Home » নিউজ » দুটি পত্রিকা একের পর এক মিথ্যা সংবাদ ছাপিয়ে গেছে-প্রধানমন্ত্রী
sheikh hasina

দুটি পত্রিকা একের পর এক মিথ্যা সংবাদ ছাপিয়ে গেছে-প্রধানমন্ত্রী

মিডিয়া খবর :-

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, এক এগারোর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে এ দুটি পত্রিকা জড়িত। এদের ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। কোনরকমে গণতন্ত্রকে ধরাশায়ী করে অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের কপাল খুলবে, সেই ষড়যন্ত্রেই তারা লিপ্ত। কিন্তু তাদের এই ষড়যন্ত্রে কোন কাজ হবে না। এদেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।
সোমবার জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্টের ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপণী দিনে এক ঘন্টার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনে না এসে ভুল করেছে। সেই ভুলের খেসারত দেশের জনগণ কেন দেবে। রাজনৈতিক ভুলের খেসারত তাদেরই দিতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের খুন-খারাবি, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের কারণে দেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। কারণ দেশের মানুষ সন্ত্রাস-খুন, ধ্বংসাত্মক রাজনীতি, দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং পছন্দ করে না, করবেও না।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়। এরপর স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের সমাপ্তি সম্পর্কিত রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পত্রিকা দুটির নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুটো পত্রিকা ২০টি বছর ধরেই আমার বিরুদ্ধে লেখা হচ্ছে। কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দুটি পত্রিকা আমি পড়ি না। ভাল কিছু লিখলেও শেষে দিকে আমাকে খোঁচা দেবে। এ খোঁচা খেয়ে আমি আত্মবিশ্বাস হারাব। তবে পড়বো কেন? তিনি বলেন, আমাকে দুর্নীতিবাজ বানাতে তাঁর পত্রিকা যতকিছু লিখেছে সেগুলো নাকি ডিজিএফআই সাপ্লাই দিয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে লেখা থাকে নির্ভিক সাংবাদিকতা। আলোর কথা বলে অন্ধকারের কাজ করে। এই লেখাগুলো ছাপালো কিন্তু সূত্র লেখা হলো না কেন?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়ান ইলেভেনে স্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকতে প্রথমেই আমার ওপর আঘাত আসে। আমি তো সরকারে ছিলাম না, বিরোধী দলে ছিলাম। তবে কেন প্রথমে আমাকে গ্রেফতার করা হলো। আমাকে দুর্নীতিবাজ বানাতে ওই দুটি পত্রিকা একের পর এক মিথ্যা সংবাদ ছাপিয়ে গেছে। ডিজিএফআইয়ের ব্রিগেডিয়ার বারী ও আমিনের হাত থেকে ওই সময় কেউই রেহাই পায়নি। ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদ, শিক্ষক ছাত্রদের ওপর যারা নির্যাতন করেছে তাদের সঙ্গে কী সখ্যতা ছিল তা কী প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার দিতে পারবে?

তিনি বলেন, এই দুটো পত্রিকা হয় ডিজিএফআইয়ের এজেন্ট হয়ে কাজ করেছে নতুবা মাইনাস টু ফর্মুলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ষড়যন্ত্রে লিপ্ত না থাকলে অসত্য সংবাদ ছাপাবে কেন? ব্রিগেডিয়ার আমিন ও বারীর চোখের আলো হয়ে ছিলেন ওই দুটি পত্রিকা। তাদের কাজই হলো দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, অসাংবিধানিক শক্তি ক্ষমতায় আসুক। এরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ক্ষমতায় যেতে চাইলে তারা রাস্তায় নামুক, জনগণের কাছে যাক। মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করে আমরা রাজনীতি করি। রাজনীতি করার এতো শখ, ক্ষমতায় যাওয়ার এতো শখ থাকলে- মানুষের ভোট নিয়ে আসুক।

Check Also

emi

এশিয়া মডেল ফেস্টে বাংলাদেশের ইমি

মিডিয়া খবর :- বাংলাদেশের মডেল ইমি এ বছর ‘এশিয়ান মডেল অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন। রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের …

sheikh hasina

স্কুলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর আহবান

মিডিয়া খবর :- দেশের সব স্কুলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *