Home » Uncategorized » দালাল হটাও, দেশী চলচ্চিত্র বাঁচাও- মানব বন্ধন এবং প্রতিবাদ কর্মসূচী

দালাল হটাও, দেশী চলচ্চিত্র বাঁচাও- মানব বন্ধন এবং প্রতিবাদ কর্মসূচী

Share Button

মিডিয়া খবর :-

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অনেকদিন থেকেই বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। এর মধ্যে থেকেই অনেক মেধাবী পরিচালক ও উৎসাহী প্রয়োজকরা দীর্ঘদিন যাবৎ এদেশের চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াশ পাচ্ছেন। কিছু কিছু সমস্যার সমাধান হলেও যে সমস্যাটি বিষ ফোঁড়ার মত দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের চলচ্চিত্র জগতকে ব্যাধিগ্রস্থ করে রেখেছে তা হল বুকিং এজেন্ট বা মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের সীমাহীন দৌরাত্ন্য। এই সমস্যার অবসান দাবী করে সিনেপাগলা গ্রুপ আগামী ৮/১১/২০১৪ (শনিবার) সকাল ১১ টায় মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ কর্মসূচী : দালাল হটাও, দেশী চলচ্চিত্র বাঁচাও আন্দোলন শিরোনামে রাজধানী ঢাকাসহ সকল বিভাগীয় শহরগুলোতে একযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। 

কর্মসূচির স্থানসমূহঃ  ঢাকা-জাতীয় প্রেস ক্লাব,  রাজশাহী- উপহার সিমোমা হলের সামনে , সিলেট-নন্দিতা সিনেমা হলের সামনে,  খুলনা-শংকর সিনেমা হলের সামনে।

বাংলাদেশে মোট বুকিং এজেন্ট আছে ১০০ জনের মত। এদের মাঝে ৭-৮ জন পুরো ইন্ডাস্ট্রি নিয়ন্ত্রন করে। এরা চাইলে সিনেমা প্রর্দশনীর জন্যে হল পায় নয়ত পায় না। সিনেমার ভাল মন্দ এখানে গৌণ। এদের কোন নির্দিষ্ট অফিস বা ঠিকানা নেই। অনেক বুকিং এজেন্টকে পরবর্তিতে কোন ব্যক্তিগত ইনভেস্ট ছাড়া শুধু কমিশনের টাকা দিয়েই প্রযোজক বনে যেতে দেখা গেছে।

বুকিং এজেন্টদের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমূহঃ

পরিবেশনার প্রচলিত তিনটি পদ্ধতির মাঝে যে পদ্ধতিতেই সিনেমা হলে চলুক না কেন বুকিং এজেন্ট প্রযোজক কিংবা পরিবেশকের কাছ থেকে১০% করে কমিশন নিয়ে থাকে। এমন কি বুকিং মানি থেকেও তারা ১০% করে কমিশন নেয়। প্রযোজকের লাভ বা লোকসান যা-ই হোক হলে সিনেমা চালাতে হলে তাদেরকে বাধ্যতামূলক ভাবে কমিশন দিতেই হয়।

ছবি বানানোর সময় বুকিং এজেন্টরা বিভিন্ন ধরনের পরার্মশ দিয়ে থাকে। যেমন, নায়ক/নায়িকা কে হবে, গল্প কী হবে, কয়টা ফাইট বা গান থাকবে, আইটেম গার্ল কে হবে, এমন কি পোস্টার বা ট্রেলার সবকিছু তে তারা পরমর্শ দিয়ে থাকে। সেই পরামর্শ না শুনলে তারা উক্ত সিনেমা হলে চালাতে বাঁধা সৃস্টি করে।

নতুন নায়ক/নায়িকার ক্ষেত্রে সিনেমা না চলবার অজুহাত দেখিয়ে উক্ত সিনেমা হলে চালাতে তারা অনীহা প্রকাশ করে। ফলশ্রুতিতে নিয়ম মাফিক বুকিং মানি জমা না নিয়েই প্রযোজকরা সেই ছবি হলে রিলিজ দিতে বাধ্য হয়। এছাড়াও পরবর্তিতে হল মালিকের কাছ থেকে বাড়তি কমিশন খেয়ে তারা সিনেমার আয় কম দেখায়। এতে করে নুতন নায়ক/নায়িকাদের নিয়ে কাজ করতে প্রযোজকরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

Check Also

উইজার্ডস অ্যাড নেটওয়ার্কসের বাণিজ্যিক যাত্রা

মিডিয়া খবর :- এবার বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করলো উইজার্ডস অ্যাড নেটওয়ার্কস। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে …

na jagotik na puran

ঈদের দিন দুপুরে না জাগতিক না পুরাণ

মিডিয়া খবর:- ঈদের দিন দুপুর ১২.৩০ মিনিটে টেলি মুভি “না জাগতিক না পুরাণ” প্রচারিত হবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares