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটি তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares