Home » মঞ্চ » শিল্পকলা একাডেমীতে আজকের নাটক

শিল্পকলা একাডেমীতে আজকের নাটক

মিডিয়া খবর:-

স্টুডিও থিয়েটার হল:

শিল্পকলা একাডেমীর স্টুডিও থিয়েটার হলে আজ অনুষ্ঠিত হবে নাট্যকেন্দ্রের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠান।  এ উপলক্ষে সংগঠনটি দুই দিনব্যাপী আয়োজন করেছে। গতকাল ছিল প্রথমদিন। দলপ্রধান তারিক আনাম খান জানান, ‘প্রথম দিনে থাকছে ‘বন্দুকযুদ্ধ ও গাধার হাট’ নাটকের প্রদর্শনী। দ্বিতীয় দিন দলের পক্ষ থেকে প্রতিEk-je-chilo-dui-chakorষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করব। গান ও নৃত্যের পাশাপাশি থাকবে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান।’ 

১৯৯০ সালের ১১ অক্টোবর মঞ্চনাটকে যুক্ত হয় নাট্যকেন্দ্রের নাম। তারিক আনাম খানের নেতৃত্বে সঙ্গে ছিলেন ঝুনা চৌধুরী, নাহিদ ফেরদৌসসহ অনেকেই। পরে একে একে যোগ দিয়েছেন তৌকীর আহমেদ, জাহিদ হাসান, ইকবাল বাবু, সফিক সাদেকী, গোলাম মোস্তাফা, অভিক রায়হান, মোশাররফ করিমের মতো অভিনেতারা।

প্রথম প্রযোজনা ‘বিচ্ছু’ দিয়েই দারুণ সাড়া ফেলে দলটি। এছাড়া তাদের ‘তুঘলক’, ‘সুখ’, ‘জেরা’, ‘হয়বদন’, ‘ক্রসিবল’, ‘আরজ চরিতামৃত’, ‘প্রতিসরণ’, ‘প্রজাপতি’, ‘ডালিম কুমার’, ‘মৃত মানুষের ছায়া’ ও ‘দুই যে ছিল এক চাকর’ নাটক বেশ জনপ্রিয়।

১৯৯০ সালের অক্টোবর মাসে জন্ম হয়েছিল নাট্য সংগঠন নাট্যকেন্দ্রের। হাঁটি হাঁটি পা পা করে সংগঠনটি পার করেছে পথচলার দুই দশক। দুই দশকে ১১টি মঞ্চনাটক প্রযোজনা করেছে দলটি। প্রযোজনাগুলো যথাক্রমে—বিচ্ছু, তুঘলক, সুখ, জেরা, হয়বদন, ক্রুসিবল, আরজ চরিতামৃত, প্রতিসরণ, প্রজাপতি, ডালিম কুমার ও মৃত মানুষের ছায়া।

জাতীয় নাট্যশালা:thakur-ghare-kere

শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার মূল থিয়েটার হলে আজ সন্ধ্যা ৭টায় থাকছে নাটুকে থিয়েটার গ্রুপের নাটক ঠাকুর ঘরে কে রে।

এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হল:

শিল্পকলা একাডেমীর এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে আজ সন্ধ্যা ৭ায় থাকবে ঢাকা থিয়েটারের ঊষা উৎসব। সেলিম আল দীনের রচনা থেকে নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন সামিউন জাহান দোলা। এটি ঢাকা থিয়েটারের ৪৩তম নাট্যপ্রযোজনা।

Usha-Utsav

গারো নৃগোষ্ঠীর জীবনযাপন নিয়ে ‘ঊষা উৎসব’ নাটকটি রচিত হয়েছে। নাট্য, গীত ও নৃত্যের সমন্বয়ে নাটকটি মঞ্চায়িত হয়। নৃত্যের প্রাধান্য আছে এ নাটকে, তাই এটিকে নৃত্যনাট্যও বলা যেতে পারে। গারোদের প্রধান ঈশ্বর তাতারা রাবুকা যেন এ নাটকের বিবেক।

পৃথিবীতে যখন হানাহানি, রক্তারক্তি বেড়ে গেল তখন তাতারা রাবুকা কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে এলো, ‘একটা কিছু চাও যদি খোঁজ’। খুঁজতে খুঁজতেই শান্তির উৎস পাওয়া গেল পাতালপুরীতে পবিত্র জল সিসিথাম্পার কাছ থেকে। এই পবিত্র জল পান করেই হত্যা-ভেদাভেদ ভুলে নাচে-গানে মেতে উঠল সবাই।

অশান্তির রাত কেটে শান্তির ঊষায় আলোকিত হল পৃথিবী। তখন নরমুণ্ডু শিকারি আর নরমুণ্ডু শিকার করে না। সে তখন বেরোয় জ্যোৎস্না শিকারে অথবা ঝলমল আলোক শিকারে।

 

Check Also

দুই বাংলার থিয়েটার ক্যাম্প

মিডিয়া খবর :- শুরু হল শব্দ নাট্যচর্চা কেন্দ্র’র উদ্যোগে  দুই বাংলার প্রথম আন্তর্জাতিক থিয়েটার ক্যাম্প। শব্দ নাট্যচর্চা কেন্দ্র’র …

শিল্পকলায় উৎসবের শেষদিনে সুরগাঁও

মিডিয়া খবর :- আজ রবিবার গঙ্গা যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসরে শেষ দিনে মঞ্চায়িত হবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *